খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

নিতান্ত প্রয়োজন না হলে ভারত-পাকিস্তান সফর না করার পরামর্শ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৫, ৮:০৮ অপরাহ্ণ
নিতান্ত প্রয়োজন না হলে ভারত-পাকিস্তান সফর না করার পরামর্শ

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন জানিয়েছেন, ভারত ও পাকিস্তান ভ্রমণের ক্ষেত্রে কোনও ‘ভ্রমণ সতর্কতা’ জারি করা হয়নি। কিন্তু নিতান্ত প্রয়োজন না হলে ওই দেশগুলো সফর না করাই ভালো। রবিবার (২৭ এপ্রিল) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। মো. তৌহিদ হোসেন বলেন, ‘বাংলাদেশ এখনও ভ্রমণ সতর্কতা ইস্যু করেনি। তবে আমি মনে করি, যাদের নিতান্ত প্রয়োজন নেই, এ সংঘাতের সময়ে বরং ভ্রমণ না করাই ভালো।’

ভারতে বাংলাদেশি গ্রেফতারের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ’এখন পর্যন্ত এটি আমরা পত্র-পত্রিকায় দেখেছি। এর বাইরে আনুষ্ঠানিক পত্র আমাদের দেওয়া হয়নি। এছাড়া আনুষ্ঠানিক পত্র দিলেও আমাদের দেখতে হবে যে আসলে তারা বাংলাদেশি লোক কিনা। যদি বাংলাদেশি মানুষ হয়, তবে অবশ্যই আমরা ফেরত নেবো। কিন্তু বাংলাদেশি মানুষ কিনা সেটি প্রমাণসাপেক্ষ। কারণ ভারতে প্রচুর বাংলা ভাষাভাষী আছে। বাংলায় কথা বললেই বাংলাদেশের মানুষ, এমন কোনও নিশ্চয়তা নেই।’

ভারত-পাকিস্তান দ্বন্দ্বের প্রভাব 

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন বলেন, ভারত-পাকিস্তান দ্বন্দ্বের প্রভাব বাংলাদেশের ওপর পড়তে পারে। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশকে নিজেদের ভালোর রাস্তা বের করে নিতে হবে। তিনি বলেন, ‘আধুনিক জামানায় সব কিছু সবাইকে কমবেশি প্রভাবিত করে। কাজেই কোনও কিছু আমাদের প্রভাবিত করবে না- এটি আমি বলবো না। তাদের সংঘাত আমাদের সরাসরি প্রভাবিত করার কিছু নেই, কারণ আমরা কোনও পক্ষ নই। যেকোনও সংঘাতের প্রভাব ব্যবসা-বাণিজ্যে ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা পাকিস্তানের সঙ্গে সংঘাতে লিপ্ত নই। আমাদের যদি স্বার্থ থাকে তাদের কাছ থেকে তুলা আমদানি করার, সেটি আমরা করবো। ভারত আমাদের যে ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা দিচ্ছিল অনেক দিন যাবৎ, সেটি তারা প্রত্যাহার করেছে। আমাদের এই পরিস্থিতিতে কী করা দরকার, সেটি বের করে নিতে হবে।’

দ্বন্দ্ব নিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান

মো. তৌহিদ হোসেন বলেন, ‘বাংলাদেশের অবস্থান হচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তি। তিনি বলেন, ‘আমাদের অবস্থান সুস্পষ্ট। আমরা শান্তি চাই দক্ষিণ এশিয়ায়। আমরা জানি যে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে সংঘাতময় অবস্থান আছে। কিন্তু আমরা চাই না যে এখানে বড় কোনও সংঘাত সৃষ্টি হোক, যেটা এ অঞ্চলের মানুষের বিপদের কারণ হয়ে উঠতে পারে। পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘ভারত ও পাকিস্তানের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক বিদ্যমান এবং আমরা চাইবো তারা আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে তাদের সমস্যার সমাধান করে ফেলুক। আমরা ইতোমধ্যে দেখেছি যে মধ্যস্থতার প্রস্তাব দুই-একটি দেশের কাছ থেকে এসেছে। যেভাবেই হোক, মধ্যস্থতা বা দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে আমরা চাই উত্তেজনা প্রশমিত হোক এবং শান্তি বজায় থাকুক। মধ্যস্থতার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি না যে এ মুহূর্তে আমাদের মধ্যস্থতার কোনও ভূমিকা নেওয়ার চেষ্টা করা উচিত। আমরা চাইবো তারা নিজেরা সমাধান করে ফেলুক। তারা যদি আমাদের সহায়তা চায় যে আপনারা মধ্যস্থতা করুন, তাহলে আমরা হয়তো যাবো। তার আগে আগ বাড়িয়ে আমরা কিছু করতে চাই না।’

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।