খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

মানবিকতার অনন্য নজির: ছেলের হাতে নির্যাতিত বৃদ্ধা মাকে বাড়িতে ফিরিয়ে দিলেন ওসি মিন্টু রহমান

ধামইরহাট নওগাঁ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ১১:১৪ অপরাহ্ণ
মানবিকতার অনন্য নজির: ছেলের হাতে নির্যাতিত বৃদ্ধা মাকে বাড়িতে ফিরিয়ে দিলেন ওসি মিন্টু রহমান

নিজের গর্ভধারিণী মাকে বাড়ি থেকে বের করে দিয়ে চরম নিষ্ঠুরতার পরিচয় দিয়েছিলেন ছেলে সোহাগ। দীর্ঘদিন অসহায় অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করা সেই মাকে অবশেষে তার নিজের ভিটায় ফিরিয়ে দিয়ে অনন্য মানবিকতার নজির স্থাপন করলেন নওগাঁর ধামইরহাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিন্টু রহমান।

ঘটনাটি ঘটেছে নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলার চকউমর গ্রামে। ভুক্তভোগী বৃদ্ধা আনোয়ারা বেগম ওই গ্রামের মৃত বজলুর রহমানের স্ত্রী।
জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরেই নিজের ছেলে সোহাগের হাতে নানাভাবে নির্যাতনের শিকার হচ্ছিলেন বৃদ্ধা আনোয়ারা বেগম। এক পর্যায়ে গত ছয় মাস আগে অমানবিক নির্যাতনের মাধ্যমে মাকে বাড়ি থেকে বের করে দেয় ছেলে সোহাগ। এরপর থেকে বৃদ্ধা মা খোলা আকাশের নিচে কিংবা অন্যের দুয়ারে দুয়ারে ঘুরে জীবন অতিবাহিত করছিলেন। বিচার পাওয়ার আশায় ছয় মাস ধরে দ্বারে দ্বারে ঘুরেও কোনো সুরাহা পাননি তিনি।
অবশেষে কোনো উপায় না পেয়ে গত রবিবার (২৬ জুলাই) রাতে ধামইরহাট থানায় গিয়ে ছেলে সোহাগের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ভুক্তভোগী মা। অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ওসি মিন্টু রহমান বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে গ্রহণ করেন। তিনি দেরি না করে ওই রাতেই বিশেষ উদ্যোগ নিয়ে বৃদ্ধা মা আনোয়ারা বেগমকে সঙ্গে নিয়ে সরাসরি তার বাড়িতে যান।
ওসি মিন্টু রহমানের উপস্থিতিতে এবং কঠোর হস্তক্ষেপে ছেলে সোহাগ তার ভুল বুঝতে পেরে মাকে আবারো বাড়িতে তুলে নিতে বাধ্য হয়। বৃদ্ধা মা নিজের হারানো আবাসে ফিরে যেতে পেরে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন এবং ওসি সাহেবের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
এ বিষয়ে ধামইরহাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিন্টু রহমান বলেন, “মায়ের চেয়ে বড় কোনো সম্পদ পৃথিবীতে নেই। একজন মা নিজ ছেলের হাতে নির্যাতিত হবেন এবং বাড়ি থেকে বের হয়ে মানবেতর জীবন কাটাবেন, এটি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। আমি আমার মানবিক ও পেশাগত দায়িত্ববোধ থেকেই মাকে তার বাড়িতে ফিরিয়ে দিয়েছি। আমি চাই, তিনি যেন এই বাড়িতে শান্তিতে এবং নিরাপদে থাকতে পারেন। ভবিষ্যতে তার ওপর আর কোনো প্রকার নির্যাতন হলে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
ওসি সাহেবের এই দ্রুত ও মানবিক পদক্ষেপে এলাকাবাসী ও সুশীল সমাজে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, একজন পুলিশের এমন মানবিক আচরণ সমাজে অপরাধ প্রবণতা কমাতে এবং সামাজিক মূল্যবোধ জাগিয়ে তুলতে সহায়ক হবে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।