খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

চট্টগ্রামে বিদেশি নম্বরে চাঁদা দাবি, না দিলে হত্যার হুমকি, অবশেষে পুলিশের জালে গ্রেপ্তার – ৭

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৩ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে বিদেশি নম্বরে চাঁদা দাবি, না দিলে হত্যার হুমকি, অবশেষে পুলিশের জালে গ্রেপ্তার – ৭

চট্টগ্রামে বিদেশি নম্বর থেকে ফোন করে মোটা অঙ্কের চাঁদা চাওয়া, ১০০ জন পুলিশ পাহারায় থাকলেও রক্ষা করা যাবে না বলা, ডেভিড ইমন, বড় সাজ্জাদ, রায়হানসহ পরিচিত পরিচয়দানকারী সন্ত্রাসীরা এবার পুলিশ জালে ধরা। সোমবার রাত ২টা থেকে টানা ২৪ ঘণ্টা হাটহাজারী, নগরের বায়েজিদ বোস্তামী ও খুলশী থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। মঙ্গলবার ( ৮ সেপ্টেম্বর ) বিষয়টি নিশ্চিত করেন চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, কামরুল হাসান প্রকাশ সাগর (২৫), মো. রিকু (২৫), মো. তরিকুল ইসলাম ওরফে রোহিত (২০), আহমদুল্লাহ প্রকাশ মাসুম মেম্বর (৪০), আহমদ রেজা শাকিল (২৫), মো. মানিক (৪০) ও নুরুল আলম (৪০)। পুলিশ বলছে, গ্রেপ্তারকৃত সন্ত্রাসীরা ধনী কোনো ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে দাবি করা হতো মোটা অঙ্কের চাঁদা। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালেই আসত প্রাণনাশের হুমকি, বলা হতো, ১০০ জন পুলিশ পাহারায় থাকলেও রক্ষা করা যাবে না। এভাবেই ভয় দেখিয়ে ব্যবসায়ী ও বিত্তবান ব্যক্তিদের কাছ থেকে চাঁদা আদায়ের চেষ্টা করছিল একটি চক্র। শেষ পর্যন্ত তথ্যপ্রযুক্তির বিশ্লেষণ, গোয়েন্দা তথ্য ও জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চক্রটির সাত সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ।

 

 

চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম বলেন, সম্প্রতি হাটহাজারীর আমানবাজার এলাকার এক চিকিৎসককে বিদেশি নম্বর থেকে ফোন করে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। চাঁদা না দিলে তাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। একইভাবে বড়দিঘীর পাড় এলাকার এক ব্যবসায়ীকেও বিদেশি নম্বর ব্যবহার করে চাঁদা দাবি ও ভয়ভীতি দেখানো হয়। ঘটনার পর জেলা পুলিশ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে ফোনকল ও যোগাযোগের তথ্য বিশ্লেষণের পাশাপাশি গোপন সূত্রে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। আগে গ্রেপ্তার ডেভিড ইমন ও কালা মোবারককে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যও তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তিনি আরও বলেন, গ্রেপ্তাররা নিজেদের পরিচয় গোপন রেখে বিদেশি নম্বর ও হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করে চাঁদাবাজি করতেন। টার্গেট ব্যক্তিদের সম্পর্কে আগে তথ্য সংগ্রহ করে পরে ডেভিড ইমন, কালা মোবারক, বড় সাজ্জাদ ও রায়হানের মতো পরিচিত সন্ত্রাসীদের নাম ব্যবহার করে ভয় দেখানো হতো। তবে তারা মূলত নিজেদের পৃথক চাঁদাবাজ চক্র গড়ে তুলেছিলেন। অভিযানে চারটি মোবাইল ফোন ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের মধ্যে কয়েকজনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, অস্ত্র, সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ডাকাতির প্রস্তুতি, অপহরণ ও হত্যাচেষ্টাসহ একাধিক মামলা রয়েছে। চক্রের অন্য সদস্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।