খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

চট্টগ্রামে টিকাদান কেন্দ্র গুলোতে ভিড়, ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হলো শিশুদের

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬, ১১:৩৭ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে টিকাদান কেন্দ্র গুলোতে ভিড়, ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হলো শিশুদের

চট্টগ্রাম জেলা ও সিটি করপোরেশন (চসিক) এলাকায় প্রায় ১৪ মাস পর শুরু হওয়া ভিটামিন এ ক্যাপসুল ক্যাম্পেইনে মোট ১৪ লাখ ৪ হাজার ১৬৯ জন শিশুকে ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ উপলক্ষে রোববার ( ২৮ জুন) সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়ে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত এই বিশেষ ক্যাম্পেইনের কার্যক্রম চলমান অবস্থায় টিকাদান কেন্দ্র গুলোতে ছিলো ভিড়, এসময় ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয় শিশুদের। ভিটামিন এ ক্যাপসুল অন্ধত্ব প্রতিরোধসহ শিশুদের পুষ্টিহীনতা দূরীকরণের লক্ষ্যে ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হচ্ছে। স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম জেলায় ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ৯৬ হাজার ৭৯ জন শিশু এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ৭ লাখ ৪৬ হাজার ৯০ জন শিশুসহ মোট ৮ লাখ ৪২ হাজার ১৬৯ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য জেলায় ১৭টি স্থায়ী ও ৪ হাজার ৮০০টি অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। শিশুদের জন্য ১ লাখ আইইউ ক্ষমতাসম্পন্ন ১ লাখ ২ হাজার ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল ও ২ লাখ আইইউ ক্ষমতাসম্পন্ন ৭ লাখ ৫৫ হাজার ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল দেওয়া হয়েছে।

 

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন এলাকায় ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ৯২ হাজার শিশু ও ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ৪ লাখ ৭০ হাজার শিশুসহ মোট ৫ লাখ ৬২ হাজার শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। এ কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য ৪১টি স্থায়ী ও ১ হাজার ২৮০টি অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্র খোলা হয়েছে।

১ লাখ আইইউ ক্ষমতাসম্পন্ন ১ লাখ ৫ হাজার ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল এবং ২ লাখ আইইউ ক্ষমতাসম্পন্ন ৪ লাখ ৯১ হাজার ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল সরবরাহ করা হয়েছে। নগরীর টিকাদান কেন্দ্রগুলোতে দেখা গেছে, সকাল থেকে অভিভাবকরা সন্তানকে নিয়ে ভিড় জমাচ্ছেন। পশ্চিম বাকলিয়া নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্রের তত্ত্বাবধায়ক নুরুল আমিন বলেন, কোনও শিশু যেন বাদ না যায়, সে ব্যাপারে আমরা সচেষ্ট আছি। তবে শিশুকে অবশ্যই ভরা পেটে এই ক্যাপসুল খাওয়াতে হবে। ক্যাপসুলের মুখ কেটে ভেতরে থাকা তরল ওষুধ চিপে খাওয়ানো হয়। জোর করে বা কান্নারত অবস্থায় ক্যাপসুল খাওয়ানো ঠিক নয়। এতে ক্যাপসুলের তরল লালার সঙ্গে বেরিয়ে যেতে পারে।

 

নিয়ম অনুসারে বছরে দুইবার ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুলের ক্যাম্পেইন হয়। তবে ক্যাপসুল সংকটে গত বছরের মার্চ মাসের পর থেকে এই কার্যক্রম বন্ধ ছিল। দীর্ঘ ১৪ মাস পর গতকাল ২৮ জুন এই ক্যাম্পেইন শুরু হলো। জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, ভিটামিন ‘এ’ শিশুর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি শুধু অপুষ্টিজনিত অন্ধত্ব থেকে শিশুদের রক্ষা করে না; বরং তা রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়। দীর্ঘমেয়াদি ডায়রিয়া থেকে শিশুকে সুরক্ষা দেয়, মৃত্যুঝুঁকি কমায়। বাংলাদেশে ১৯৭৩ সাল থেকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো শুরু হয়। ১৯৯৫ সালে জাতীয় টিকাদান দিবসের সঙ্গে ভিটামিন ‘এ’ কর্মসূচি যুক্ত হয়। ২০০৩ সাল থেকে ‘জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন’ হিসেবে এই কর্মসূচি পরিচিতি পায়।

 

চট্টগ্রাম জেলার ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন শিশুদের রাতকানা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ও অপুষ্টিজনিত ঝুঁকি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী সব শিশুকে এলাকার কেন্দ্রে নিয়ে গিয়ে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর মাধ্যমে এ কর্মসূচি সফল করতে হবে। চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ৬ থেকে ১১ মাসের প্রতিটি শিশুকে ১টি করে নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী প্রতিটি শিশুকে ১টি করে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হচ্ছে। চসিক এলাকায় ৭টি ইপিআই জোনের আওতায় নগরের ৪১টি ওয়ার্ডে প্রায় ১ হাজার ৩২১টি অস্থায়ী কেন্দ্রের মাধ্যমে এই ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন পরিচালিত হচ্ছে। পরবর্তীতে বাদ পড়া শিশুকে অভিভাবকরা ইপিআই কেন্দ্রে এনে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়াতে পারবেন।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।