খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

সুবিদপুর পূর্ব ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে জনপ্রিয় মুখ ফারুক আহমদ খান | সুবিদপুর পূর্ব ইউনিয়নকে আধুনিক ও মাদকমুক্ত করতে চান চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ফারুক আহমদ খান

বিশেষ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৫০ অপরাহ্ণ
সুবিদপুর পূর্ব ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে জনপ্রিয় মুখ ফারুক আহমদ খান | সুবিদপুর পূর্ব ইউনিয়নকে আধুনিক ও মাদকমুক্ত করতে চান চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ফারুক আহমদ খান

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ উপজেলার ৩নং সুবিদপুর পূর্ব ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে সাধারণ মানুষের মুখে মুখে ফিরছে মো. ফারুক আহমদ খানের নাম। দীর্ঘদিন ধরে রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় থাকা ও তৃণমূল মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকা এই রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে ইউনিয়নের অভিভাবক হিসেবে দেখতে চান স্থানীয় জনগণ।
৩নং সুবিদপুর পূর্ব ইউনিয়নের তেলিসাইর গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান ফারুক আহমদ খান। তাঁর পিতা মাওলানা মো. হাফিজ উদ্দিন খান। শিক্ষাজীবনে তিনি ১৯৯৫ সালে ‘ইসলমিক হিস্ট্রি’ (ইতিহাস) বিষয়ে স্নাতকোত্তর (মাস্টার্স) ডিগ্রি অর্জন করেন।
রাজনৈতিক অঙ্গনে ফারুক আহমদ খান একজন পরীক্ষিত ও ত্যাগী নেতা।
তিনি ফরিদগঞ্জ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক, ক্রীড়া সম্পাদক ও কার্যকরি সদস্য হিসেবে দায়িত্ব সামলেছেন। ছাত্রজীবনেই রাজপথের রাজনীতিতে তাঁর হাতেখড়ি। তিনি হাজীগঞ্জ ডিগ্রী কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি, চাঁদপুর জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং ফরিদগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি হিসেবে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন ও সামাজিক মাধ্যমে অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে গিয়ে তিনি একাধিকবার হামলা, মামলা ও কারাভোগের শিকার হন। বিগত সরকারের আমলে তৎকালীন শিক্ষা মন্ত্রীর নির্দেশে রাজনৈতিক প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা আইসিটি মামলা দায়ের করা হলে তিনি প্রায় ৪ মাস কারাবাস ভোগ করেন এবং পরবর্তীতে দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে আদালত থেকে খালাস পান।
ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে নিজের প্রত্যাশার কথা জানিয়ে ফারুক আহমদ খান বলেন, “আমি শহীদ জিয়াউর রহমান, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও দেশনায়ক তারেক রহমানের আদর্শকে বুকে ধারণ করে যৌবনের শুরু থেকেই রাজনীতির মাঠে আছি। সরকারি চাকরির সুযোগ পেয়েও রাজনীতি ও এলাকার মানুষের সেবাকে বেছে নিয়েছিলাম। সুবিদপুর পূর্ব ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, দুর্নীতিমুক্ত ও আদর্শ ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলাই আমার প্রধান লক্ষ্য। দল যদি আমাকে মনোনয়ন দেয় এবং জনগণ যদি সুযোগ দেয়, তবে জীবনের শেষদিন পর্যন্ত অবহেলিত এই ইউনিয়নের মানুষের সেবায় আত্মনিয়োগ করব।”
এদিকে এলাকার সুশীল সমাজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সাধারণ ভোটারদের সাথে কথা বলে জানা যায়, ফারুক আহমদ খানের মতো তৃনমুল থেকে উঠে আসা একজন শিক্ষিত, পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির ও রাজপথের লড়াকু নেতা চেয়ারম্যান হিসেবে প্রার্থী হলে ইউনিয়নের সামগ্রিক উন্নয়ন নিশ্চিত হবে।
ফারুক আহমেদ খান রাজনীতির পাশাপাশি এলাকায় মসজিদ, মাদ্রাসা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহ ধর্মীয় ও বিভিন্ন সামাজিক কাজে জড়িত আছেন।
তিনি বর্তমানে কামতা ডিএস ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসার গভর্নিং বডি’র সহ সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।
ফারুক আহমেদ খান সব সময় এলাকার সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে রয়েছেন এবং ভবিষ্যতেও পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।