প্রথম পাতাল রেলে ১৫৫১ কোটি টাকাসহ বরাদ্দ কমছে তিন মেট্রোরেলে
দেশের প্রথম পাতাল রেল বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর এবং নতুনবাজার থেকে পূর্বাচল পর্যন্ত বাস্তবায়ন করা হবে। এ কাজ বাস্তবায়ন করা হবে মেট্রোরেল লাইন-১ এর আওতায়। চলমান এই প্রকল্পে সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (আরএডিপি) এক হাজার ৫৫১ কোটি টাকা বরাদ্দ কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়া এমআরটি-৫ এবং এমআরটি-৬ প্রকল্পের ব্যয় কমানোর প্রস্তাবও এসেছে পরিকল্পনা কমিশনে।
সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ পরিকল্পনা কমিশনে এ প্রস্তাব দিয়েছে। চলতি (২০২৪-২৫) অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) মেট্রোরেলের এমআরটি-৬, এমআরটি-১ ও এমআরটি-৫ এই তিনটি প্রকল্পে বরাদ্দ কমছে। তবে ব্যয় কমানোর জন্য সরকারের কোনো নির্দেশনা নেই। বরং ঠিকাদারের অভাবে বরাদ্দ করা অর্থ সময়মতো খরচ হচ্ছে না প্রকল্পগুলোতে।
এমআরটি-১ প্রকল্প
প্রথম পাতাল রেল নির্মাণের এ প্রকল্পে ব্যয় কমছে দেড় হাজার কোটি টাকারও বেশি। এ প্রকল্পে চলতি অর্থবছর ৩ হাজার ৫৯৪ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। সংশোধিত এডিপিতে বরাদ্দ কমে দাঁড়াবে ২ হাজার ৪৩ কোটি টাকা। ফলে দেশের প্রথম পাতাল রেলে বরাদ্দ কমছে ১ হাজার ৫৫১ কোটি টাকা। বারবার টেন্ডার দিয়েও বিদেশি ঠিকাদার মিলছে না প্রকল্পে। মূলত এ কারণেই বরাদ্দের অর্থ সময়মতো খরচ হচ্ছে না।
প্রকল্প পরিচালক আবুল কাসেম ভূঁঞা বলেন, টেন্ডার নেগোশিয়েশনে সময় লাগছে। ঠিকাদারের স্বল্পতা আছে। বিদেশি বড় বড় ঠিকাদার আসছেন না। এজন্য আমরাও সাবধানে কাজ করছি।
বরাদ্দ কমাতে সরকারের ওপর মহল থেকে কোনো চাপ আছে কি না- জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের ওপর কোনো চাপ নেই। বরং আমরা বরাদ্দ পাওয়া টাকা সময়মতো খরচ করতে পারছি না। এজন্য আমরা নিজেরাই বরাদ্দ কমানোর প্রস্তাব করেছি।



আপনার মতামত লিখুন