খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

গাজীপুর সাফারি পার্কে ৪ দিনের ব্যবধানে দুই হাতির মৃত্যু

মো : আব্দুল বাতেন বাচ্চু
প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৪৪ পূর্বাহ্ণ
গাজীপুর সাফারি পার্কে ৪ দিনের ব্যবধানে দুই হাতির মৃত্যু

গাজীপুর সাফারি পার্কে মাত্র চার দিনের ব্যবধানে দুটি হাতির মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে হাতির আঘাতে গুরুতর আহত ১০ বছর বয়সী ‘রাজু বাহাদুর’ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে। অপর হাতিটির মৃত্যু হয়েছে ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণে।

পার্ক কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ মে হাতিশালায় শেকলে বাঁধা অবস্থায় থাকা রাজু বাহাদুরের ওপর চার বছর বয়সী হাতি ‘জয়িতা’ হামলা করে। এতে রাজু বাহাদুরের একটি পা গুরুতরভাবে ভেঙে যায়। পরে ক্রেনের সাহায্যে আহত হাতিটিকে সরিয়ে বালির ওপর রাখা হয়। এক্স-রে পরীক্ষায় তার পা ভেঙে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন চিকিৎসকরা।

আহত হাতিটির চিকিৎসায় দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একাধিক মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ৪ জুন থাইল্যান্ড থেকে বিশেষজ্ঞ বন্যপ্রাণী চিকিৎসকদের একটি দল পার্কে আসে। পাশাপাশি শ্রীলঙ্কার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের কাছ থেকেও পরামর্শ নেওয়া হয়। দেশের অভিজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে দীর্ঘদিন ধরে রাজু বাহাদুরের চিকিৎসা চলছিল।

তবে দীর্ঘদিন চিকিৎসা ও নানা প্রচেষ্টার পরও শেষ পর্যন্ত বাঁচানো সম্ভব হয়নি হাতিটিকে। গত ৭ আগস্ট সকালে পার্কের হাতিশালায় রাজু বাহাদুরকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়।

নোয়াখালীতে হঠাৎ গ্যাস সরবরাহ বন্ধ, বিপাকে ২৯ হাজার গ্রাহক।

এর আগে গত ৬ আগস্ট রাতে ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণে অসুস্থ থাকা আরও একটি হাতির মৃত্যু হয়। ফলে মাত্র চার দিনের ব্যবধানে সাফারি পার্কে দুটি হাতির মৃত্যু হলো।

দুটি হাতির মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত করতে তাদের দেহ থেকে বিভিন্ন নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। নমুনাগুলো পরীক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট ল্যাবে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পার্ক কর্তৃপক্ষ। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে হাতি দুটির মরদেহ পার্কের ভেতরেই মাটিচাপা দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকালে দুটি হাতির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন গাজীপুর সাফারি পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তারেক রহমান।

তিনি জানান, রাজু বাহাদুরকে সুস্থ করে তুলতে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী দীর্ঘদিন চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তবে চিকিৎসকদের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা সত্ত্বেও শেষ পর্যন্ত তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

পার্ক কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, বর্তমানে গাজীপুর সাফারি পার্কে মোট আটটি হাতি রয়েছে। পরপর দুটি হাতির মৃত্যুতে পার্কের প্রাণী ব্যবস্থাপনা ও চিকিৎসাব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। তবে হাতি দুটির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে ল্যাব পরীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে কর্তৃপক্ষ।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।