খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

সাতক্ষীরার তালায় একই রাতে দুই বাড়িতে চেতনানাশক স্প্রে করে দুর্ধর্ষ চুরি

গোলাম রব্বানী
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬, ১০:০৪ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরার তালায় একই রাতে দুই বাড়িতে চেতনানাশক স্প্রে করে দুর্ধর্ষ চুরি

সাতক্ষীরার তালা উপজেলায় একই রাতে দুটি পৃথক বাড়িতে চেতনানাশক স্প্রে করে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। দুর্বৃত্তরা পরিবারের সদস্যদের অচেতন করে নগদ টাকা ও মূল্যবান মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

চাঞ্চল্যকর এই ঘটনার পর থেকে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক বিরাজ করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার রাতে তালা সদর ইউনিয়নের ভায়ড়া ও খানপুর গ্রামে এ চুরির ঘটনা ঘটে।
ভায়ড়া গ্রামের ভুক্তভোগী আবজাল জোয়াদ্দার (পিতা: আবুল হোসেন জোয়াদ্দার) জানান, রাতের খাবার শেষে পরিবারের সদস্যরা ঘুমিয়ে পড়েন। সকালে উঠে তারা ঘরের দরজা ভেড়ানো এবং আসবাবপত্র এলোমেলো দেখতে পান। পরে তারা বুঝতে পারেন যে ঘরে চুরি হয়েছে।
অন্যদিকে, একই রাতে খানপুর গ্রামের মহিউদ্দিন সরদারের (পিতা: জাবাক্সে সরদার) বাড়িতেও অনুরূপ চুরির ঘটনা ঘটে। তাঁর স্বজন ইলিয়াস সরদার জানান, রাতের কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা চেতনানাশক স্প্রে করে পরিবারের সবাইকে অচেতন করে দেয় এবং মালামাল লুট করে পালিয়ে যান।
ভুক্তভোগী পরিবারগুলো জানায়, চেতনানাশক স্প্রে-র প্রভাবে পরিবারের সদস্যরা অসুস্থ থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে খোয়া যাওয়া মালামাল ও নগদ টাকার সঠিক পরিমাণ নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি।
তাদের শারীরিক সুস্থতার পর সার্বিক ক্ষয়ক্ষতির তালিকা করা সম্ভব হবে।
এ বিষয়ে তালা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আবু বকর সিদ্দিক জানান, “বিষয়টি সম্পর্কে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
একই রাতে পরপর দুটি চুরির ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে ঘটনার সাথে জড়িতদের দ্রুত চিহ্নিত ও গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।