খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

ছয় বছরের অপেক্ষার পর একসঙ্গে চার সন্তান, আনন্দের জোয়ারে ভাসছে পরিবার

মোস্তাফিজুর রহমান রানা
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬, ১০:০২ অপরাহ্ণ
ছয় বছরের অপেক্ষার পর একসঙ্গে চার সন্তান, আনন্দের জোয়ারে ভাসছে পরিবার

দীর্ঘ ছয় বছরের নিঃসন্তান জীবনের অবসান ঘটিয়ে একসঙ্গে চার সন্তানের বাবা-মা হলেন রাজশাহীর ষষ্ঠীতলার বাসিন্দা নাজমুস সাকিব ও শার্লি মেহেবুবা হক দম্পতি।

গত ১১ আগস্ট সোমবার রাজশাহী নগরীর খ্রীষ্টিয়ান মিশন হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে তিন ছেলে ও এক মেয়ের জন্ম দেন শার্লি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছেন, চার নবজাতকই নরমাল ডেলিভারির মাধ্যমে জন্মগ্রহণ করেছে, যা অত্যন্ত বিরল ঘটনা।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, দুপুর ১২টা ৩৩ মিনিটে প্রথম ছেলে সন্তানের জন্ম হয়, ওজন ১ কেজি ২০০ গ্রাম। দুপুর ১টা ৬ মিনিটে জন্ম নেয় একমাত্র মেয়ে সন্তান, ওজন ১ কেজি। ১টা ৩৪ মিনিটে তৃতীয় সন্তান হিসেবে আরেক ছেলে জন্ম নেয়, ওজন ১ কেজি ৩০০ গ্রাম। সর্বশেষ ১টা ৩৯ মিনিটে চতুর্থ সন্তানের জন্ম হয়, ওজন ৯০০ গ্রাম।

মা ও চার নবজাতক বর্তমানে সুস্থ আছেন এবং হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।

জানা গেছে, নবজাতকদের বাবা নাজমুস সাকিব নাবিল গ্রুপের এরিয়া ম্যানেজার হিসেবে চাঁপাইনবাবগঞ্জে কর্মরত। মা শার্লি মেহেবুবা হক গৃহিণী। তাদের গ্রামের বাড়ি নাটোর জেলার লালপুর থানার ওয়ালিয়া এলাকায়। বর্তমানে তারা রাজশাহী মহানগরীর ষষ্ঠীতলায় বসবাস করছেন।

একসঙ্গে চার সন্তানের জন্মের খবরে পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে আনন্দের বন্যা বইছে। পরিবারের সদস্যরা একে মহান আল্লাহর বিশেষ রহমত হিসেবে দেখছেন।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।