খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

প্রথম পাতাল রেলে ১৫৫১ কোটি টাকাসহ বরাদ্দ কমছে তিন মেট্রোরেলে

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৫, ১২:৪৩ পূর্বাহ্ণ
প্রথম পাতাল রেলে ১৫৫১ কোটি টাকাসহ বরাদ্দ কমছে তিন মেট্রোরেলে

দেশের প্রথম পাতাল রেল বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর এবং নতুনবাজার থেকে পূর্বাচল পর্যন্ত বাস্তবায়ন করা হবে। এ কাজ বাস্তবায়ন করা হবে মেট্রোরেল লাইন-১ এর আওতায়। চলমান এই প্রকল্পে সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (আরএডিপি) এক হাজার ৫৫১ কোটি টাকা বরাদ্দ কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়া এমআরটি-৫ এবং এমআরটি-৬ প্রকল্পের ব্যয় কমানোর প্রস্তাবও এসেছে পরিকল্পনা কমিশনে।

সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ পরিকল্পনা কমিশনে এ প্রস্তাব দিয়েছে। চলতি (২০২৪-২৫) অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) মেট্রোরেলের এমআরটি-৬, এমআরটি-১ ও এমআরটি-৫ এই তিনটি প্রকল্পে বরাদ্দ কমছে। তবে ব্যয় কমানোর জন্য সরকারের কোনো নির্দেশনা নেই। বরং ঠিকাদারের অভাবে বরাদ্দ করা অর্থ সময়মতো খরচ হচ্ছে না প্রকল্পগুলোতে।

এমআরটি-১ প্রকল্প

প্রথম পাতাল রেল নির্মাণের এ প্রকল্পে ব্যয় কমছে দেড় হাজার কোটি টাকারও বেশি। এ প্রকল্পে চলতি অর্থবছর ৩ হাজার ৫৯৪ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। সংশোধিত এডিপিতে বরাদ্দ কমে দাঁড়াবে ২ হাজার ৪৩ কোটি টাকা। ফলে দেশের প্রথম পাতাল রেলে বরাদ্দ কমছে ১ হাজার ৫৫১ কোটি টাকা। বারবার টেন্ডার দিয়েও বিদেশি ঠিকাদার মিলছে না প্রকল্পে। মূলত এ কারণেই বরাদ্দের অর্থ সময়মতো খরচ হচ্ছে না।

প্রকল্প পরিচালক আবুল কাসেম ভূঁঞা বলেন, টেন্ডার নেগোশিয়েশনে সময় লাগছে। ঠিকাদারের স্বল্পতা আছে। বিদেশি বড় বড় ঠিকাদার আসছেন না। এজন্য আমরাও সাবধানে কাজ করছি।

বরাদ্দ কমাতে সরকারের ওপর মহল থেকে কোনো চাপ আছে কি না- জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের ওপর কোনো চাপ নেই। বরং আমরা বরাদ্দ পাওয়া টাকা সময়মতো খরচ করতে পারছি না। এজন্য আমরা নিজেরাই বরাদ্দ কমানোর প্রস্তাব করেছি।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।