খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

কাশ্মীর কি ভারতের হয়ে যাচ্ছে?

অধ্যক্ষ খান আখতার হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ৩:১৫ অপরাহ্ণ
কাশ্মীর কি ভারতের হয়ে যাচ্ছে?

কাশ্মীর প্রশ্নটা ১৯৪৭ সাল থেকে দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতির কেন্দ্রে। তিনটা দেশ – ভারত, পাকিস্তান, চীন – এর অংশ জুড়ে আছে। ২০১৯ সালের ৫ আগস্ট ভারত জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল করে দুটো কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল বানানোর পর থেকে প্রশ্নটা আবার নতুন করে উঠেছে: *কাশ্মীর কি এখন পুরোপুরি ভারতের হয়ে যাচ্ছে?*

সহজ উত্তর “হ্যাঁ” বা “না” দিয়ে দেওয়া যাবে না। কারণ এটা আইন, রাজনীতি, অর্থনীতি, নিরাপত্তা আর মানুষের মন – সব মিলিয়ে একটা জটিল বাস্তবতা। ২০২৫-২০২৬ সালের সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো দেখলে বোঝা যায় ভারত প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিকভাবে কাশ্মীরকে আরও গভীরভাবে নিজের সাথে জুড়ছে, কিন্তু কূটনৈতিক ও জনমতের লড়াই এখনো চলছে।

১. ২০১৯ এর পর ভারতের প্রশাসনিক একীকরণ

২০১৯ সালে ভারত সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিল করে জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ স্বায়ত্তশাসন তুলে দেয়। রাজ্যটিকে ভেঙে “জম্মু-কাশ্মীর” ও “লাদাখ” নামে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করা হয়। d3bd

এর পরের ৬-৭ বছরে যা হয়েছে:

*উন্নয়ন ও বিনিয়োগ*: ২০১৯ এর পর কেন্দ্রীয় সরকারের সরাসরি ফান্ডিং সহজ হওয়ায় অবকাঠামোতে বড় বিনিয়োগ এসেছে। দিল্লি-শ্রীনগর বন্দে ভারত ট্রেন, কাজিগুন্ড-উরি ফোর লেন হাইওয়ে, জোজিলা টানেল, ৫টি নতুন ফ্লাইওভার – এগুলোকে “২০১৯ এর পর দৈব হস্তক্ষেপ” বলে বর্ণনা করা হয়েছে। জি-২০ বৈঠকও কাশ্মীরে হয়েছে, যা পর্যটন ও ব্যবসা বাড়াতে সাহায্য করেছে। e04907ce

*অর্থনীতি*: কর আদায় ১ বছরে ৩০% বেড়েছে। যুবকরা স্টার্টআপ করছে। দুবাইয়ের ইমার গ্রুপ ৬ কোটি ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে, যাতে ৭-৮ হাজার চাকরি হবে। ক্যালিফোর্নিয়ার মিলপিটাস শহরের মেয়রও ব্যবসায়িক অংশীদারিত্বের আশ্বাস দিয়েছেন। 07ce

*সৌর বিদ্যুৎ*: ২০২৭ সালের মধ্যে ১ কোটি ছাদের সৌর প্রকল্পের লক্ষ্যে জম্মু-কাশ্মীর ৩৭,১৩৮টি বাড়িতে সৌর প্যানেল বসিয়েছে, যা লক্ষ্যের ৪%। 3aa4

*খেলাধুলা ও সংস্কৃতি*: ২০২৫-২৬ রঞ্জি ট্রফিতে জম্মু-কাশ্মীর প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। এটা স্থানীয়দের মধ্যে নতুন আত্মবিশ্বাস তৈরি করেছে। 988b

ভারত সরকারের যুক্তি পরিষ্কার: ২০১৯ এর আগে উন্নয়ন ধীর ছিল, এখন দ্রুত হচ্ছে। e049

২. নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও নতুন চ্যালেঞ্জ

কিন্তু উন্নয়নের পাশাপাশি নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জও আছে।

*২০২৫ সালের মোড়*: ২০২৫ সাল কাশ্মীরের “ভঙ্গুর শান্তি” ভেঙে দেয়। এপ্রিল ২ তারিখে পহেলগামের বাইসারন ভ্যালিতে ২৬ জন পর্যটক নিহত হয়। এরপর নভেম্বরে রেড ফোর্ট বিস্ফোরণে কাশ্মীর-সংযুক্ত ডাক্তারদের জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠে। 60cd

নিরাপত্তা বাহিনীর মতে এখন “হাইব্রিড মিলিট্যান্সি” সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। এরা তালিকাভুক্ত জঙ্গি না, কিন্তু র‍্যাডিক্যাল হয়ে হামলা করে আবার সাধারণ জীবনে ফিরে যায়। স্থানীয় জঙ্গি প্রায় শেষ, এখন বেশিরভাগ হামলাকারী পাকিস্তানি নাগরিক যারা উঁচু পাহাড়ে ঘোরাফেরা করে। 60cd

*ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনা*: পহেলগাম হামলার পর ভারত সিন্ধু পানি চুক্তি অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত, আটারি-ওয়াগা বর্ডার বন্ধ, পাকিস্তানি কূটনীতিকদের বহিষ্কার করেছে। ৬-৭ মে ২০২৫ রাতে ভারত পাকিস্তান-শাসিত কাশ্মীর ও পাকিস্তানের ভেতরে “সন্ত্রাসী অবকাঠামো”য় হামলা চালায়। এরপর দুপক্ষ গোলাগুলি করে। ১০ মে যুদ্ধবিরতি হলেও বাণিজ্য ও চুক্তি স্থগিতই আছে। aaad2a4b

*আইনি ইস্যু*: ইউএপিএ আইনে ২০১৯-২০২৩ সালে জম্মু-কাশ্মীরে দোষী সাব্যস্তের হার ১% এর নিচে, ২০১৯ এ ছিল ০%। কিন্তু বিচার ছাড়াই বছরের পর বছর জেল খাটতে হচ্ছে অনেককে। সুপ্রিম কোর্ট সম্প্রতি জামিনের পক্ষে রায় দিয়েছে, বলেছে “জামিনই নিয়ম, জেল ব্যতিক্রম”। a887

৩. পাকিস্তান ও আন্তর্জাতিক অবস্থান

পাকিস্তান কখনোই কাশ্মীরকে ভারতের “অভ্যন্তরীণ বিষয়” মানবে না।

*পাকিস্তানের বক্তব্য*: পাক সেনাপ্রধান আসিম মুনির বলেছেন কাশ্মীরে “সন্ত্রাসবাদ” আসলে “আইনসম্মত স্বাধীনতার লড়াই”। পাকিস্তান সবসময় কাশ্মীরিদের “আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার” এর পাশে থাকবে। জাতিসংঘে পাক প্রতিনিধি আসিফ খান বলেছেন “জম্মু-কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ নয়, এটা বিতর্কিত এলাকা”। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে গণভোটের মাধ্যমে হওয়া উচিত। ba806713

*ভারতের পাল্টা জবাব*: ভারত বারবার বলছে “জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ ভারতের অবিচ্ছেদ্য ও অপরিহার্য অংশ”। যাদের “লোকাস স্ট্যান্ডি” নেই তারা যেন মন্তব্য না করে। ২০২৬ সালে ইইউ-পাকিস্তান যৌথ বিবৃতিতে কাশ্মীরের উল্লেখ করায় ভারত তীব্র প্রতিবাদ জানায়। চীন-পাকিস্তান যৌথ বিবৃতির ক্ষেত্রেও একই কথা বলেছে। 6e0ea0a6

*আজাদ কাশ্মীরের অস্থিরতা*: ২০২৬ সালে পাক-শাসিত আজাদ কাশ্মীরেও বড় বিক্ষোভ হয়। সেখানে ১২টি “শরণার্থী আসন” বাতিলের দাবি ওঠে। সুপ্রিম কোর্ট রায় দেয় এই আসন সাংবিধানিকভাবে সুরক্ষিত। e42e

৪. মানুষের জীবন: উন্নয়ন না অধিকার?

এখানেই সবচেয়ে বড় বিতর্ক।

*উন্নয়নের পক্ষে যুক্তি*: জি-২০ এর রিপোর্ট বলছে মানুষ সরকারের পদক্ষেপকে ইতিবাচকভাবে নিয়েছে। স্বাস্থ্য, শিক্ষা, খেলাধুলার কেন্দ্র হচ্ছে। পর্যটন বেড়েছে, ব্যবসা বেড়েছে। 07ce

*সমালোচনার পক্ষে যুক্তি*: মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন সরকার “মৌলিক অধিকার, প্রতিবাদ ও সমাবেশের অধিকার” কেড়ে নিয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনীর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ আছে। ২০১৯ এর লকডাউনে অন্তত ২৩০ জনকে আটক করা হয়েছিল। টেলিফোন, ইন্টারনেট বন্ধ ছিল। e049d3bd

*বাজেট ইস্যু*: ২০২৬-২৭ বাজেটে জম্মু-কাশ্মীরের জন্য ৪৩,২৯০.২৯ কোটি রুপি, যা আগের বছরের চেয়ে ২০০ কোটি বেশি। কিন্তু স্থানীয় নেতারা বলছেন এটা “চিনাবাদাম”। পহেলগাম হামলার পর ৫০০০ কোটি প্যাকেজ আশা করেছিলেন। 313d

*সংযোগ সমস্যা*: বাজেটে বারবার প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও জম্মু-শ্রীনগর হাইওয়ের ৪ লেন ও সরাসরি ট্রেন এখনো হয়নি। তুষারপাতে কাশ্মীর কয়েকদিনের জন্য বাকি দেশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। 2690

৫. তাহলে “ভারতের হয়ে যাচ্ছে” কিনা?

এই প্রশ্নের উত্তর ৪টা স্তরে দেখতে হবে:

*১. আইনি ও প্রশাসনিক স্তর: হ্যাঁ, প্রায় সম্পূর্ণ*
২০১৯ এর পর জম্মু-কাশ্মীরের আলাদা সংবিধান, পতাকা, স্থায়ী বাসিন্দা আইন নেই। এখন ভারতের অন্য যেকোনো রাজ্যের মতোই কেন্দ্রীয় আইন চলে। কেন্দ্রীয় সরকার সরাসরি বাজেট দেয়, প্রকল্প করে। ভারত আন্তর্জাতিক ফোরামে বারবার বলছে এটা “অভ্যন্তরীণ বিষয়”। এই অর্থে কাশ্মীর ভারতের সাথে আইনিভাবে সবচেয়ে বেশি জুড়ে গেছে। 6e0e

*২. অর্থনৈতিক স্তর: হ্যাঁ, দ্রুত একীভূত হচ্ছে*
বিনিয়োগ, পর্যটন, স্টার্টআপ, অবকাঠামো – সব দিকেই ভারতের মূলধার সাথে যুক্ত হচ্ছে। বিদেশি বিনিয়োগও আসছে। জি-২০ এর মতো আন্তর্জাতিক ইভেন্ট কাশ্মীরে হওয়া মানে বিশ্বকে বার্তা দেওয়া যে “এখানে স্বাভাবিকতা ফিরেছে”। 07ce

*৩. রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক স্তর: না, বিতর্ক শেষ হয়নি*
পাকিস্তান এখনো জাতিসংঘে কাশ্মীরকে “বিতর্কিত” বলে। চীনও “ইতিহাসের ফেলে আসা সমস্যা” বলে। ভারত “অবিচ্ছেদ্য অংশ” বললেও অন্য দেশগুলোকে মানাতে পারেনি। পহেলগাম হামলার পর দুই দেশের সম্পর্ক সর্বনিম্ন পর্যায়ে। 6713a0a6aaad

*৪. জনমত ও মনস্তাত্ত্বিক স্তর: এখনো বিভক্ত*
কেউ উন্নয়নকে স্বাগত জানাচ্ছে, কেউ অধিকার হরণের কথা বলছে। ২০২৫ এর হামলা দেখিয়েছে ক্ষোভ পুরোপুরি যায়নি। “হাইব্রিড মিলিট্যান্সি” নতুন রূপ। 07cee04960cd

৬. ভবিষ্যৎ কোন দিকে?

*ভারতের কৌশল*: “উন্নয়ন + নিরাপত্তা”। বেশি বিনিয়োগ, বেশি সংযোগ, বেশি স্বাভাবিকতা দেখিয়ে দুনিয়াকে বোঝানো যে কাশ্মীর শান্ত। পাশাপাশি কঠোর নিরাপত্তা দিয়ে সন্ত্রাস দমন।

*পাকিস্তানের কৌশল*: আন্তর্জাতিকীকরণ। জাতিসংঘ, ওআইসি, ইইউ-কে দিয়ে চাপ দেওয়া। “আত্মনিয়ন্ত্রণ” এর কথা বলা। 77a36713

*কাশ্মীরিদের সামনে ৩টা পথ*:
1. ভারতের সাথে থেকে উন্নয়নের সুবিধা নেওয়া
2. স্বাধীনতার দাবিতে আন্দোলন চালানো
3. পাকিস্তানের সাথে যাওয়া – যেটা এখন কার্যত অসম্ভব

উপসংহার

২০২৬ সালে এসে বাস্তবতা হলো: *প্রশাসনিকভাবে ও অর্থনৈতিকভাবে কাশ্মীর ভারতের সাথে আগের চেয়ে অনেক বেশি জুড়ে গেছে*। ৩৭০ বাতিল, কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল, বড় বিনিয়োগ, নতুন ট্রেন-টানেল – এগুলো ফেরানো কঠিন। e049

কিন্তু *রাজনৈতিকভাবে ও আন্তর্জাতিকভাবে প্রশ্নটা এখনো খোলা*। পাকিস্তান ছাড়বে না। জাতিসংঘের মানচিত্রে এখনো “বিতর্কিত”। আর ভেতরে ক্ষোভ ও হামলা থাকা মানে স্বাভাবিকতা পুরোপুরি আসেনি। ba80671360cd

তাই “কাশ্মীর কি ভারতের হয়ে যাচ্ছে?” – এর উত্তর:
*কাগজে-কলমে ও রাস্তা-ঘাটে হ্যাঁ।*
*কিন্তু মন ও কূটনীতির লড়াইয়ে এখনো না।*

শেষ পর্যন্ত কাশ্মীরের ভাগ্য নির্ধারণ হবে তিনটা জিনিসে: ১. কাশ্মীরের সাধারণ মানুষ কী চায়, ২. ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ক কোন দিকে যায়, ৩. উন্নয়ন কি সত্যিকারের শান্তি আনতে পারে।

যতদিন এই ৩টার সমাধান না হবে, ততদিন কাশ্মীর “ভারতের” হবে, “পাকিস্তানের” হবে না – এই ঘোষণা শুধু দিল্লির একতরফা সিদ্ধান্তই থেকে যাবে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।