খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

সংসদীয় গণতন্ত্র শক্তিশালী হলেই জুলাই শহীদদের আত্মমর্যাদা প্রতিষ্ঠিত হবে: তথ্যমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৩৮ অপরাহ্ণ
সংসদীয় গণতন্ত্র শক্তিশালী হলেই জুলাই শহীদদের আত্মমর্যাদা প্রতিষ্ঠিত হবে: তথ্যমন্ত্রী

বিশেষ প্রতিনিধি: জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের আত্মত্যাগের প্রকৃত মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করতে হলে বাংলাদেশে সংসদীয় গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে হবে। জনগণের ভোটে নির্বাচিত জাতীয় সংসদকেই দেশের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও নীতিনির্ধারণের প্রধান কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। সংসদের বাইরে নয়, সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই সকল রাজনৈতিক সমস্যার সমাধান খুঁজে নিতে হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন ।

৩ আগস্ট সোমবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) আয়োজিত জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা অর্জনের অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময় পর বাংলাদেশে ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য আবারও মানুষকে জীবন দিতে হয়েছে, যা জাতির জন্য একই সঙ্গে বেদনার ও আত্মসমালোচনার বিষয়। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে জনগণ তাদের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষার যে ম্যান্ডেট দিয়েছে, সেই ম্যান্ডেটের যথাযথ বাস্তবায়ন ঘটাতে হলে সংসদীয় গণতন্ত্রকে আরও কার্যকর ও শক্তিশালী করতে হবে।এত রক্ত, ত্যাগ ও আত্মবলিদানের বিনিময়ে অর্জিত গণতন্ত্রের প্রকৃত মূল্যায়ন হবে তখনই, যখন জাতীয় সংসদ দেশের রাজনৈতিক বিতর্ক, মতবিনিময় ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের সর্বোচ্চ গণতান্ত্রিক মঞ্চ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। সভ্য রাজনৈতিক সংস্কৃতি সংসদকেন্দ্রিক রাজনীতিকেই সমর্থন করে।

তথ্যমন্ত্রী শহীদদের স্মরণ কেবল আনুষ্ঠানিকতা বা আবেগের বিষয় নয় উল্লেখ করে তাঁদের আত্মত্যাগের প্রকৃত সম্মান জানাতে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও শক্তিশালী করার উপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি রাজনৈতিক বিতর্ককে গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা এবং রাজনৈতিক প্রক্রিয়াকে জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে আরও সমৃদ্ধ করার আহ্বান জানান। ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থান – বাংলাদেশের প্রতিটি গণতান্ত্রিক সংগ্রামের শহীদদের আত্মত্যাগ একই ধারার অংশ। তাঁদের রক্তের ঋণশোধের একমাত্র পথ হলো একটি কার্যকর সংসদ, স্বাধীন ও মর্যাদাপূর্ণ বিচারব্যবস্থা, সুশাসন এবং সাংবিধানিক গণতন্ত্রকে সুসংহত করা।

এসব লক্ষ্য কোনো একক রাজনৈতিক দলের পক্ষে অর্জন করা সম্ভব নয়। তিনি এক্ষেত্রে গণতন্ত্রে বিশ্বাসী সকল রাজনৈতিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। জুলাই শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে জাতীয় ঐক্য, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং গণতান্ত্রিক সহনশীলতার বিকল্প নেই, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম আজ রাজনৈতিক মতপ্রকাশের গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হলেও সেখানে অসহিষ্ণুতা, বিভ্রান্তি ও অস্থিরতার সংস্কৃতি গণতন্ত্রকে দুর্বল করতে পারে। তাই রাজনৈতিক মতপার্থক্যকে শালীনতা, যুক্তি ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখতে হবে।

জুলাই সনদের প্রতিটি অঙ্গীকার জনগণের নির্বাচিত সংসদের মাধ্যমেই বাস্তবায়ন করতে সরকার বদ্ধপরিকর।তিনি জনগণের স্বার্থবিরোধী বিভ্রান্তি, অস্থিতিশীলতা কিংবা কোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সরকার সংবিধান ও আইনের আলোকে যথাযথ দায়িত্ব পালন করবে।

ডিইউজের সাধারণ সম্পাদক খুরশীদ আলমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ, প্রেসক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ, যুগান্তর সম্পাদক কবি আবদুল হাই শিকদার, বিএফইউজের সভাপতি ওবায়দুর রহমান শাহীন, মহাসচিব কাদের গণি চৌধুরী ও ডিইউজে সভাপতি শহীদুল ইসলাম।

ঢাকার ডাক নিউজ/এস

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।