ভাতা পাচ্ছেন ৯ বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের রেসিডেন্ট ও নন-রেসিডেন্ট চিকিৎসকরা
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) অধিভুক্ত বেসরকারি নয় স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের পোস্ট গ্রাজুয়েট প্রশিক্ষণার্থী চিকিৎসকদের পুনরায় ভাতা বরাদ্দের সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। গত রোববার (৯ ফেব্রুয়ারি) এ সংক্রান্ত একটি চিঠি বিএসএমএমইউতে পৌঁছেছে। বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলরের একান্ত সচিব ডা. মো. রুহুল কুদ্দুস বিপ্লব মেডিভয়েসকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ডা. মো. রুহুল কুদ্দুস বিপ্লব বলেন, আজ মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি ফাইল এসেছে বিশ্ববিদ্যালয়ে। মন্ত্রণালয় যদি অর্থ বরাদ্দ দেয়, তাহলে অবশ্যই প্রশিক্ষণার্থীদের পারিতোষিক প্রদান করা হবে। এর আগে ভাতা চালুর দাবিতে ভিসি কার্যালয়ের সামনে দুপুর থেকে বিক্ষোভ করেন বেসরকারি পোস্ট গ্রাজুয়েট প্রশিক্ষণার্থী চিকিৎসকরা। বেলা ৩টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আশ্বাসে আন্দোলন স্থগিত করেন তারা। তবে এ সময় ভিসি অধ্যাপক শাহিনুল আলম উপস্থিত ছিলেন না।
বিক্ষোভের বিষয়ে জানতে চাইলে পোস্ট গ্রাজুয়েট প্রাইভেট প্রশিক্ষণার্থী চিকিৎসকরা জানান, গত বছরের জানুয়ারিতে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ট্রেইনি চিকিৎসকদের ভাতা বন্ধ করে দেয় তৎকালীন সরকার। এর পরিপ্রেক্ষিতে বিএসএমএমইউ অধিভুক্ত ১১ প্রতিষ্ঠানের রেসিডেন্ট ও নন-রেসিডেন্ট চিকিৎসকদের ভাতা বন্ধ হয়ে যায়। এর মধ্যে দুটি প্রতিষ্ঠান বিভিন্নভাবে ভাতার ব্যবস্থা করলেও বাকি নয় প্রতিষ্ঠানে তা সম্ভব হয়নি। ভাতা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর আন্দোলনে নামেন এসব প্রতিষ্ঠানের চিকিৎসকরা। এরই ধারাবাহিকতায় আজ বিএসএমএমইউ ভিসির কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হয়।
প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ৩১ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান স্বাক্ষরিত সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ বা পরিচালকের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে বেসরকারি প্রাইভেট প্রশিক্ষণার্থী চিকিৎসকদের ভাতা বন্ধের সিদ্ধান্ত জানানো হয়। ওই চিঠিতে বলা হয়, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে অধিভুক্ত বেসরকারি মেডিকেল কলেজ/ইনস্টিটিউটসমূহে নন-রেসিডেন্সি এমফিল/এমমেড/এমপিএইচ/ডিপ্লোমা প্রভৃতি কোর্সে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীগণের মাসিক পারিতোষিক/বৃত্তি প্রদান করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো আপত্তি নেই। তবে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ পাওয়া যায়নি বিধায় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এসব বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের রেসিডেন্ট/নন-রেসিডেন্টগণের পারিতোষিক/বৃত্তি প্রদান করা সম্ভব হচ্ছে না।’



আপনার মতামত লিখুন