খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

কত সম্পদের মালিক দীপিকা

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৬ জানুয়ারি, ২০২৫, ১:০৬ অপরাহ্ণ
কত সম্পদের মালিক দীপিকা

৩৯ বছরে পা রাখলেন তিনি । বলিউডের আজকের তুমুল জনপ্রিয় এ তারকার কর্মজীবন ২০০৫ সালে শুরু হয়েছিল। সে বছরই প্রথম পোশাকশিল্পী সুনীত বর্মার জন্য ব্যাম্পে হেঁটেছিলেন। তারপর থেকে একাধিক বিজ্ঞাপন ও মিউজিক ভিডিওর কাজ করেন। দীপিকার অভিনয়ের সফর শুরু কন্নর সিনেমা ‘ঐশ্বর্য’র মাধ্যমে। এরপরেই ২০০৭ সালে তিনি বলিউডে যাত্রা করেন। প্রথম সিনেমাতেই শাহরুখ খানের বিপরীতে নিজের অভিনয় ক্যারিশা দেখান। ‘ওম শান্তি ওম’ সিনেমায় শান্তিপ্রিয়ার চরিত্রে নজর কেড়েছিলেন এ নায়িকা। জাদুভরা চোখে টানা কাজল, সারল্যে ভরা হাসিতে মুগ্ধ করেছিলেন দীপিকা। এরপরে আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। এরই ১৭ বছর বলিউডে কাটিয়ে ফেলেছেন তিনি। দীপিকা বর্তমানে ভারতের শীর্ষ নায়িকাদের একজন। তার সম্পদের পারিমাণ জানতে ভীষণ কৌতূহলী অনুরাগীরা।

বর্তমানে দীপিকা প্রায় ৫০০ কোটি রুপির সম্পত্তির মালিক। জানা গেছে, প্রতি সিনেমার জন্য তিনি ৩০ কোটি রুপি পারিশ্রমিক নেন। প্রতি মাসে দীপিকার আয় ৩ কোটি রুপি। বার্ষিক আয় প্রায় ৪০ কোটি রুপি। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৫৬ কোটি টাকারও বেশি। দীপিকার সম্পদের বর্ণনা এখানেই শেষ নয়। ওরলিতে ৫ কক্ষের একটি ফ্ল্যাট রয়েছে দীপিকা-রণবীরের, যার দাম ৪০ কোটি রুপি। মাঝে মধ্যেই ছুটি কাটাতে আলিবাগে ছুটে যান দীপিকা-রণবীর। সেখানেও তাদের একটি বাংলো রয়েছে। সেই বাংলোর দাম ২২ কোটি রুপি। দীপিকা এ ছাড়াও বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করেছেন। অভিনয়ের পাশাপাশি একাধিক বিদেশি ব্র্যান্ডের অ্যাম্বাসেডর হিসেবেও আয় করেন এ নায়িকা। বর্তমানে তার নিজস্ব পোশাক ও ত্বক পরিচর্যার ব্র্যান্ডও রয়েছে। এ থেকে প্রতি মাসে মোটা অংকের আয় করেন।

এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম নগরীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পটে বেশি গুরুত্ব দিয়ে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। রোববার ( ২৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১টায় নগরীর সাগরিকা মোড় সংলগ্ন কাজীর দীঘি এলাকায় চসিকের মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শনকালে মেয়র এ কথা জানান। একই সঙ্গে নগরবাসীকে নিজেদের বাসাবাড়ি ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া এবং ঘুমানোর সময় নিয়মিত মশারি ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

 

তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে চসিকের নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পট এলাকাগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এসব এলাকায় মশক নিধন, লার্ভা ধ্বংস, ওষুধ প্রয়োগ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। তবে শুধু সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়; এ ক্ষেত্রে নগরবাসীর সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা বাড়ছে। এ কারণে পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে চসিকের মশক নিধন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

 

এডিস মশা জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাসাবাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, বালতি, ড্রাম, এসির নিচের ট্রে, নির্মাণাধীন ভবন ও পরিত্যক্ত পাত্রসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের পাত্র ও অন্যান্য পরিত্যক্ত সামগ্রীও দ্রুত অপসারণ করতে হবে। তিন দিনে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন—এই অভ্যাস নগরবাসীকে গড়ে তুলতে হবে। নিজের আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, অন্যকেও সচেতন করুন। এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায়। তাই দিনের বেলায় সতর্ক থাকার পাশাপাশি ঘুমানোর সময় সবসময় মশারি ব্যবহার করতে হবে।