খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান কোনো ব্যক্তি, রাজনৈতিক দল বা গোষ্ঠীর একক অর্জন নয়: প্রাথমিক প্রতিমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৪১ অপরাহ্ণ
জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান কোনো ব্যক্তি, রাজনৈতিক দল বা গোষ্ঠীর একক অর্জন নয়: প্রাথমিক প্রতিমন্ত্রী

বিশেষ প্রতিনিধি: জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান কোনো ব্যক্তি, রাজনৈতিক দল বা গোষ্ঠীর একক অর্জন নয়,এটি ছিল বিভিন্ন শ্রেণি-পেশা ও মতের মানুষের সম্মিলিত আকাঙ্ক্ষা ও অংশগ্রহণের ফসল। তাই কোনো পক্ষকে জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের একক মালিকানা নেওয়ার সুযোগ দেওয়া যাবে না। গণঅভ্যুত্থানের মূল চেতনাকে ধারণ করে একটি গণতান্ত্রিক, সাংবিধানিক ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী  ববি হাজ্জাজ ।

১৭ আগস্ট সোমবার ঢাকায় কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ আয়োজিত “জুলাইয়ের কন্ঠস্বর :তারুণ্য, প্রত্যয়,প্রতিরোধ” শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানকে শুধু একটি নির্দিষ্ট আন্দোলন হিসেবে দেখলে এর প্রকৃত তাৎপর্য উপলব্ধি করা যাবে না। বিভিন্ন দাবি, প্রত্যাশা ও আকাঙ্ক্ষা নিয়ে শুরু হওয়া একাধিক আন্দোলন একপর্যায়ে বৃহত্তর গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়। কেউ চাকরির দাবিতে, কেউ গণতন্ত্র ও অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে, আবার কেউ অন্যায়ের প্রতিবাদে রাজপথে নেমেছিলেন। ভিন্ন ভিন্ন দাবি ও অবস্থান থাকলেও শেষ পর্যন্ত জনগণের আকাঙ্ক্ষার একটি অভিন্ন জায়গা তৈরি হয়েছিল রাষ্ট্র ও সরকারব্যবস্থা যেন জনগণের জন্য পরিচালিত হয় এবং নাগরিকের অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত হয়।

মহান মুক্তিযুদ্ধের মতো ঐতিহাসিক অর্জনের চেতনাও একসময় রাজনৈতিক মালিকানার মধ্যে চলে গিয়েছিল। ফলে একটি মহান জাতীয় অর্জনের চেতনাকে কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল বা গোষ্ঠীর একক সম্পত্তি হিসেবে দেখার প্রবণতা তৈরি হয়েছিল। একই ধরনের পরিস্থিতি যেন জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের ক্ষেত্রে সৃষ্টি না হয়, সেদিকে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। শুধু সরকার পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে নাগরিকের দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। বরং সরকার গঠনের পর তাকে জবাবদিহির মধ্যে রাখার দায়িত্ব আরও গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এ বিষয়ে সচেতন ও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আপনারা শুধু দাবি করবেন না, সরকার ও জনপ্রতিনিধিরা তাদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করছেন কি না, সেটিও দেখবেন। কোনো মন্ত্রী, এমপি বা জনপ্রতিনিধি জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী কাজ করছেন কি না সেটি প্রশ্ন করা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা নাগরিকের দায়িত্ব।

রাজনৈতিক মতাদর্শের ভিন্নতা গণতান্ত্রিক সমাজে স্বাভাবিক। কেউ একটি দলকে সমর্থন করতে পারেন, অন্য কেউ অন্য দলকে সমর্থন করতে পারেন। কিন্তু দল বা ব্যক্তির ঊর্ধ্বে দেশ ও রাষ্ট্রের স্বার্থকে স্থান দিতে হবে। “দল গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে, কিন্তু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো দেশ। যে সরকারই ক্ষমতায় থাকুক, সরকারব্যবস্থা যেন সবসময় জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক থাকে—এটাই আমাদের মূল প্রত্যাশা।

অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর,  বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান চৌধুরী জাফরউল্লাহ শারাফাত এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষক, শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকার ডাক নিউজ/এস

 

 

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।