খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোর সহযোগিতা কামনা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬, ৮:৩৬ অপরাহ্ণ
রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোর সহযোগিতা কামনা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

ঢাকার ডাক ডেস্ক: রোহিঙ্গা সংকট প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী পুনর্ব্যক্ত করেন, ‘প্রায় এক দশক ধরে মিয়ানমার থেকে বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত ১৩ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়ার মানবিক দায়িত্ব বাংলাদেশ পালন করে আসছে। এই সংকট দীর্ঘায়িত হওয়ার ফলে বাংলাদেশ মাদক চোরাচালান, মানব পাচার এবং অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদের প্রবাহের মতো বিভিন্ন ধরনের আন্তঃসীমান্ত অপরাধের শিকার হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় অনুষ্ঠিত সভায় তিনি এ আহ্বান জানান।

৩৩তম আসিয়ান আঞ্চলিক ফোরামের (এআরএফ) মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছায়, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের উপযোগী পরিবেশ তৈরিতে যৌথভাবে সহযোগিতা করার জন্য অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানান।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বর্তমানে অভূতপূর্ব ভূ-রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে। নতুনভাবে উদ্ভূত বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা উদ্বেগগুলো মোকাবেলার ক্ষেত্রে ধারাবাহিক সংলাপ ও কূটনীতিই সবচেয়ে কার্যকর মাধ্যম।’ তিনি সামুদ্রিক বিরোধ বা বিরোধপূর্ণ জলসীমা-সংক্রান্ত বিষয়গুলো নিরসনে সব দেশকে সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শন, ‘ইউনাইটেড নেশনস কনভেনশন অন দ্য ল অব দ্য সি’সহ আন্তর্জাতিক আইন সমুন্নত রাখা এবং শান্তিপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে মতপার্থক্য সমাধানের আহ্বান জানান।রোহিঙ্গারা পরিস্থিতিগত কারণে রাষ্ট্রহীন নয়—পরিকল্পিতভাবেই তাদের রাষ্ট্রহীন করা হয়েছে। এটি একটি রাজনৈতিক ব্যর্থতা, যার সমাধানও রাজনৈতিকভাবেই হতে হবে।’

জলবায়ু পরিবর্তনজনিত নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জের কথা তুলে ধরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকিতে থাকা অন্যতম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ দুর্যোগ প্রস্তুতি ও পূর্বাভাস ব্যবস্থা জোরদারে আঞ্চলিক সহযোগিতা বাড়াতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি যোগ করেন, ‘এআরএফ ইন্টার-সেশনাল মিটিং অন ডিজাস্টার রিলিফ’-এর কো-চেয়ার হিসেবে বাংলাদেশ এআরএফ কাঠামোর অধীনে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা শক্তিশালী করার পক্ষে কাজ চালিয়ে যাবে।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এআই ও উদীয়মান প্রযুক্তির সুযোগ ও ঝুঁকির কথা তুলে ধরে সাইবার নিরাপত্তাসংক্রান্ত হুমকি, অপতথ্য এবং উন্নত প্রযুক্তির অপব্যবহার রোধে আরও ঘনিষ্ঠ আঞ্চলিক সহযোগিতার আহ্বান জানান। তিনি এ অঞ্চলের নিজস্ব ভূ-রাজনৈতিক ও উন্নয়ন বাস্তবতা প্রতিফলিত করে এমন একটি আঞ্চলিক প্রযুক্তি শাসন কাঠামো প্রণয়নের প্রস্তাব করেন।

পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও যৌথ সমৃদ্ধির ভিত্তিতে আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারে বাংলাদেশের দৃঢ় সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। বাংলাদেশ সর্বদা বিভাজনের বিপরীতে সংলাপ এবং মেরুকরণের বিপরীতে অংশীদারিত্বকে বেছে নেবে।

ঢাকার ডাক নিউজ/এস

 

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।