খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

ইতিহাসের সংক্ষিপ্ত টেস্ট

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৫, ৬:১৪ অপরাহ্ণ
ইতিহাসের সংক্ষিপ্ত টেস্ট

মুলতান টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারাতে মোটেও কষ্ট হয়নি পাকিস্তানের। স্বাগতিকদের সহজ জয়ের নায়ক দুই স্পিনার সাজিদ খান ও আবরাব আহমেদ। দ্বিতীয় ইনিংসে দুজন মিলে শিকার করেছেন ৯ উইকেট। এতে ক্যারিবীয়রা গুটিয়ে গেছে মাত্র ১২৩ রানে। জয়ের জন্য ওয়েস্ট ইন্ডিজের লক্ষ্য ছিল ২৫১ রানের। কিন্তু স্বাগতিকদের বোলারদের তোপে ১২৩ গুটিয়ে ১২৭ রানের হার হজম করেছে ক্যারিবীয়রা। এতে দু্ই ম্যাচের সিরিজে ১-০ তে এগিয়ে গেছে পাকিস্তান। পাঁচ দিনের টেস্ট শেষ হয়ে গেছে আড়াই দিনে। এই টেস্টে মোট খেলা হয়েছে ১৭৭.২ ওভার। যা পাকিস্তানের মাটিতে সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত টেস্ট ম্যাচের রেকর্ড। রোববার ৩ উইকেটে ১০৬ রান নিয়ে তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করে পাকিস্তান। ব্যাটিংয়ে নেমে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বাঁহাতি স্পিনার জোমেল ওয়ারিক্যানের ঘূর্ণিতে দিশেহারা হয়ে মাত্র ৪৮ রান তুলতেই বাকি ৭ উইকেট হারায় স্বাগতিকরা।

 

দিনের প্রথম বলেই সউদ শাকিলকে (৯ বলে ২) জাস্টিন গ্রেভসের হাতের ক্যাচ বানান ওয়ারিক্যান। ব্যাক টু ব্যাক বোলিংয়ে এসে মোহাম্মদ রিজওয়ানকেও (৬ বলে ২) তুলে নেন তিনি। কাভিম হজের হাতে ধরা পড়ে সাজঘরে ফেরত যান রিজওয়ান। কামারান গুলামের লড়াইটাও শেষ হয় ওয়ারিক্যানের ঘূর্ণিতে। ৬৬ বলে ২৭ রান করে তেবিন ইমল্যাচের তালুবন্দি হন তিনি। কামরানের উইকেট নিয়ে টেস্ট ক্যারিয়ারের প্রথম ফাইফার পূর্ণ করেন ওয়ারিক্যান। এরপর নোমান আলী (১৫ বলে ৯) ও সাজিদ খানের (৬ বলে ৫) উইকেটটাও তুলে নেন ওয়ারিক্যান। কোনো বল মোকাবেলা না করা খুররম শাহজাদকে রানআউটেও ছিল তারই অবদান। অর্থাৎ পাকিস্তানের দ্বিতীয় ইনিংসকে তছনছ করে দিতে একাই যথেষ্ঠ হন ওয়ারিক্যান। এর আগে ৩৮ বলে ১৪ রান করা সালমান আলী আগাকে ফেরান আরেক স্পিনার গুদাকেশ মোতি। এতে পাকিস্তানের দ্বিতীয় ইনিংস শেষ হয় মাত্র ১৫৭ রানে। ওয়ারিক্যান শিকার করেন ৩২ রানে ৭ উইকেট। ২৫১ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই উইকেট হারাতে থাকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ক্যারিবীয়দের হয়ে কেবল লড়াই করেন অ্যালিক অ্যাথানেজে। সাজিদ খানের বলে এলবিডব্লিউ হওয়ার আগে ৬৮ বলে ৫৫ রান (৭ চারে) করেন তিনি। বাকিদের কেউ ২০ রানের ঘরও স্পর্শ করতে পারেননি। দুই ইনিংস মিলিয়ে ৯ উইকেট শিকার করে ম্যাচসেরা হন সাজিদ খান।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

পাকিস্তান: ২৩০ ও ১৫৭ (মাসুদ ৫২, হুরায়রা ২৯, কামরান ২৭, সালমান ১৪; ওয়ারিকান ৭/৩২, মোতি ১/৪৮)।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ: ১৩৭ ও ১২৩ (অ্যাথানাজ ৫৫, ইমল্যাচ ১৪; সাজিদ ৫/৫০, আবরার ৪/২৭)।
ফল: পাকিস্তান ১২৭ রানে জয়ী।
ম্যাচসেরা: সাজিদ খান।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।