খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

ভাতা পাচ্ছেন ৯ বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের রেসিডেন্ট ও নন-রেসিডেন্ট চিকিৎসকরা

খান আহমেদ ইফতেখার,  মেডিকেল ডেস্ক, ঢাকা
প্রকাশিত: সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ৪:৪৩ অপরাহ্ণ
ভাতা পাচ্ছেন ৯ বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের রেসিডেন্ট ও নন-রেসিডেন্ট চিকিৎসকরা

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) অধিভুক্ত বেসরকারি নয় স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের পোস্ট গ্রাজুয়েট প্রশিক্ষণার্থী চিকিৎসকদের পুনরায় ভাতা বরাদ্দের সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। গত রোববার (৯ ফেব্রুয়ারি) এ সংক্রান্ত একটি চিঠি বিএসএমএমইউতে পৌঁছেছে। বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলরের একান্ত সচিব ডা. মো. রুহুল কুদ্দুস বিপ্লব মেডিভয়েসকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ডা. মো. রুহুল কুদ্দুস বিপ্লব বলেন, আজ মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি ফাইল এসেছে বিশ্ববিদ্যালয়ে। মন্ত্রণালয় যদি অর্থ বরাদ্দ দেয়, তাহলে অবশ্যই প্রশিক্ষণার্থীদের পারিতোষিক প্রদান করা হবে। এর আগে ভাতা চালুর দাবিতে ভিসি কার্যালয়ের সামনে দুপুর থেকে বিক্ষোভ করেন বেসরকারি পোস্ট গ্রাজুয়েট প্রশিক্ষণার্থী চিকিৎসকরা। বেলা ৩টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আশ্বাসে আন্দোলন স্থগিত করেন তারা। তবে এ সময় ভিসি অধ্যাপক শাহিনুল আলম উপস্থিত ছিলেন না।

বিক্ষোভের বিষয়ে জানতে চাইলে পোস্ট গ্রাজুয়েট প্রাইভেট প্রশিক্ষণার্থী চিকিৎসকরা জানান, গত বছরের জানুয়ারিতে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ট্রেইনি চিকিৎসকদের ভাতা বন্ধ করে দেয় তৎকালীন সরকার। এর পরিপ্রেক্ষিতে বিএসএমএমইউ অধিভুক্ত ১১ প্রতিষ্ঠানের রেসিডেন্ট ও নন-রেসিডেন্ট চিকিৎসকদের ভাতা বন্ধ হয়ে যায়। এর মধ্যে দুটি প্রতিষ্ঠান বিভিন্নভাবে ভাতার ব্যবস্থা করলেও বাকি নয় প্রতিষ্ঠানে তা সম্ভব হয়নি। ভাতা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর আন্দোলনে নামেন এসব প্রতিষ্ঠানের চিকিৎসকরা। এরই ধারাবাহিকতায় আজ বিএসএমএমইউ ভিসির কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হয়।

প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ৩১ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান স্বাক্ষরিত সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ বা পরিচালকের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে বেসরকারি প্রাইভেট প্রশিক্ষণার্থী চিকিৎসকদের ভাতা বন্ধের সিদ্ধান্ত জানানো হয়। ওই চিঠিতে বলা হয়, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে অধিভুক্ত বেসরকারি মেডিকেল কলেজ/ইনস্টিটিউটসমূহে নন-রেসিডেন্সি এমফিল/এমমেড/এমপিএইচ/ডিপ্লোমা প্রভৃতি কোর্সে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীগণের মাসিক পারিতোষিক/বৃত্তি প্রদান করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো আপত্তি নেই। তবে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ পাওয়া যায়নি বিধায় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এসব বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের রেসিডেন্ট/নন-রেসিডেন্টগণের পারিতোষিক/বৃত্তি প্রদান করা সম্ভব হচ্ছে না।’

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।