খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

কালিয়াকৈরে বংশাই নদীতে ডুবে ছাত্রের মৃত্যু

জাহাঙ্গীর আলম শরিফ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৫৪ অপরাহ্ণ
কালিয়াকৈরে বংশাই নদীতে ডুবে ছাত্রের মৃত্যু

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার আটাবহ ইউনিয়নের মহরাবহ গ্রামে বংশাই নদীর স্রোতে ভেসে গিয়ে তাসকিন মিয়া নামে (৮) বছরের এক স্কুলছাত্রের করুণ মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার ৪ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টার দিকে বন্ধুদের সঙ্গে গোসল করতে গিয়ে নদীতে তলিয়ে যায় সে। প্রায় ১ ঘণ্টা খোঁজাখুঁজির পর দুপুর ১২টার দিকে মরদেহ উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত তাসকিন মহরাবহ গ্রামের রতন মিয়ার ছেলে। সে স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩য় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকাল ১১টায় দিকে তাসকিন বন্ধুদের সঙ্গে খেলাধুলা করে বংশাই নদীর উপর জাংগালিয়া ব্রিজের দক্ষিণ পাশে গোসল করতে যায়। হঠাৎ নদীর প্রবল স্রোতে সে পানিতে তলিয়ে যায়। বন্ধুরা চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে উদ্ধারের চেষ্টা করে।

অনেক খোঁজাখুঁজির পর দুপুর ১২টার দিকে নদী থেকে অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়। দ্রুত কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।৮ বছরের তাসকিনের আকস্মিক মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই মহরাবহ গ্রামসহ আশপাশের এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। বাড়িতে স্বজনদের আহাজারিতে আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে ওঠে।

নিহতের বাবা রতন মিয়া ছেলের মরদেহ জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়েন। তিনি বলেন,সকালে হাসতে হাসতে খেলতে গেল আমার মানিক। আর ফিরল না। নদী আমার সব কেড়ে নিল। আমি এখন কাকে নিয়ে বাঁচব।

প্রতিবেশীরা জানান, তাসকিন ছিল অত্যন্ত মেধাবী, শান্ত ও বিনয়ী স্বভাবের। তার এমন মৃত্যুতে এলাকার মানুষ শোকাহত।

এ ঘটনার পর স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা বর্ষা মৌসুমে অভিভাবকদের সন্তানদের প্রতি আরও সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তারা বলেন,বংশাই নদীতে এখন প্রচণ্ড স্রোত। শিশুদের একা নদীতে গোসল বা খেলাধুলা করতে দেওয়া যাবে না। একটু অসাবধানতাই কেড়ে নিতে পারে প্রাণ।কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান,হাসপাতালে আনার আগেই শিশুটির মৃত্যু হয়েছে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।