খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

তেরোখাদা ও রূপসা উপজেলায় গাঙচিলের সাহিত্য অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত 

খান আখতার হোসেন
প্রকাশিত: রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২৬, ১১:৫১ পূর্বাহ্ণ
তেরোখাদা ও রূপসা উপজেলায় গাঙচিলের সাহিত্য অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত 

আজ শনিবার সন্ধ্যায় তেরোখাদা উপজেলা গাঙচিল শাখা আয়োজিত সাহিত্য অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। শরীফ ইমরুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন গাঙচিল খুলনা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান মুরাদ, বিশেষ অতিথি ছিলেন গাঙচিল কেন্দ্রীয় কমিটির বিভাগীয় সমন্বয়ক মোঃ লিয়াকত আলী, গাঙচিল খুলনা বিভাগীয় সহসভাপতি অধ্যাপক প্রশান্ত কুমার বাছাড়, রূপসা উপজেলা শাখা সভাপতি মোঃ মুনছুর রহমান, বিশিষ্ট চিকিৎসক গাঙচিল তেরোখাদা শাখার সাবেক সভাপতি ডাঃ সুধাংশু কুমার বিশ্বাস ও গাঙচিল প্রতিষ্ঠাতা খান আখতার হোসেন।

 

অনুষ্ঠানে পাঠপর্বে অংশগ্রহণ করেন গাঙচিলের আজীবন সদস্য কবি সোনালী বসু, রূপসার সুপরিচিত কবি শেখ মহীউদ্দীন, গাঙচিল তেরোখাদা উপজেলা শাখার নির্বাহী সভাপতি ক্বারি আলহাজ্ব লুৎফর রহমান, লিপিকা পাত্র, শিব প্রসাদ সরকার, রাসেল বিশ্বাস, শওকত আলী, মোঃ ইসমাইল হোসেন প্রমুখ।

 

অনুষ্ঠান কোরআন তেলোয়াত ও গীতা পাঠের মাধ্যমে শুরু হয়। সমগ্র অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেন গাঙচিল তেরোখাদা উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক কবি জাফর ইকবাল।

 

এর পূর্বে শনিবার বিকেলে খুলনার রূপসা উপজেলা শাখা কমিটির আয়োজনে গাঙচিল রূপসা শাখার অস্থায়ী কার্যালয়ে এক সাহিত্য অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শেখ মুনছুর রহমান।

 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন গাঙচিল খুলনা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান মুরাদ, বিশেষ অতিথি ছিলেন খান আখতার হোসেন।

 

পাঠ পর্বে অংশ নেন রেশমা কাদির রিমি, মোঃ সোহেল রানা, এস এম আলতাফ হোসেন, আল আমিন প্রমুখ।

 

দুই উপজেলায় গাঙচিল সাহিত্য আসর সমাপ্তি শেষে তেরোখাদা গাঙচিল গণগ্রন্থাগার ও ত

রূপসা গাঙচিল গণগ্রন্থাগার গঠনের উদ্যোগ নেয়া হয়। অনুষ্ঠানে খান আখতার হোসেন ঘোষণা দেন যে, উক্ত গণগ্রন্থাগারে গাঙচিল কেন্দ্রীয় কমিটি প্রতি গ্রন্থাগারে ৩০০০০/- টাকার বই অনুদান দেবে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।