খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

গজারিয়ায় ১৩ বছরের কিশোরীকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ,অভিযুক্তদের শাস্তির দাবি

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ৮:৫২ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় ১৩ বছরের কিশোরীকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ,অভিযুক্তদের শাস্তির দাবি

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় ১৩ বছরের এক কিশোরীকে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে সেই ভিডিও ধারণ পরবর্তীতে সেটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী তিন তরুণের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় ঐ কিশোরী বর্তমানে পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন

স্থানীয় একাধিক সূত্রে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ভুক্তভোগী ওই কিশোরী উপজেলার একটি হতদরিদ্র পরিবারের সন্তান। বাবা ডেকোরেশন দোকানে সহযোগী,বড় বোন স্থানীয় একটি শিল্পকারখানায় চাকরি করেন এবং মা বিয়ে বাড়িতে বাবুর্চিদের সহযোগী হিসেবে কাজ করেন। পরিবারের সদস্যদের বাড়িতে না থাকার সুযোগে প্রায় পাঁচ মাস আগে প্রতিবেশী তাজুল ইসলামের ছেলে ইসমম (১৮) দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে তাকে ধর্ষণ করে এবং সেই দৃশ্য মোবাইলে ধারণ করে রাখে। পরবর্তীতে ধারণ করা ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে অভিযুক্ত ইসমম একাধিকবার ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করে। শুধু তা-ই নয়, পরবর্তীতে এই একই ভিডিওর ভয় দেখিয়ে ইসমমের দুই বন্ধু মারুফ (১৯) ও অহিদুলও (১৮) ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করে। ​সম্প্রতি মেয়েটির শারীরিক পরিবর্তন লক্ষ্য করে পরিবারের লোকজন তাকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যান। সেখানে পরীক্ষার পর তার গর্ভধারণের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়।

​ভুক্তভোগীর বড় বোন বলেন, “আমরা হতদরিদ্র পরিবারের মানুষ। সংসার চালানোর জন্য আমি ও আমার মা বাইরে কাজ করি। আমরা বাড়িতে না থাকার সুযোগে আমাদের প্রতিবেশী এক যুবক আমার বোনের সর্বনাশ করেছে। তার গলায় ছুরি ধরে প্রথমে তাকে ধর্ষণ করা হয় এবং ভিডিও ধারণ করে রাখা হয়। এ ঘটনায় আরও কেউ জড়িত থাকতে পারে। যারা যারা জড়িত আমি তাদের সবার ফাঁসি চাই।”

​ভুক্তভোগীর মা বলেন, “শারীরিক পরিবর্তন চোখে পড়লে আমরা তাকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাই। সেখানে আল্ট্রাসনোগ্রাফি পরীক্ষায় তার গর্ভধারণের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। টেস্ট রিপোর্ট ও ডাক্তারের বক্তব্য অনুযায়ী বাচ্চার বয়স প্রায় পাঁচ মাস। প্রথমে মেয়ে শুধু ইসমমের কথা বলেছিল এখন আরও দুজনের নাম বলছে। আমি সবার শাস্তি চাই।”

​এ বিষয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে ইসমমের দাবি, তিনি এই ঘটনার সাথে কোনোভাবেই জড়িত নয়। তাকে ফাঁসানোর জন্য এই অভিযোগ করা হচ্ছে। প্রয়োজনে ডিএনএ টেস্ট করে প্রকৃত অপরাধীকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

​বিষয়টি সম্পর্কে গজারিয়া থানার ইনচার্জ নকীব আকরাম হোসেন বলেন, “স্থানীয় সূত্রে এ রকম একটি খবর পেয়েছি। ভুক্তভোগী পরিবার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। তদন্ত সাপেক্ষ আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।