খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

আধুনিক তথ্য কমপ্লেক্সের মাধ্যমে তথ্যসেবাকে প্রযুক্তিনির্ভর ও জনবান্ধব করা হবে: তথ্যমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৪২ অপরাহ্ণ
আধুনিক তথ্য কমপ্লেক্সের মাধ্যমে তথ্যসেবাকে প্রযুক্তিনির্ভর ও জনবান্ধব করা হবে: তথ্যমন্ত্রী

ঢাকার ডাক ডেস্ক:  দেশের তথ্য ও জনসেবা ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও জনবান্ধব করতে প্রতিটি বিভাগে সাততলা বিশিষ্ট আধুনিক তথ্য কমপ্লেক্স নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে এই সুবিধা দেশের প্রতিটি জেলায় সম্প্রসারণ করা হবে। ইতোমধ্যে ২৬টি জেলায় তথ্য কমপ্লেক্স নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। এসব ভবনের ব্যবহারিক ক্ষমতায় গুরুত্ব দেওয়া হবে। এবং এসব আধুনিক তথ্য কমপ্লেক্সের ভ‌্যালু বৈশ্বিক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হবে বলে জানিয়েছেন  তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন ।

রবিবার বরিশাল নগরীর ২৯ নং ওয়ার্ডের ইছাকাঠী কাশিপুরে বিভাগীয় আধুনিক তথ্য কমপ্লেক্সের নির্মাণ কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, তথ্য কমপ্লেক্স নির্মাণের মূল লক্ষ্য শুধু একটি আধুনিক ভবন তৈরি করা নয়; বরং এর মাধ্যমে জনগণকে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর তথ্য ও সেবা প্রদান করা। একটি কম্পিউটার, স্মার্টফোন কিংবা অন্যকোনো প্রযুক্তিপণ্যের ক্ষেত্রে কেবল এর দামই গুরুত্বপূর্ণ নয়; এসব প্রযুক্তি মানুষের দৈনন্দিন কাজে কতটা কার্যকরভাবে ব্যবহার করা যাচ্ছে তার উপরই এর প্রকৃত মূল্য নির্ভর করে। একইভাবে তথ্য কমপ্লেক্সের প্রকৃত সাফল্যও নির্ভর করবে এটি থেকে কতটা আধুনিক এবং কার্যকরভাবে জনগণ সেবা গ্রহণ করতে পারছে তার উপর। তথ্য কমপ্লেক্সে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন সেবার পাশাপাশি উন্নতমানের সিনেমা প্রদর্শনের ব্যবস্থাও রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রচলিত সিনেমা হলের তুলনায় আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে দর্শকদের আরও উন্নত অভিজ্ঞতা দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে।

সেখানে থ্রিডি, ফোরডিসহ আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর চলচ্চিত্র প্রদর্শনের সুযোগ তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে বলে জানান তথ্যমন্ত্রী।ভবিষ্যতে ধাপে ধাপে জেলা পর্যায় থেকে উপজেলা পর্যায়ে এসব সুবিধা সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে। এর বিস্তৃতি ঘটলে দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীও আধুনিক তথ্য ও প্রযুক্তিনির্ভর সেবার আরও কাছাকাছি আসার সুযোগ পাবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোঃ শাহ আলম, বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদ, গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ আব্দুল জলিল, সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক এ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন, রেঞ্জ ডিআইজি জুলফিকার আলী হায়দার ও পুলিশ কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ বিশেষ অতিথির বক্তব্য করেন। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন প্রকল্প পরিচালক মোঃ মনিরুজ্জামান। এসময় বরিশাল গণপূর্ত জোনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মোঃ খালেদ হোসাইনসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকার ডাক নিউজ/এস

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।