খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

ঢাকার চার বাস টার্মিনাল সরছে শহরের বাইরে, আসছে বড় পরিবর্তন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ২:৫৯ অপরাহ্ণ
ঢাকার চার বাস টার্মিনাল সরছে শহরের বাইরে, আসছে বড় পরিবর্তন

রাজধানী ঢাকার যানজট কমানো এবং বাস ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে আগামী আড়াই বছরের মধ্যে চারটি আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল শহরের বাইরে স্থানান্তর করা হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, নৌপরিবহন এবং রেলপথ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সচিবালয়ের গণমাধ্যম কেন্দ্রে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) আয়োজিত ‘বিএসআরএফ সংলাপ’-এ তিনি এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, রাজধানীর গাবতলী, মহাখালী, সায়েদাবাদ ও ফুলবাড়িয়া বাস টার্মিনাল দীর্ঘদিন ধরে শুধু যাত্রী পরিবহনের কেন্দ্র হিসেবে নয়, অনেক ক্ষেত্রে বাসের ওয়ার্কশপ ও অস্থায়ী ডিপো হিসেবেও ব্যবহৃত হচ্ছে। এতে নগরীর ভেতরে যানজট ও বিশৃঙ্খলা বাড়ছে।

তিনি বলেন, “আমরা দেখেছি বাস টার্মিনালগুলোতে দিনের পর দিন বাস রাখা হচ্ছে। কোথাও রং করা হচ্ছে, কোথাও ডেন্টিং, কোথাও ইঞ্জিন মেরামতের কাজ চলছে। টার্মিনালগুলোকে এভাবে ব্যবহার করার সুযোগ আর থাকবে না।”

শেখ রবিউল আলম জানান, রাজধানীর বাইরে আধুনিক ডিপো ও টার্মিনাল গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ৩০০ ফিট এলাকায় একটি ডিপো নির্মাণ করা হবে। এছাড়া কাঁচপুরে নির্মাণাধীন ডিপো পরবর্তীতে পূর্ণাঙ্গ টার্মিনালে রূপ নেবে। সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল ধীরে ধীরে কাঁচপুরে স্থানান্তর করা হবে।

তিনি আরও জানান, ফুলবাড়িয়া বাস টার্মিনাল সরিয়ে নেওয়া হবে কেরানীগঞ্জে, কেন্দ্রীয় কারাগারের বিপরীত পাশে। অন্যদিকে গাবতলী বাস টার্মিনাল স্থানান্তর করা হবে হেমায়েতপুর এলাকায়।

তবে এসব পরিবর্তন তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হচ্ছে না উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিকভাবে নতুন স্থানগুলো ডিপো হিসেবে ব্যবহৃত হবে। বাসগুলো নির্ধারিত সময়ে যাত্রী নিতে শহরের টার্মিনালে আসবে এবং যাত্রী পরিবহন শেষে আবার ডিপোতে ফিরে যাবে।

এ সময় রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় গড়ে ওঠা অস্থায়ী বাস টার্মিনাল ও কাউন্টার নিয়েও কথা বলেন তিনি। মন্ত্রী জানান, কলাবাগান, কল্যাণপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় বেসরকারি পরিবহনের কাউন্টার ঘিরে যে অস্থায়ী টার্মিনাল ব্যবস্থা তৈরি হয়েছে, তা পর্যায়ক্রমে তুলে দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, “রাস্তার পাশে বাস দাঁড় করিয়ে যাত্রী তোলার সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে। কাউন্টারের সামনে বাস এনে যাত্রী ওঠানো যাবে না। এ বিষয়ে আমরা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছি।”

সরকারের এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে যানজট কমবে এবং আন্তঃজেলা বাস পরিচালনায় আরও শৃঙ্খলা ফিরবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।