খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

বেনাপোলে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা সেবা নিলেন প্রায় ১৫০০ রোগী, দেওয়া হলো খাবার

মোঃ জমির হোসেন
প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৫৫ অপরাহ্ণ
বেনাপোলে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা সেবা নিলেন প্রায় ১৫০০ রোগী, দেওয়া হলো খাবার

স্থলবন্দর বেনাপোলে অন্ধজনে আলোর দিশা ছড়াতে অনুষ্ঠিত হলো বিশাল বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা শিবির (আই ক্যাম্প)। রোববার (২৩ আগস্ট) বেনাপোল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে আয়োজিত এই চক্ষু শিবিরে শার্শা উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন ও পৌর এলাকা থেকে প্রায় ১,৫০০ (পনেরো শত) সুবিধাবঞ্চিত ও অসহায় রোগী সেবা নিতে আগমন করেন। চক্ষু শিবিরে আসা প্রতিটি রোগীর জন্য খাবারের সুব্যবস্থা করা হয়।

​রোটারী ক্লাব অব যশোরের উদ্যোগে এবং ‘দ্য ফ্রড হলোস ফাউন্ডেশন’ ও খুলনা বি.এন.এস.বি চক্ষু হাসপাতালের সহযোগিতায় এই মহতী উদ্যোগের সার্বিক সৌজন্যে ছিলেন রোটারী ক্লাব অব যশোরের সদস্য, বেনাপোল ট্রান্সপোর্ট এজেন্ট মালিক সমিতির সভাপতি ও বেনাপোল পৌর বিএনপির সহ-সভাপতি রোটারিয়ান এ.কে.এম আতিকুজ্জামান সনি।

​চিকিৎসা শিবিরে রোগীদের ছানি অপারেশন ও লেন্স (IOL) সংযোজনের জন্য রোগী পরীক্ষা ও ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। দিনব্যাপী সেবা প্রদান করেন খুলনা (শিরোমনি) বি.এন.এস.বি (আই) হাসপাতালের অভিজ্ঞ চিকিৎসক দল। চিকিৎসাসেবা দলে ছিলেন সহকারী সার্জন ২ জন, ক্যাম্প পরিচালক ১ জন, ক্যাম্প পরিচালক সহকারী ৪ জন, চশমা সিলেক্টর অফিসার ২ জন এবং প্রয়োজনীয় পরিবহন কর্মী।

​সংবাদকর্মীদের সাথে আলাপকালে এই বিশেষ আয়োজনের উদ্যোক্তা এ কে এম আতিকুজ্জামান সনি বলেন,
​”আমি রোটারীর একজন সদস্য। এই সদস্য হওয়ার সুবাদে আমাদের প্রতিটি সদস্যের এরকম আই ক্যাম্প আয়োজন করার একটি চমৎকার সুযোগ থাকে। আমাদের অঞ্চলে অনেক দরিদ্র ও নিপীড়িত মানুষ রয়েছেন, যারা অর্থাভাবে চোখের অপারেশন বা ছানির অপারেশন করাতে পারেন না। তাদের সেবায় আমার ইচ্ছা— প্রতি বছরই আমি এই স্থানেই এই বিনামূল্যে চক্ষু শিবির আয়োজন করব।”

​ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তিনি আরও বলেন,
​”ইতিমধ্যেই রোটারিয়ানদের সাথে কথা হয়েছে, ভবিষ্যতে আমরা এখানে বিনামূল্যে ডায়াবেটিস ক্যাম্পের আয়োজন করব, যাতে আমাদের রোটারী হাসপাতালেও ডায়াবেটিস চিকিৎসার একটি সেবা চালু থাকে। এছাড়া যারা এই ক্যাম্প থেকে চিকিৎসা গ্রহণ করছেন, তারা পরবর্তীতে রোটারী থেকে যেকোনো শারীরিক টেস্ট বা চিকিৎসায় ৪০% থেকে ৫০% ছাড় পাবেন। এটি কোনো দয়া বা করুণা নয়, রোটারী ইন্টারন্যাশনাল এবং অন্যান্য সহযোগী সংস্থার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মানের চিকিৎসাসেবা অসহায় মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার একটি সামাজিক প্রয়াস মাত্র। ​তিনি জানান, শার্শা উপজেলা ও বেনাপোল পৌরবাসীর সামাজিক কল্যাণ ও কল্যাণে তারা এভাবেই নিরবচ্ছিন্নভাবে মানুষের পাশে থাকবেন।”
এসময় তিনি নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালণ করার জন্য ধন্যবাদ জানান, স্কুল,কলেজ শিক্ষার্থীদের, ধন্যবাদ জানান
শার্শা এবং বেনাপোল বিএনপি,ছাত্রদল,যুবদল,স্বেচ্ছাসেবকদল সহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা এবং কর্মীবৃন্দকে। ধন্যবাদ জানান পুলিশ, আনসার ও বন্দরের সিকিউরিটি সদস্যদেরকে।

​শিবিরে আসা রোগীরা চমৎকার সেবা ও বিনামূল্যে খাবারের ব্যবস্থা পেয়ে আয়োজকবৃন্দ এবং রোটারী ক্লাবের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।