খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

তরুণ হেল্থ জার্নালিস্ট ডাঃ খান ইফতেখার এর পথচলা

-ঢাকার ডাক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ৭:২৭ অপরাহ্ণ
তরুণ হেল্থ জার্নালিস্ট ডাঃ খান ইফতেখার এর পথচলা

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অবসরপ্রাপ্ত পরিচালক খান আখতার হোসেন ও সিনিয়র শিক্ষিকা উম্মে আসমা’র আদরের ছোট সন্তান ডাঃ খান আহমেদ ইফতেখার। পড়ালেখা করছেন চিকিৎসাশাস্ত্রে। এই তরুণ চিকিৎসক রাজধানীর অন্যতম সনামধন্য বেসরকারি মেডিকেল কলেজ ডেলটা মেডিকেল কলেজ থেকে ২০২৫ সালে এমবিবিএস পাশ করেন। ডাঃ খান আহমেদ ইফতেখার শুধু একাডেমিক পড়াশোনার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।

সাংবাদিকতা-লেখালেখি সহ বিভিন্ন ইতিবাচক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে অল্প বয়সে নিজেকে নিয়ে গেছেন এক অনন্য উচ্চতায়। বর্তমানে তিনি মেডিকেল কমিউনিটি ও সাহিত্যাঙ্গনে “ডাঃ খান ইফতেখার” নামে অন্যতম সুপরিচিত একটি মুখ।

এই তরুণ সাংবাদিক ২০০০ সালের ৬ জুন খুলনার খালিশপুরে জন্মগ্রহণ করেন। এখন তার বয়স ২৬ বছর। তার লেখালেখির শুরুটা স্কুল জীবন থেকে। ছোটবেলা থেকেই লেখালেখি ও বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী কর্মকাণ্ডের প্রতি তীব্র আগ্রহ ছিলো তার। পঞ্চম শ্রেণিতে পড়াকালীন সময়ে একুশে বইমেলায় প্রকাশিত হয় তার প্রথম ছড়াগ্রন্থ ‘ছড়ায় ভুবন ভরিয়ে দেবো’। তারপর একে একে প্রকাশিত হয় তার লেখা আরও ৪টি ছড়াগ্রন্থ। যা প্রসংশা কুড়িয়েছে পাঠকমহলে।

খালিশপুরের সানফ্লাওয়ার্স নার্সারি স্কুলে তার লেখাপড়ার হাতেখড়ি হয় এবং পরবর্তীতে বাংলাদেশ নৌবাহিনী স্কুল এন্ড কলেজ, খুলনা’য় চতুর্থ শ্রেনিতে ভর্তি হয় এবং সেখান থেকেই এসএসসি ও এইচএসসি পাশ করেন। তিনি স্কুল জীবনে বাংলাদেশ স্কাউটস্ এর সদস্য ছিলেন এবং কলেজ জীবনে বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি)’র প্লাটুন ইনচার্জ ও ক্যাডেট সার্জেন্ট ছিলেন।

এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে ডাঃ খান ইফতেখার বলেন, “ছোটবেলা থেকেই ইচ্ছে ছিলো তৃনমুলের মানুষদের জন্য কাজ করা। এজন্যই আমার মেডিকেল সেক্টরে আসা৷ পড়াশোনার পাশাপাশি আমি সমাজের ইতিবাচক পরিবর্তন ও অসঙ্গতি নিরসনের জন্য সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ তথ্য তুলে ধরতে সাংবাদিকতা করি। এছাড়াও পড়াশোনার বাহিরে বাকিটা সময় আমি লেখালেখি ও বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোতে দিয়ে থাকি। সবমিলিয়ে আলহামদুলিল্লাহ ভালোই লাগে।”

২০২৩ সালে প্রথম তার সাংবাদিকতায় পদার্পণ ঘটে বাবার হাত ধরেই। ‘দৈনিক দেশ জগত’ জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় তিনি মেডিকেল বিটের স্টাফ রিপোর্টার পদে যুক্ত হয়ে সাংবাদিকতা শুরু করেন। এরপর একে একে তিনি বেশ কয়েকটি পত্রিকা, অনলাইন নিউজ পোর্টালে কাজ করেন। তিনি ঐতিহ্যবাহী পত্রিকা ‘দৈনিক গণকণ্ঠ’র ঢাকা উত্তর সিটি প্রতিনিধি (মেডিকেল) হিসেবেও কাজ করেছেন দীর্ঘদিন।

বর্তমানে তিনি বাংলাদেশের জনপ্রিয় টেলিভিশন চ্যানেল ‘এনটিভি’ এর মেডিকেল করেসপনডেন্ট (অনলাইন) হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

এছাড়াও তিনি ‘দৈনিক ঢাকার ডাক’ জাতীয় দৈনিক পত্রিকার সহ-সম্পাদক (স্বাস্থ্য) হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ পদে কর্মরত রয়েছেন। এর পাশাপাশি তিনি জাতীয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘গাঙচিল নিউজ’র বার্তা বিভাগের উপ-সম্পাদক পদে রয়েছেন। এছাড়াও তিনি ‘ডক্টর টিভি’ এবং ‘ডেলটা হেল্থ টক’ এ প্রোগ্রাম প্রেজেন্টার ও টকশো হোস্ট হিসেবে প্রায়ই ক্যামেরার সামনে আসেন।

এই স্বপ্নবাজ তরুণ হেল্থ জার্নালিস্ট সকলকে চিকিৎসাসেবা প্রদানের মাধ্যমে নিজেকে মানবতার সেবায় নিয়োজিত রেখেছেন। তিনি স্বাস্থ্য সেক্টরের সকল সত্য তথ্য, চিকিৎসকদের ন্যায্য দাবি-অধিকার, রোগীদের সুবিধা-অসুবিধা, চিকিৎসাখাতের নানা অন্যায়-অনিয়ম সকলের সামনে তুলে ধরতেই চিকিৎসাসেবার মত এ মহৎ পেশার পাশাপাশি হেল্থ জার্নালিজম্ করে যাচ্ছেন। আজ ডাঃ খান ইফতেখার এর জন্মদিন। এই বিশেষ দিনে তার জন্য রইল অসংখ্য শুভকামনা।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।