খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

বেনাপোলে ২৩ আগস্ট শুরু হচ্ছে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ও লেন্স সংযোজন শিবির

মোঃ জমির হোসেন
প্রকাশিত: বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০৯ পূর্বাহ্ণ
বেনাপোলে ২৩ আগস্ট শুরু হচ্ছে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ও লেন্স সংযোজন শিবির

​”অন্ধজনে দেহ আলো”—এই মহৎ বাণীকে সামনে রেখে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দিতে বেনাপোলে আয়োজিত হতে যাচ্ছে এক বিশাল বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা শিবির (২০২৬-২০২৭)। আগামী ২৩ আগস্ট ২০২৬, রোজ রবিবার সকাল ৯টা থেকে বেনাপোল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এই ক্যাম্পের কার্যক্রম শুরু হবে।

​রোটারী ক্লাব অব যশোরের আয়োজনে এবং ‘দি ফ্রেড হলোস ফাউন্ডেশন’ ও খুলনা ‘বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতাল’-এর সহযোগিতায় এই শিবিরের আয়োজন করা হয়েছে। এই মহতী উদ্যোগের সার্বিক সৌজন্যে ও সহযোগিতায় রয়েছেন বেনাপোল ট্রান্সপোর্ট এজেন্সী মালিক সমিতির সভাপতি এবং বেনাপোল পৌর বিএনপি’র সহ-সভাপতি রোটাঃ এ.কে.এম আতিকুজ্জামান সনি।

​ক্যাম্পের প্রধান আকর্ষণ ও সেবাসমূহ:
* ​বিনামূল্যে লেন্স সংযোজন: ছানি (ক্যাটারাক্ট) রোগীদের সম্পূর্ণ বিনামূল্যে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে আধুনিক আইওএল (IOL) লেন্স সংযোজন করা হবে।
* ​বিনামূল্যে ওষুধ ও চশমা: অপারেশন শেষ হওয়া রোগীদের বিনামূল্যে কালো চশমা এবং প্রয়োজনীয় চোখের ওষুধ সরবরাহ করা হবে।
* ​যাতায়াত সুবিধা: বাছাইকৃত ছানি রোগীদের অপারেশনের জন্য ওই দিনই নিজস্ব গাড়িতে করে খুলনা বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হবে এবং অপারেশন শেষে ২৫ আগস্ট (মঙ্গলবার) পুনরায় শিবিরে পৌঁছে দেওয়া হবে।
* ​রোগীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা:
​ক্যাম্পে আসা রোগীদের সুবিধার্থে কিছু প্রয়োজনীয় নিয়ম মেনে চলার অনুরোধ জানিয়েছেন আয়োজকরা:

​তারিখ ও সময়: রোগী পরীক্ষা ও ভর্তির তারিখ ২৩ আগস্ট ২০২৬, রবিবার সকাল ৯টা। (এটি মাত্র ১ দিনের ক্যাম্প)।

*​প্রয়োজনীয় কাগজপত্র: প্রত্যেক রোগীকে তাঁর জাতীয় পরিচয়পত্র (ভোটার আইডি কার্ড)-এর ১ কপি ফটোকপি এবং ১ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি সাথে আনতে হবে।
*​মোবাইল নম্বর: ভর্তি হওয়া প্রত্যেক রোগীকে তাঁর নিজস্ব অথবা নিকট আত্মীয়ের একটি সচল মোবাইল নম্বর সাথে রাখতে হবে।
​এই চোখ পরীক্ষা ও ছানি অপারেশন শিবিরের সার্বিক যোগাযোগ ও তদারকিতে রয়েছেন রোটাঃ এ.কে.এম আতিকুজ্জামান সনি। মানবতার সেবায় এলাকার সকল চক্ষু রোগীকে এই সুবর্ণ সুযোগ গ্রহণ করার জন্য বিনীত অনুরোধ জানানো হয়েছে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।