খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

শামীম ওসমান পরিবারের বিরুদ্ধে ২০০ কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ, মামলার অনুমতি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৫, ৭:৪৪ অপরাহ্ণ
শামীম ওসমান পরিবারের বিরুদ্ধে ২০০ কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ, মামলার অনুমতি

প্রায় ২০০ কোটি টাকা পাচারের অভিযোগে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমান, তার স্ত্রী সালমা ওসমান ও তানভীর আহমেদকে আসামি করে মামলা দায়েরের অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বুধবার (১৫ জানুয়ারি) বিকালে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান দুদকের মহাপরিচালক (প্রতিরোধ) মো. আক্তার হোসেন। তিনি বলেন, কে টেলিকমিউনিকেশন্স লিমিটেডের মাধ্যমে তারা এই অর্থ বিদেশে পাচার করেছেন। আগামীকালের মধ্যেই মামলাটি দায়ের করা হবে বলে জানান তিনি। দুদক মহাপরিচালক আক্তার হোসেন বলেন, অনুসন্ধানের সময় বিটিআরসি থেকে পাওয়া রেকর্ডপত্র ও তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনায় দেখা যায়, কে টেলিকমিউনিকেশন্স লিমিটেড আন্তর্জাতিক কিংবা বৈদেশিক ইনকামিং কল আনা তথা সেবা রফতানির জন্য বিটিআরসি থেকে ইন্টারন্যাশনাল গেটওয়ে (আইজিডব্লিউ) লাইসেন্সপ্রাপ্ত একটি প্রতিষ্ঠান। যার চেয়ারম্যান সালমা ওসমান এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর আহমেদ।

আক্তার হোসেন বলেন, আন্তর্জাতিক ইনকামিং কল বা সেবা রফতানি বাবদ রাষ্ট্রের স্বার্থে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন এবং তার সংশ্লেষে রেভিনিউ সংগ্রহ সংক্রান্ত সরকারি কর্তব্য সম্পাদনে কমিশন আকারে পারিশ্রমিক প্রাপ্তি কিংবা রেভেনিউ শেয়ারিং প্রাপ্তি সাপেক্ষে বিটিআরসি থেকে আইজিডব্লিউ লাইসেন্স পাওয়ার মাধ্যমে কে টেলিকমিউনিকেশন্স লিমিটেড আইজিডব্লিউ অপারেটর হিসেবে দায়িত্ব পায়। সে অনুযায়ী আন্তর্জাতিক ইনকামিং কল বা সেবা রফতানি সংশ্লেষে তার মূল্য বাবদ অর্জিত মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা উক্ত আইজিডব্লিউ অপারেটরের ব্যাংকিং চ্যানেলে ফরেন কারেন্সি (এফসি) অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে বাংলাদেশে নিয়ে আসার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কিন্তু তারা সেই অর্থে দেশে না এনে মানি লন্ডারিং আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।

 

আক্তার হোসেন আরও জানান, দুদকের অনুসন্ধানের সময় ইন্টারন্যাশনাল গেটওয়ে বা আইজিডব্লিউ অপারেটরকে টেলিকমিউনিকেশন্স লিমিটেডের আন্তর্জাতিক ইনকামিং কল আনয়ন কিংবা সেবা রফতানি এবং তার সংশ্লেষে মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা বাংলাদেশে আনার ক্ষেত্রে দেখা যায়, আইজিডব্লিউ অপারেট ২০১২ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৩ সালের অক্টোবর পর্যন্ত সময়ে ৯১ কোটি ৫০ লাখ ৯২ হাজার ৮৬৫ কল মিনিট সেবা রফতানি করে। রফতানি করা এ সেবার মূল্য ২ কোটি ৭৪ লাখ ৫২ হাজার ৭৮৬ মার্কিন ডলার। উক্ত বৈদেশিক মুদ্রা আইন অনুযায়ী ফরেন রেমিট্যান্স হিসেবে বাংলাদেশে নিয়ে আসার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এ জন্য নারায়ণগঞ্জের আইএফআইসি ব্যাংকের শাখা থেকে পাঠানো উক্ত আইজিডব্লিউ প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্ট নম্বরের বিবরণীতে দেখা যায়, ২ কোটি ৭৪ লাখ ৫২ হাজার ৭৮৬ মার্কিন ডলারের স্থলে ২২ লাখ ৬৯ হাজার ৪২৭ মার্কিন ডলার আনা হয়েছে। আনা হয়নি ২ কোটি ৫১ লাখ ৮৩ হাজার ৩৫৮ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৯৩ কোটি ৯১ লাখ ১৮ হাজার ৬০৩ টাকা। তাছাড়া বিটিআরসি থেকেও এ সংক্রান্তে অনুরূপ তথ্য পাওয়া যায়। এ সময়ে আইজিডব্লিউ অপারেটরের চেয়ারম্যান হিসেবে সালমা ওসমান এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে তানভীর আহমেদ দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।