খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের দোসর রংধনু গ্রুপের অত্যাচারে অতিষ্ঠ ব্যবসায়ী রাইসুল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৫, ১০:০০ অপরাহ্ণ
স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের দোসর রংধনু গ্রুপের অত্যাচারে অতিষ্ঠ ব্যবসায়ী রাইসুল

দখল হওয়া রেস্টুরেন্ট ফেরত চাইতে গিয়ে একের এক মিথ্যা মামলা ও হয়রানি শিকার হয়েছেন ব্যবসায়ী রাইসুল ইসলাম জুয়েল। তার দাবি, ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগের দোসর ও অর্থের যোগানদাতা রংধনু গ্রুপের চেয়ারম্যান ও তার ছেলে দেয়া একের পর এক মিথ্যা মামলা ও হত্যার উদ্দেশ্য মারধরের ঘটনায় অতিষ্ঠ তার জীবন।

বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টাস এসোসিয়েশন এর কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি করেন। তিনি বলেন, সংবাদ সম্মেলন করতে যাওয়া পথেও মারধরের শিকার হন তিনি। তাকে বহনকারী গাড়ি রংধনুর চেয়ারম্যানের ৩০ জন লোক গতিরোধ করে। ভাঙচুরেরে পর তাকে এলোপাথাড়ি মারধর করা হয়। এ বিষয়ে মামলা করবেন বলেও জানান রাইসুল।

সংবাদ সম্মেলনে রাইসুল জানান, বনানীতে ৫ নম্বর রোডের আই ব্লকের ১/এ নম্বর বাসায়, যার রংধনুর অফিস।

সেখানে গত বছর ২০ ফেব্রুয়ারী রংধনু গ্রুপের চেয়ারম্যানের ছেলে মেহেদী হাসান দিপুর কাছ থেকে ৩ বছরের চুক্তিতে হোটেল ইউনিক রিজেন্সীর রুফটপের রেস্টুরেন্টটি পার্টনাশীপ ব্যবসা পরিচালনা করতে থাকি। আমি রেস্টুরেন্ট পরিচালনা করার পর থেকে ০৬ মাস পর্যন্ত তারা আমাকে ভ্য্যাট, ট্যাক্স ও সার্ভিস চাজের্র কোন টাকা পরিশোধ করেনি। পরবর্তীতে মেহেদী হাসান দিপু ও তার বাবা রফিকুল ইসলাম আমাকে কোন কিছু না জানিয়ে রেস্টুরেন্টে তালা লাগিয়ে দেয়।কারন জানতে চেয়ে তাদের সাথে কথা বললে তারা আমাকে জানায় আমাকে ব্যবসা করতে দিবে না। রেষ্টুরেন্ট অন্যত্র ভাড়া দিয়ে দিবে। চুক্তি অনুযায়ী ৩ (তিন) বছর পূর্ণ হওয়ার আর্গে আমাকে ব্যবসা করতে না দেয়ার কারণ জিজ্ঞাসা করলে তারা কোন সদুত্তর না দিয়ে উল্টো আমাকে বিভিন্ন ধরণের ভয়ভীতি হুমকি দিতে থাকে। পরবর্তীতে রেস্টুরেন্টে আসবাবপত্র, ইন্টেরিয়র ও বিভিন্ন ইকুপমেন্ট, ভ্যাট, ট্র্যোক্স ও সার্ভিস চার্জ বাধদ সর্বমোট ২৭,৮০,০০০/- (সাতাশ লক্ষ আশি হাজার) টাকা পরিশোধের নিমিত্তে গত ইং ১৬/১০/২০২৪ তারিখ তাদের লিগ্যাল নোটিশ প্রেরণ করি। এরপর তারা শীঘ্রই আমার সাথে বসে বিষয়টি সমাধান করবে বলে আশ্বাস দিলেও বিষয়টি সমাধান না আমাকে ঘুরাতে থাকে। এর মধ্যে ১৪/১১/২০২৪ তারিখ ২য় লিগ্যাল নোটিশ প্রেরণ করলেও তারা কোন উত্তর না দিয়ে রেস্টুরেন্টটি অন্যত্র ভাড়া দিয়ে দেয়। আমার পাওনা টাকা চাইলে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিতে থাকে।

এই ঘটনায় বনানী থানায় একটি মামলা দায়ের করি। এরপর থেকে রংধনু গ্রুপের মালিকানাধীন প্রতিদিনের বাংলাদেশ নামক পত্রিকা ও তাদের অনলাইনে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করে। যে সব ঘটনা ও অভিযোগে আমাকে অভিযুক্ত করা হয়েছে তার সাথে সত্যোর কোন সম্পর্ক নেই। শুধু তাই আমার বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করা হচ্ছে। শুধু আমাকেই নয় রংধনু গ্রুপের রেষ্টুরেন্টে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমান মাদকসহ তিনজনকে গ্রেফতার করায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদেরও নাজেহাল করছে তারা।

রাইসুলরে দাবি, রংধনু গ্রুপের মালিক স্বৈরাচার শেখ হাসিনার অর্থ যোগানদাতার মধ্যে অন্যতমদের একজন। বিগদ ফ্যাসিষ্ট সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামাল, তথ্যমন্ত্রী হাসান মাহমুদ, সাবেক আইজিপি বেনজির আহমেদের ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে অবৈধভাবে বিপুল অর্থ সম্পদের মালিক হয়েছেন। এখনো তাদের প্রভাব খাটিয়ে আমার অন্যায়ের স্টীম রোলার চালাচ্ছেন। ছাত্র জনতার রক্তে অর্জিত নতুন বাংলাদেশেও কি তা হলে আমরা ফ্যাসিবাদীদের কবল থেকে রক্ষা পাবো না। এব্যপারে তদন্ত করে ন্যায় বিচারের দাবির তার।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।