খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

সংরক্ষিত নারী এমপিদের নির্বাচনি এলাকা পুরো বাংলাদেশ নির্দিষ্ট কোনো আসন নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২৬, ৭:৫৮ অপরাহ্ণ
সংরক্ষিত নারী এমপিদের নির্বাচনি এলাকা পুরো বাংলাদেশ নির্দিষ্ট কোনো আসন নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বিশেষ প্রতিনিধি: ৩০০টি সাধারণ আসনের ক্ষেত্রে ডিলিমিটেশন অ্যাক্ট বা সীমানা নির্ধারণ আইন অনুযায়ী নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকা থাকলেও সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্যদের ক্ষেত্রে এ বিধান প্রযোজ্য নয়, সংরক্ষিত নারী এমপিদের নির্বাচনি এলাকা পুরো বাংলাদেশ, নির্দিষ্ট কোনো আসন নয় বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ।

সোমবার (১৩ জুলাই) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে বিরোধী দলের সংসদ সদস্য আখতার হোসেনের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

পয়েন্ট অব অর্ডারে আখতার হোসেন অভিযোগ করেন, সরকারি দলের একজন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য বক্তব্য দেওয়ার সময় দুটি সংসদীয় আসনকে তার ‘অতিরিক্ত দায়িত্ব’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, ওই এলাকায় যাওয়ার পর স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে এমন প্রচার চালানো হচ্ছে যে, নির্বাচিত মূল সংসদ সদস্য সেখানে বড় বিষয় নন; বরং সংরক্ষিত আসনের এমপিই এলাকার সব কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।একই বিষয়ে সরকারের একজন প্রতিমন্ত্রী এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর আগের বক্তব্যের মধ্যে বৈপরীত্য রয়েছে।

এ অবস্থায় তিনি প্রশ্ন তোলেন, এই ‘অতিরিক্ত দায়িত্বের’ সাংবিধানিক ভিত্তি কী এবং এর আওতা কতটুকু। শুধুমাত্র বিরোধী দলের জেতা আসনগুলোতেই কেন এ ধরনের দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে, তা নিয়েও গভীর সন্দেহ প্রকাশ করেন তিনি।এর মাধ্যমে দেশে ভিন্ন ধরনের একদলীয় শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চলছে কি না—এ বিষয়েও সরকারের আনুষ্ঠানিক ও স্পষ্ট ব্যাখ্যা দাবি করেন বিরোধী দলের এই সংসদ সদস্য।

এর আগে, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য জেবা আমিনা খান সংসদে বলেন, তিনি ১২ জুলাই তার অতিরিক্ত দায়িত্বের নির্বাচনি এলাকা রংপুরের পীরগঞ্জ ও মিঠাপুকুর সফর করেছেন। সেখানে তিনি হাসপাতালের দূরাবস্থা দেখে এসেছেন।

আখতার হোসেনের অভিযোগের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘উত্থাপিত বিষয়টি আজ পয়েন্ট অব অর্ডারের আওতায় না পড়লেও এর সঠিক ও প্রয়োজনীয় ব্যাখ্যা দেওয়া জরুরি।সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, ‘জাতীয় সংসদ ৩০০ জন নির্বাচিত সদস্য এবং এর অতিরিক্ত ৫০ জন সংরক্ষিত নারী সদস্য নিয়ে গঠিত। ৩০০টি সাধারণ আসনের ক্ষেত্রে ডিলিমিটেশন অ্যাক্ট বা সীমানা নির্ধারণ আইন অনুযায়ী নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকা থাকলেও সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্যদের ক্ষেত্রে এ বিধান প্রযোজ্য নয়। সংরক্ষিত আসনে নির্বাচিত সদস্যদের নির্বাচনি এলাকা বা লিমিটেড এরিয়া হলো সমগ্র বাংলাদেশ।

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘কোনো সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য যদি নিজের বক্তব্যের মাধ্যমে নিজেকে নির্দিষ্ট কোনো এলাকা বা সীমিত দায়িত্বের মধ্যে আবদ্ধ হিসেবে উপস্থাপন করেন, তাহলে তা সঠিক হবে না। তাদের বলা উচিত যে, তারা সমগ্র বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে নির্বাচিত হয়েছেন।

আইন ও বিধি অনুযায়ী একজন সংসদ সদস্য হিসেবে সংরক্ষিত নারী সদস্যরা বিভিন্ন মন্ত্রণালয় থেকে যে সরকারি বরাদ্দ পান, তা দেশের যেকোনো স্থানে উপ-বরাদ্দ দিতে পারেন। বাংলাদেশের যেকোনো অঞ্চলে তারা এসব বরাদ্দ বণ্টনে স্বাধীন এবং সমগ্র দেশের সব এলাকায় সংসদ সদস্য হিসেবে তাদের দায়িত্ব পালন করতে পারেন।তাই নির্দিষ্ট কোনো এলাকা বা বিশেষ দায়িত্বের যে কথা বলা হচ্ছে, তা সংবিধান বা বিদ্যমান আইন অনুযায়ী সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্যদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

ঢাকার ডাক নিউজ/এস

 

 

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।