খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

বুধবার ক্যাম্পে ফিরছেন সাবিনারা, ফেব্রুয়ারিতে ম্যাচ অনিশ্চিত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জানুয়ারি, ২০২৫, ৬:১২ অপরাহ্ণ
বুধবার ক্যাম্পে ফিরছেন সাবিনারা, ফেব্রুয়ারিতে ম্যাচ অনিশ্চিত

নভেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে ছুটিতে গিয়েছিলেন জাতীয় দলের নারী ফুটবলাররা। এই প্রথম সাবিনা-মারিয়াদের ছুটি ছিল অনির্দিষ্টকালের জন্য। কবে ক্যাম্পে ফিরতে হবে, ছুটির সময় তা জানানো হয়নি অক্টোবরে টানা দ্বিতীয়বার সাফ জেতা দলের সিনিয়র সদস্যদের।

কিছুদিন আগে বাফুফে সদস্য ও নারী কমিটির চেয়ারপার্সন মাহফুজা আক্তার কিরণ বলেছিলেন, জানুয়ারির মাঝামাঝিতে সিনিয়র মেয়েদের ক্যাম্পে ডাকা হবে। এরই মধ্যে সাবিনাদের ক্যাম্পে যোগদান করতে বলা হয়েছে। ১৫ জানুয়ারি জাতীয় দলের যে খেলোয়াড়রা ছুটিতে ছিলেন তারা ক্যাম্পে যোগ দেবেন। ফেব্রুয়ারির ফিফা উইন্ডোতে প্রীতি ম্যাচ খেলতে চেয়েছিল বাফুফে। প্রথমে সৌদি আরবকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। সৌদি খেলতে রাজি হয়েও পরে ‘না’ করে দিয়েছে। বাফুফে বিকল্প হিসেবে সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়াকে ম্যাচ খেলার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। দুই দেশের কেউই সবুজ সংকেত দেয়নি।

মাহফুজা আক্তার কিরণ বলেন, ‘আমরা ফেব্রুয়ারিতে ম্যাচ খেলতে চেয়েছিলাম। এখনো কোনো দল পাওয়া যায়নি। তাই মার্চের উইন্ডোকে সামনে রেখেই মেয়েরা প্রস্তুতি নেবে। ১৫ জানুয়ারি ক্যাম্পে ফিরে সাবিনার নিরবিচ্ছিন্নভাবে অনুশীলন করবে। ২৩ জুন থেকে ৫ জুলাই এশিয়ান কাপের বাছাই পর্ব আছে।

 

আপাতত স্থানীয় কোচদের অধীনেই মেয়েদের অনুশীলন চলবে। ইংলিশ কোচ পিটার বাটলার যোগ দেবেন ফেব্রুয়ারিতে। পিটারের অধীনেই সাবিনারা গত অক্টোবরে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জিতেছে। টানা দ্বিতীয়বার সাফ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর বাফুফের নারী কমিটির চেয়ারপারসন কিরণ বলেছিলেন, তারা দক্ষিণ এশিয়ার বাইরের শক্তিশালী দলের বিপক্ষে ম্যাচ খেলতে চান। সেই লক্ষ্যে সৌদি আরব, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়াসহ কয়েকটি দলের সঙ্গে বাফুফের চিঠি চালাচালি করছিল। ২০২৫ সালে এশিয়ান বাছাই ছাড়া সাবিনাদের মাঠে নামার জন্য প্রীতি ম্যাচের ওপরই নির্ভর করতে হবে। নতুন বছরের প্রথম উইন্ডোই হয়তো মিস করতে যাচ্ছে জাতীয় দল। ফেব্রুয়ারিতে তিন ম্যাচের উইন্ডো ছিল। দল না পাওয়ায় হয়তো ফেব্রুয়ারিতে ম্যাচ খেলা হচ্ছে না সাবিনাদের। বাফুফে এখন মার্চের উইন্ডোতে দুই ম্যাচ খেলার চেষ্টা করবে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।