খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

চট্টগ্রামে অর্থ পাচার মামলায় ইউসিবির চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

কে এম রাজীব
প্রকাশিত: বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬, ৯:২৭ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে অর্থ পাচার মামলায় ইউসিবির চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

চট্টগ্রামে পঁচিশ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও হুণ্ডির মাধ্যমে বিদেশে অর্থ পাচার মামলার অভিযোগে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের (ইউসিবি) সাবেক চেয়ারম্যান এম এ সবুরের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

বুধবার ( ১২ আগষ্ট ) চট্টগ্রাম মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মো. হাসানুল ইসলাম এ আদেশ প্রদান করেন। আদেশের বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মোকাররম হোসাইন নিশ্চিত করে বলেন, এম এ সবুর আদালতে সময়ের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তার সময়ের আবেদন নামঞ্জুর করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

 

গত ১৭ মে হাইকোর্টের বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেন ও বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের বেঞ্চ এম এ সবুরকে আট সপ্তাহের মধ্যে চট্টগ্রামের জ্যেষ্ঠ মহানগর বিশেষ জজ আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন। হাইকোর্টের আদেশের পর গত ৯ জুলাই তিনি আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। দুদকের দাবি, হাইকোর্টে আগাম জামিনের আবেদন করার সময় মামলায় অভিযোগপত্র দাখিল হয়নি বলে তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছিল। তবে এর আগেই গত ৫ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. মশিউর রহমান ৩৬ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

 

পরে অভিযোগ গঠন শেষে মামলার বিচার শুরু হয়। দুদকের পিপি মোকাররম হোসাইন আরও বলেন, অভিযোগপত্র দাখিলের তথ্য গোপন করে হাইকোর্টে আগাম জামিনের আদেশ নেওয়া হয়েছিল। অথচ অভিযোগপত্র দাখিলের পর মামলায় অভিযোগ গঠন হয়েছে। মামলার নথি অনুযায়ী ৩৬ আসামির বিরুদ্ধে দাখিল করা অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, আরামিট গ্রুপের একটি নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠানের নামে ২৫ কোটি টাকার ঋণ অনুমোদন করে তা কর্মচারীদের মাধ্যমে উত্তোলন করা হয়। পরে হুণ্ডির মাধ্যমে ওই অর্থ বিদেশে পাচার করা হয়েছে। মামলায় আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, তার স্ত্রী এবং ইউসিবির সাবেক চেয়ারম্যান এম এ সবুরসহ মোট ৩৬ জন আসামি রয়েছেন। মামলায় মোট ৯২ জন সাক্ষী রয়েছেন। ইতোমধ্যে ২৭ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।