খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

পরিচ্ছন্নতায় নাসির উদ্দিনকে অনুসরণ করার আহ্বান

এমদাদুর রহমান চৌধুরী জিয়া
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬, ৯:৪৬ পূর্বাহ্ণ
পরিচ্ছন্নতায় নাসির উদ্দিনকে অনুসরণ করার আহ্বান

সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার মোঃ মশিউর রহমান বলেছেন, পরিবেশ রক্ষায় ব্যক্তিগত উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনের পথ দেখায়। সমাজে এমন মানুষই প্রকৃত নায়ক, যাঁদের অনুসরণ করে অন্যরা উদ্বুদ্ধ হয়। নিজের তাগিদে দীর্ঘদিন ধরে পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখতে কাজ করে যাওয়া মানুষের প্রতি সম্মান জানানো যেমন সমাজের দায়িত্ব, তেমনি তাঁদের আদর্শ অনুসরণ করাও সবার কর্তব্য।

বৃহস্পতিবার বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে পরিবেশ অধিদপ্তর, সিলেট আয়োজিত বিয়ানীবাজার উপজেলার মোল্লাপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা মো. নাসির উদ্দিনকে পরিবেশ সংরক্ষণের স্বীকৃতিস্বরূপ সম্মাননা স্মারক প্রদান ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বিভাগীয় কমিশনার বলেন, নাসির উদ্দিন কোনো প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্ব বা ব্যক্তিগত লাভের আশায় নয়, বরং নিজের আন্তরিকতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার কাজ করে যাচ্ছেন। একজন মানুষ যদি নিয়মিত সময় দিয়ে নিজের এলাকার পরিচ্ছন্নতায় ভূমিকা রাখতে পারেন, তবে অন্যরাও নিজ নিজ বাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কার রাখার মাধ্যমে পুরো সমাজকে পরিচ্ছন্ন রাখতে পারবেন। তিনি বলেন, পরিচ্ছন্নতা শুধু সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে না, বরং ড্রেন ও পানিপ্রবাহের পথ সচল রেখে জলাবদ্ধতা ও বন্যার ঝুঁকিও কমাতে সহায়তা করে।

তিনি বলেন, একটি গ্রাম পরিচ্ছন্ন ও আদর্শ হতে পারলে অন্য গ্রাম কিংবা একটি উপজেলাও তা অনুসরণ করতে পারে। নাসির উদ্দিনকে অনুসরণ করে প্রথমে মোল্লাপুর, এরপর বিয়ানীবাজার, সিলেট জেলা এবং পর্যায়ক্রমে পুরো বিভাগকে পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে তিনি যেখানে-সেখানে বর্জ্য না ফেলে নির্ধারিত স্থানে ফেলার মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণে সবাইকে দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান।

তিনি আরও বলেন, নাসির উদ্দিন সম্মান বা পুরস্কারের জন্য নয়, বরং নিজের আনন্দ ও দায়িত্ববোধ থেকে এ কাজ করে যাচ্ছেন। তাঁর এ নিঃস্বার্থ উদ্যোগের স্বীকৃতি অন্যদেরও পরিবেশ রক্ষায় উদ্বুদ্ধ করবে। তিনি নাসির উদ্দিনের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু এবং এ মহৎ কাজ অব্যাহত রাখার তৌফিক কামনা করেন।

সিলেট বিভাগীয় পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক মোঃ আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে পরিবেশ অধিদপ্তরের বিভাগীয় উপপরিচালক বনানী দাস, হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা মোঃ আবু বকর ছিদ্দিকী, সিনিয়র টেকনিশিয়ান আল মামুন, সাংবাদিক গুলজার আহমদ হেলাল এবং মোল্লাপুর গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, মো. নাসির উদ্দিন ২০১৪ সালের ২৬ মার্চ দীর্ঘ ৩০ বছর প্রবাস জীবন শেষে দেশে ফিরে সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত উদ্যোগে পরিবেশ রক্ষায় চারপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার কার্যক্রম শুরু করেন। তিনি নিয়মিত গ্রামের সড়ক, নালা-নর্দমা, ড্রেন ও ছড়া পরিষ্কার করার পাশাপাশি গবাদিপশুর মলসহ বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য অপসারণ করে পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখতে কাজ করে যাচ্ছেন। দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি নিরলসভাবে এ কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।