খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

শুটিং সেটেই জ্ঞান হারালেন নেহা ধুপিয়া

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ১২:৪৪ অপরাহ্ণ
শুটিং সেটেই জ্ঞান হারালেন নেহা ধুপিয়া

রিয়েলিটি শো রোডিজ’র বিচারকের আসনে রয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী নেহা ধুপিয়া। এই শো এর নতুন সিজনের শুটিং সেটেই হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে পড়ে যান অভিনেত্রী। তবে কিছুটা সুস্থ হয়ে আবারো শুটিং চালিয়ে যান তিনি।

জানা যায়, শুটিং শেষ হয়ে যাওয়ার পরও কাজ চালিয়ে যাচ্ছিলেন নেহা। তাতেই এই বিপত্তির শুরু। তবে রোডিজ এর জনপ্রিয় এই বিচারকের দাবি, কোনও কিছুই থামাতে পারবে না তাকে। অভিনেত্রীর কথায়, এটি একটি ছোটখাটো স্বাস্থ্যগত সমস্যা ছিল, তবে আমি আবারও নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারছি। আমি কাজ নিয়ে আগের মতোই অনুপ্রাণিত ও উৎসাহী। রোডিজ সবসময় সীমাবদ্ধতা অতিক্রম করার কথা বলে। আর এই শো তাই আমাকেও প্রতিটি বাধা অতিক্রম করতে অনুপ্রাণিত করে। কোনও কিছুই আমাকে থামাতে পারবে না।

তবে, অভিনেত্রী সকলকে আশ্বস্ত করেছেন যে তিনি সুস্থ আছেন। তিনি এও জানিয়েছেন, রোডিজের একজন গ্যাং লিডার হিসেবে তার যাত্রা চালিয়ে যেতে প্রস্তুত। বর্তমানে অভিনয়ে খুব একটা দেখা যায় না নেহা ধুপিয়াকে। তাকে শেষবার দেখা গিয়েছিল ‘ব্যাড নিউজ’ সিনেমাতে। যেখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন তিনি। তবে সিনেমা মনের মতো হলে তবেই তিনি সেখানে অভিনয় করেন।

এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম নগরীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পটে বেশি গুরুত্ব দিয়ে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। রোববার ( ২৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১টায় নগরীর সাগরিকা মোড় সংলগ্ন কাজীর দীঘি এলাকায় চসিকের মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শনকালে মেয়র এ কথা জানান। একই সঙ্গে নগরবাসীকে নিজেদের বাসাবাড়ি ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া এবং ঘুমানোর সময় নিয়মিত মশারি ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

 

তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে চসিকের নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পট এলাকাগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এসব এলাকায় মশক নিধন, লার্ভা ধ্বংস, ওষুধ প্রয়োগ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। তবে শুধু সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়; এ ক্ষেত্রে নগরবাসীর সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা বাড়ছে। এ কারণে পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে চসিকের মশক নিধন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

 

এডিস মশা জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাসাবাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, বালতি, ড্রাম, এসির নিচের ট্রে, নির্মাণাধীন ভবন ও পরিত্যক্ত পাত্রসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের পাত্র ও অন্যান্য পরিত্যক্ত সামগ্রীও দ্রুত অপসারণ করতে হবে। তিন দিনে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন—এই অভ্যাস নগরবাসীকে গড়ে তুলতে হবে। নিজের আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, অন্যকেও সচেতন করুন। এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায়। তাই দিনের বেলায় সতর্ক থাকার পাশাপাশি ঘুমানোর সময় সবসময় মশারি ব্যবহার করতে হবে।