খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

দু দেশের মধ্যে প্রযুক্তি, উদ্ভাবন ও যৌথ গবেষণা এগিয়ে নিতে ঐক্যমতে বাংলাদেশ ও ওমান

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ৮:১৭ অপরাহ্ণ
দু দেশের মধ্যে প্রযুক্তি, উদ্ভাবন ও যৌথ গবেষণা এগিয়ে নিতে ঐক্যমতে বাংলাদেশ ও ওমান

বিশেষ প্রতিনিধি:  ৩০ এপ্রিল বৃহস্পতিবার ঢাকায় বাংলাদেশ সচিবালয়ে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ওমানের Star Drones, Innovation Park Muscat, Seeb, এর চীফ এক্সিকিউটিভ অফিসার Said Abdul Ghafoor Saif Udeen এর নেতৃত্বে সৌদি আরাবিয়া-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি এর নেতৃবৃন্দ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মধ্যে প্রযুক্তি, উদ্ভাবন এবং যৌথ গবেষণা এগিয়ে নেয়ার বিষয়ে একটি দ্বিপাক্ষিক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এ আলোচনার মূল উদ্দেশ্য ছিল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা , ড্রোন প্রযুক্তি, কৃষি প্রযুক্তি, স্টার্টআপ ফান্ডিং, খাদ্য নিরাপত্তা এবং উদ্ভাবনে দুই দেশের সম্ভাব্য সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো চিহ্নিত করা।

বাংলাদেশের পক্ষে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ আনোয়ার হোসেন এর নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের সাথে ওমানের Star Drones, Innovation Park Muscat, Seeb, Oman এর চীফ এক্সিকিউটিভ অফিসার (সিইও) Said Abdul Ghafoor Saif Udeen এর নেতৃত্বে সৌদি আরাবিয়া- বাংলাদেশ চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি’র প্রতিনিধি দলের মধ্যে এ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনায় ওমানের প্রতিনিধিরা তাদের বিজ্ঞান, ড্রোন এবং এআই সংক্রান্ত উদ্যোগগুলোর কথা তুলে ধরেন। ওমানি প্রতিনিধি দল উল্লেখ করেন তাদের একটি স্টার্টআপ ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড রয়েছে যা প্রাথমিক পর্যায়ের উদ্ভাবনগুলোতে অর্থায়ন করে। ওমানি দল তাদের নিজস্ব এলএলএম (Large Language Model) এবং ডেটা সুরক্ষার ওপর জোর দিচ্ছে বলে জানান । বৈঠকে মুসলিম দেশগুলোর নিজস্ব প্রযুক্তি ও ডাটা সেন্টার ব্যবহার, ডাটা সংরক্ষণের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা হয়।

দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো: আনোয়ার হোসেন বাংলাদেশের বিশাল তরুণ ও কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী (বিশেষ করে আইসিটি ও ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ) সম্পর্কে তুলে ধরেন। তিনি বাংলাদেশে সেমিকন্ডাক্টর ডিজাইন এবং রোবোটিক্স খাতে তরুণদের আগ্রহ ও এ নিয়ে সরকারের উদ্যোগের কথা জানান। সেমিকন্ডাক্টর চিপ ডিজাইন ও গবেষণার অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি এবং বাংলাদেশের স্থানীয় যুবসমাজকে প্রশিক্ষিত করে গড়ে তোলার বিষয়ে বৈঠকে জোর দেয়া হয়।

​ড্রোন ব্যবহারের মাধ্যমে ওমানে হাজার হাজার একর জমিতে কীটনাশক বা স্প্রে ছিটানোর কাজ সফলভাবে করা হয়েছে বলে ওমানে প্রতিনিধি দল তাদের বক্তব্যে তুলে ধরেন। বাংলাদেশে কৃষি কাজ, কীটনাশক ছিটানো, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় এবং অগ্নি-নিরাপত্তায় এই ড্রোন প্রযুক্তি ব্যবহার করার বিশাল সুযোগ রয়েছে বলে ওমানের প্রতিনিধি জানান।

বাংলাদেশে লবণাক্ততা প্রতিরোধী ধানের জাত ব্যবহার করে যৌথ গবেষণার সুযোগ নিয়ে আলোচনা করা হয়।ডায়াবেটিস রোগীদের উপযোগী বিশেষ চালের জাতের বিষয়ে ওমানের প্রতিনিধিদল আগ্রহ প্রকাশ করেন। খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণের অংশ হিসেবে কাঁঠাল, আনারসের মতো ফল দীর্ঘ মেয়াদে সংরক্ষণ এবং আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানির বিষয়ে যৌথ গবেষণার প্রস্তাব দেওয়া হয়।

বাংলাদেশের বিসিএসআইআর (BCSIR) শিশুদের পুষ্টিহীনতা দূর করতে ভিটামিন ও মিনারেল সমৃদ্ধ বিশেষ খাদ্য প্রস্তুত করেছে, যা আফ্রিকা ও ওমানে ব্যবহারযোগ্য বলে দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় বিসিএসআই আর এর চেয়ারম্যান ড. সামিনা আহমেদ উল্লেখ করেন।

ওমানি দল তাদের রেড পাম উইভিল জাতের খেজুর গাছের পোকা দমন নিয়ে গবেষণার কথা উল্লেখ করে এবং এর ঔষধি গুণের জন্য যৌথ গবেষণার প্রস্তাব দেয়। বাংলাদেশের প্রতিনিধি দল এক্ষেত্রে জানায়, এ জাতীয় গবেষণার জন্য প্রয়োজনীয় আইনি কাঠামো ও নীতিমালা তৈরির কাজ বিবেচনা করা যেতে পারে।দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে দু’দেশের গবেষক, স্টার্টআপ এবং নীতি-নির্ধারকদের পারস্পরিক বিজ্ঞান পার্ক ও গবেষণা সুবিধা পরিদর্শনের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়।

বৈঠকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সচিব আগামী সেপ্টেম্বর মাসে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ন্যাশনাল ইনোভেশন ফেয়ারে ওমানি দলকে অংশগ্রহণের বিশেষ আমন্ত্রণ জানান। এছাড়া, আজকের আলোচনার প্রেক্ষিতে উভয় পক্ষ থেকে যোগাযোগ রক্ষা ও পরিকল্পনা বাস্তবায়নে নির্দিষ্ট ফোকাল পয়েন্ট/ প্রতিনিধি নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বিজ্ঞান প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মুহম্মদ আশরাফ আলী ফারুক, ড.সৈয়দা নওশিন পর্ণিনী, ওমানের Star Drones, Innovation Park Muscat, Seeb এর চীফ টেকনোলজি অফিসার Bassim Allah Bakhsh Ghulam Al-Zadjali, বাংলাদেশ আণবিক শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান ড মঈনুল ইসলাম, সৌদিআরব-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি এর সভাপতি আশরাফুল হক চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকার ডাক নিউজ

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।