খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

রাজশাহী বোর্ডে ৭ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন এসএসসি পাসের হার

মোস্তাফিজুর রহমান রানা
প্রকাশিত: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ৭:০০ অপরাহ্ণ
রাজশাহী বোর্ডে ৭ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন এসএসসি পাসের হার

রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। এ বছর পাসের হার ৬৩ দশমিক ৬৭ শতাংশ, যা গত ৭ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। গত বছর পাসের হার ছিল ৭৭ দশমিক ৬৬ শতাংশ। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে পাসের হার কমেছে ১৩ দশমিক ৯৯ শতাংশ।

সোমবার (১০ আগস্ট) রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড থেকে প্রকাশিত সাত বছরের তুলনামূলক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ বছর ১ লাখ ৭৮ হাজার ৯৫২ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য নিবন্ধিত ছিল। এর মধ্যে পরীক্ষায় উপস্থিত হয়েছিল ১ লাখ ৭৬ হাজার ৪৪ জন। অনুপস্থিত ছিল ২ হাজার ৯০৮ জন। উপস্থিত পরীক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ১ লাখ ১২ হাজার শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে।

এর আগে ২০২৫ সালে এ বোর্ডে পাসের হার ছিল ৭৭ দশমিক ৬৬ শতাংশ। ২০২৪ সালে ৮৯ দশমিক ২৬ শতাংশ, ২০২৩ সালে ৮৭ দশমিক ৮৯ শতাংশ, ২০২২ সালে ৮৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ, ২০২১ সালে ৯৪ দশমিক ৯১ শতাংশ এবং ২০২০ সালে ৯০ দশমিক ৭৯ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছিল। ফলে সাত বছরের তুলনায় এবারই সবচেয়ে কম শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে।

ফলাফলে ছাত্রদের তুলনায় এগিয়ে আছে ছাত্রীরা। এবার ছাত্রীদের পাসের হার ৭০ দশমিক ৭৩ শতাংশ। বিপরীতে ছাত্রদের পাসের হার ৫৭ দশমিক ৩৩ শতাংশ। অর্থাৎ পাসের হারে ছাত্রদের চেয়ে ছাত্রীরা এগিয়ে আছে। জিপিএ-৫ পাওয়ার ক্ষেত্রেও ছাত্রীরা এগিয়ে। এ বছর রাজশাহী বোর্ডে মোট ১৬ হাজার ১১৩ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। এর মধ্যে ছাত্রী ৮ হাজার ৯৯১ জন এবং ছাত্র ৭ হাজার ১২২ জন।

বিদ্যালয়ভিত্তিক ফলাফলেও বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা গেছে। এ বছর রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের মাত্র ৩৫টি বিদ্যালয়ের শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে। অথচ ২০২৫ সালে শতভাগ পাস করা বিদ্যালয়ের সংখ্যা ছিল ৯৯টি। ২০২৪ সালে ২৮৯টি, ২০২৩ সালে ১৭৮টি, ২০২২ সালে ১৪৭টি, ২০২১ সালে ৩৬৮টি এবং ২০২০ সালে ৩০৮টি বিদ্যালয়ে শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছিল।

রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ইফফাত জেরিন বলেন, ‘বর্তমান সরকার কোয়ানটিটির চেয়ে কোয়ালিটিতে জোর দিয়েছে। এ জন্য শুরুতে তো একটু ধাক্কা খেতেই হবে। আমরা আশা করছি সামনে বোর্ডের ফলাফল আরও ভাল হবে।

 

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।