খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

চুনারুঘাটে শালটিলা বন বিট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও বদলি করার চেষ্টা চালাচ্ছে একদল চিহ্নিত অসাধু চক্র বনদস্যুরা

আখলাক উদ্দিন মনসুর
প্রকাশিত: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬, ২:৪৭ অপরাহ্ণ
চুনারুঘাটে শালটিলা বন বিট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও বদলি করার চেষ্টা চালাচ্ছে একদল চিহ্নিত অসাধু চক্র বনদস্যুরা

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার রঘুনন্দন রেঞ্জের সংরক্ষিত বনাঞ্চল কড়াকড়ি বাড়ায় এবং গাছ চুরির সুযোগ না দেওয়ায় পাইকপাড়া ইউনিয়নের একদল চিহ্নিত অসাধু চক্র ও বনদস্যুরা শালটিলা বন বিট কর্মকর্তা বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার ও সরানোর ষড়যন্ত্র লিপ্ত হয়ে মোবাইল ফোনে হুমকি ধামকি সহ বিভিন্ন দপ্তরে নামে বেনামে মিথ্যা অভিযোগ দিয়েছে ।

এলাকার সচেতন সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ সূত্রে জানা , রঘুনন্দন রেঞ্জের শালটিলা বনের গাছ কাটা ঘটনার প্রকৃত তথ্য আড়াল করতে উপজেলার পাইকপাড়া ইউনিয়নের বদরগাজী এলাকার কয়েকজন প্রভাবশালী বিএনপি’র রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ত্ব জনমত তৈরির করার জন্য অপপ্রচার চেষ্টা চালাচ্ছে শালটিলা বন বিটের কর্মকর্তা । তিনি শালটিলা বন বিট দায়িত্ব নেওয়ার পর হতে একজন সৎ , সাহসী ও কঠোর থাকায় বনের গাছ কাটতে দিচ্ছে না বন বিট কর্মকর্তা চিহ্নিত বনদস্যুকে। যার ফলে ঐ এলাকার একদল চিহ্নিত বনদস্যুরা চুনারুঘাটে রঘুনন্দন রেঞ্জে রাতের আধারে গাছ কাটতে অবৈধ সুযোগ সুবিধা না পেয়ে সৎ, সাহসী ও কঠোর বন বিট কর্মকর্তা বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার ও নানা ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে। এদিকে সূত্রে জানা যায় , গত ১৮ জুন সন্ধা ৬ টা দিকে শালটিলা বন বিট অধীনেস্থ ফুলছড়া বন ক্যাম্পের ভেতরে মাঝে মধ্যে রাতের বেলায় গাছ কেটে নিয়ে গেলেও ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকে একদল চিহ্নিত বনদস্যুরা। বনদস্যুরা দূরে থেকে ফুলছড়া বন ক্যাম্পের ভেতরে দিন মজুরি লোকজনকে দিয়ে নিরবে গাছ কাঠানো হয়। এসব গাছ কাটার পর ৩/৪ গজ দূরে নিয়ে টুকরো করে টেলা বেন গাড়ি দিয়ে বদরগাজী এলাকায় স্তুপ করে রাখা হয় । পরে এসব গাছ গুলো বিক্রি করে দেয় অন্য লোকের কাছে । এ গাছ গুলো ক্রয় করে অন্য লোকজন সকালে বা বিকেলে পিকআপ, টমটম , ডায়না, ট্রাক্টর , ট্রলি দিয়ে শায়েস্তাগঞ্জ , শানখলা , শাকির মোহাম্মদ সহ বিভিন্ন করাত কলে পাঠিয়ে ছিঁড়ানো হয়ে থাকে । ছিঁড়ানো কাঠ গুলো বিভিন্ন জায়গায় ফার্নিসার কারখানাতে পাঠানো হয়ে থাকে । গত ১৮ জুন ফুলছড়ি ক্যাম্পে ভেতরে নিরবে গাছ কাটা সংবাদ পেয়ে শালটিলা বন বিট কর্মকর্তা ও অন্যান্য বন বিটের স্টাফদেরকে নিয়ে অভিযান চালিয়ে কাঁপাই চা বাগানের দূর্গা মুন্ডা ছেলে দিন মজুরি জাফর মিলন মুন্ডা (৩২) কে দিয়ে বেশ কয়েকটি গাছ কর্তন করা সময় হাতে নাতে আটক করে । পরের দিন বন আদালতে সোপর্দ করে জেল হাজতে প্রেরন করে এবং বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক ও স্থানীয় দৈনিক সংবাদ প্রকাশ হয়। বন আদালতে মামলা হলে এ জিদ ধরে পাইকপাড়া ইউনিয়নের বদরগাজী সহ অন্যান্য গ্রামের একদল চিহ্নিত বনদস্যুরা শালটিলা বন বিট কর্মকর্তা ও অন্যান্য স্টাফদের বিরুদ্ধে তাদের দেওয়া অন্য সংবাদকর্মীকে দিয়ে আজগুবি মিথ্যা অপপ্রচার সংবাদপত্রে এবং তাদেরকে সরানোর জন্য বিভিন্ন ষড়যন্ত্র , মোবাইলে হুমকি ধামকি সহ বিভিন্ন দপ্তরে নামে বেনামে মিথ্যা অভিযোগ দিয়েছে বলে এলাকার সচেতন লোকজন জানান।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।