খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

রাজশাহীতে নিরাপত্তাকর্মীকে মারধর ও হত্যার হুমকি, ১ ঘণ্টার মধ্যেই প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

মোস্তাফিজুর রহমান রানা
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৪২ অপরাহ্ণ
রাজশাহীতে নিরাপত্তাকর্মীকে মারধর ও হত্যার হুমকি, ১ ঘণ্টার মধ্যেই প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

রাজশাহী মহানগরীর লক্ষ্মীপুর মোড় এলাকায় এক নিরাপত্তাকর্মীকে মারধর ও ধারালো অস্ত্র গলায় ধরে হত্যার হুমকি দেওয়ার ঘটনায় প্রধান আসামি আরিফুল ইসলাম আরিফ (৩৭) কে গ্রেপ্তার করেছে রাজপাড়া থানা পুলিশ। অভিযোগ পাওয়ার মাত্র এক ঘণ্টার মধ্যেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত আরিফুল ইসলাম আরিফ মহানগরীতে রোগী ধরার দালাল হিসেবে পরিচিত বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী মোঃসাব্বির হোসেন (২৬) লক্ষ্মীপুর মোড়ের পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পুরোনো ভবনে নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে কর্মরত। গত ১৯ আগস্ট দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে প্রতিষ্ঠানের নিয়ম অনুযায়ী হ্যান্ডমাইকে রোগী ধরার দালাল, চোর, পকেটমার ও প্রতারকদের বিষয়ে সেবাপ্রত্যাশীদের সতর্ক করছিলেন তিনি।

এ সময় আরিফুলসহ কয়েকজন সেখানে গিয়ে মাইকে সতর্কবার্তা প্রচার করতে নিষেধ করেন। সাব্বির প্রতিষ্ঠানের নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালনের কথা জানালে অভিযুক্তরা তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এতে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়।

অভিযোগে আরও বলা হয়,একপর্যায়ে আরিফুল দৌড়ে ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পুরোনো ভবনের পেছনে গিয়ে একটি ধারালো দেশীয় অস্ত্র নিয়ে এসে সাব্বিরের গলায় ধরে হত্যার ভয়ভীতি দেখান ও প্রাণনাশের হুমকি দেন।

ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি রাজশাহী মহানগর পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ফয়জুল কবিরের নজরে আসে। তিনি ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন।

এর পরিপ্রেক্ষিতে রাজপাড়া থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযোগ পাওয়ার এক ঘণ্টার মধ্যেই আরিফকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় তার হেফাজত থেকে একটি দেশীয় ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সাব্বির হোসেন বাদী হয়ে ২০ আগস্ট রাজপাড়া থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় অন্যান্য অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এ বিষয়ে রাজশাহী মহানগর পুলিশ জানিয়েছে, নগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা,অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা এবং নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।