খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

অতিরিক্ত টাকার চাকা ঘুরলেই মেলে সই, জিম্মি সাধারণ সেবাগ্রহীতা শৈলকুপা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে অনিয়ম ও দুর্নীতির বাঁধভাঙা জোয়ার

মোঃ আবু হুরাইরা মিয়া
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:১৯ অপরাহ্ণ
অতিরিক্ত টাকার চাকা ঘুরলেই মেলে সই, জিম্মি সাধারণ সেবাগ্রহীতা  শৈলকুপা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে অনিয়ম ও দুর্নীতির বাঁধভাঙা জোয়ার

ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস যেন অনিয়ম ও সিন্ডিকেটের এক নিরাপদ ঘাঁটিতে পরিণত হয়েছে। সাধারণ গ্রাহক থেকে শুরু করে শতাধিক দলিল লেখক আজ একটি সংঘবদ্ধ চক্রের কাছে জিম্মি। নির্ধারিত ফি প্রদান করেও ঘুষ ছাড়া মিলছে না কাঙ্ক্ষিত সেবা; উল্টো প্রতি ধাপে গুণতে হচ্ছে অতিরিক্ত টাকা।

জানা গেছে, শৈলকুপার নিয়মিত সাব-রেজিস্ট্রার ইয়াসমিন শিকদার বর্তমানে ছুটিতে রয়েছেন। তাঁর অনুপস্থিতিতে কোটচাঁদপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের সাব-রেজিস্ট্রার তামিম সিদ্দিকী অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে শৈলকুপায় ভারপ্রাপ্ত সাব-রেজিস্ট্রার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আর এই ভারপ্রাপ্তের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে অফিস কক্ষজুড়ে রাজত্ব কায়েম করেছে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট। টাকা না দিলে মেলে না সই, দলিলে নির্ধারিত রেট স্থানীয় ও ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, এই অবৈধ সিন্ডিকেটের মূল নেতৃত্বে রয়েছেন নকলনবিশ আমির হামজা। অফিসে প্রতিটি দলিলের জন্য গড়ে ২,০০০ টাকা পর্যন্ত অবৈধ লেনদেন বাধ্যবাধকতা করা হয়েছে। সাধারণ দলিল: প্রতি দলিলে গুণতে হচ্ছে ২,০০০ টাকা। টাকা দিলে সহজেই মেলে অনুমোদন, না দিলে নানা অজুহাতে আটকে দেওয়া হয় নথি। হেবা দলিল: বিশেষ করে জমি হস্তান্তরের হেবা দলিলের ক্ষেত্রে নেওয়া হচ্ছে প্রতিটিতে ৪,০০০ টাকা পর্যন্ত। নকলনবিশ আমির হামজার নেতৃত্বাধীন এই সিন্ডিকেটের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছেন না সাধারণ জমি ক্রেতা-বিক্রেতারা। অফিসে আসা শত শত গ্রাহকের পাশাপাশি পেশাগত কাজে আসা শতাধিক দলিল লেখকও বর্তমানে এই অবৈধ ব্যবস্থার কাছে অসহায় হয়ে পড়েছেন। সেবা নিতে আসা একাধিক ভুক্তভোগী ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, রেজিস্ট্রি ফি ও সরকারি নিয়ম মেনে সমস্ত কাগজপত্র প্রস্তুত করার পরও শুধুমাত্র সিন্ডিকেটের হাতে অতিরিক্ত টাকা না দিলে জমি রেজিস্ট্রি সম্ভব হচ্ছে না। জমি কেনাবেচার মতো জরুরি প্রয়োজনে এসে সাধারণ মানুষ চরম হয়রানি ও অর্থদণ্ডের শিকার হচ্ছেন।
ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ভুক্তভোগী মহল অবিলম্বে শৈলকুপা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের এই দুর্নীতির তদন্ত এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।