খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

সোশ্যাল মিডিয়ার বিকল্পে ঝুঁকছে জেন-জি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ৬:১৩ অপরাহ্ণ
সোশ্যাল মিডিয়ার বিকল্পে ঝুঁকছে জেন-জি

সোশ্যাল মিডিয়া জায়ান্টদের অ্যালগরিদম, লাইক-ভিউ এবং কনটেন্ট প্রতিযোগিতার ভিড়ে ক্লান্ত হয়ে উঠছে নতুন প্রজন্ম। বিশেষ করে জেন-জি তরুণেরা এখন বড় প্ল্যাটফর্মের বাইরে আরও ব্যক্তিগত, নিরাপদ এবং ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের মাধ্যম খুঁজছেন।

গোপনীয়তা, ব্যক্তিগত পছন্দ এবং সমমনা কমিউনিটির প্রতি গুরুত্ব বাড়ায় তারা বিভিন্ন বিকল্প অ্যাপের দিকে ঝুঁকছেন, যা মূলধারার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বাইরে নতুন অভিজ্ঞতা দিচ্ছে।

ছবি ও স্মৃতি ভাগাভাগি

সাধারণ অনুসারীদের ভিড়ে ব্যক্তিগত মুহূর্ত হারিয়ে না ফেলতে অনেক তরুণ ব্যবহার করছেন Retro এবং Locket। এসব অ্যাপের মাধ্যমে ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের সঙ্গে ছবি ও দৈনন্দিন স্মৃতি সহজে ভাগাভাগি করা যায়। বিশেষ করে লকেট অ্যাপ সরাসরি স্মার্টফোনের হোম স্ক্রিনে ছবি প্রদর্শনের সুবিধা দেয়।

ফ্যাশন ও রুচির অনুপ্রেরণা

এআই-নির্ভর কনটেন্টের বাইরে গিয়ে নান্দনিক ও সৃজনশীল ধারণা খুঁজতে তরুণেরা ব্যবহার করছেন Cosmos। অন্যদিকে কেনাকাটাকে সামাজিক অভিজ্ঞতায় রূপ দিতে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে The Mall।

ভিডিও ও টেক্সটভিত্তিক যোগাযোগ

Bluesky এবং Mastodon এখন অনেকের কাছে টুইটার বা এক্সের বিকল্প হিসেবে জায়গা করে নিচ্ছে। দুটি প্ল্যাটফর্ম একসঙ্গে ব্যবহারের সুবিধা দিতে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে Indigo।

এ ছাড়া একসময় জনপ্রিয় স্বল্পদৈর্ঘ্য ভিডিও প্ল্যাটফর্ম ভিনের স্মৃতি ফিরিয়ে আনতে তরুণদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি করেছে Divine, যেখানে মাত্র ছয় সেকেন্ডের ভিডিও তৈরি ও শেয়ার করা যায়।

শখ ও লাইফস্টাইলভিত্তিক অ্যাপ

নিজের প্রিয় স্থানগুলোর সামাজিক মানচিত্র তৈরি করতে তরুণেরা ব্যবহার করছেন Corner। গান শেয়ার করার জন্য জনপ্রিয় হচ্ছে Airbuds।

বইপ্রেমীদের জন্য ডিজিটাল বুক ক্লাব হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে Fable। আর ব্যক্তিগত পছন্দ, সংগ্রহ ও অভিজ্ঞতার ডিজিটাল ডায়েরি হিসেবে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে Shelf।

ব্যক্তিগত যোগাযোগ ব্যবস্থাপনা

ব্যক্তিগত ও পেশাগত যোগাযোগের তথ্য এক জায়গায় সংরক্ষণ ও অনুসরণ করতে অনেক তরুণ ব্যবহার করছেন Mesh।

প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে, কৃত্রিম জনপ্রিয়তা, অ্যালগরিদমের প্রভাব এবং অতিরিক্ত প্রচারণার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে এসে আরও অর্থবহ ও নিরাপদ ডিজিটাল অভিজ্ঞতা খুঁজছে জেন-জি। আর সেই কারণেই বড় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিকল্প হিসেবে ছোট, স্বাধীন ও কমিউনিটিভিত্তিক অ্যাপগুলোর প্রতি আগ্রহ বাড়ছে তরুণদের মধ্যে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।