খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

ম্যানুফ্যাকচারিং থেকে ইনোভেশনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সচিব

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ৮:২৪ অপরাহ্ণ
ম্যানুফ্যাকচারিং থেকে ইনোভেশনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সচিব

বিশেষ প্রতিনিধি: দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও শিল্পের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বাড়াতে ম্যানুফ্যাকচারিংনির্ভর অর্থনীতি থেকে ইনোভেশননির্ভর অর্থনীতির দিকে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। সরকার ক্রিয়েটিভ ইকোনমির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে ফ্যাশন ডিজাইন ক্রিয়েটিভ ইকোনমির একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র। এ খাতে নিজস্ব ব্র্যান্ড ও সৃজনশীল উদ্ভাবনের মাধ্যমে বৈশ্বিক বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী করার ব্যাপক সুযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ আনোয়ার হোসেন ।

মঙ্গলবার ঢাকায় BGMEA University of Fashion & Technology (BUFT)-এর নবীনবরণ ও ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম ২০২৬ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সচিব  বলেন, ক্রিয়েটিভ ইকোনমির আওতায় ফ্যাশন ডিজাইনের পাশাপাশি আর্কিটেকচার, মিউজিক, ফিল্ম, এডভার্টাইজিং, অ্যানিমেশন ও গেমিংসহ বিভিন্ন খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ফ্যাশন ডিজাইনিংয়ে সৃজনশীলতার পাশাপাশি বাংলাদেশের নিজস্ব ব্র্যান্ড তৈরির যে সুযোগ রয়েছে, তা কাজে লাগিয়ে দেশের তরুণ প্রজন্মকে বিশ্ববাজারে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য প্রস্তুত হতে হবে। আমাদের আসলে ম্যানুফ্যাকচারিং থেকে ইনোভেশনের দিকে যেতে হবে। ফ্যাশন ডিজাইনে আমাদের ক্রিয়েটিভিটির যে সুযোগ রয়েছে এবং নিজস্ব ব্র্যান্ড তৈরি করার যে সম্ভাবনা রয়েছে, আমরা তা দেখতে চাই। আপনারাই এই দেশকে সেই জায়গায় নিয়ে যাবেন।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় শিল্প ও গবেষণা খাতের মধ্যে কার্যকর সংযোগ স্থাপনের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। এ লক্ষ্যে মন্ত্রণালয় থেকে ‘Research to Market’ এবং ‘Innovate to Market’- এই দুটি ধারণা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে। Research to Market’ উদ্যোগের আওতায় বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (BCSIR)-এর সঙ্গে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও কার্যকরভাবে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। BUFT-এর সঙ্গেও BCSIR-এর গবেষণা ও উন্নয়নমূলক সহযোগিতা রয়েছে, যা ভবিষ্যতে ফ্যাশন ও টেক্সটাইল খাতে উদ্ভাবনকে আরও এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

শিল্প খাতের সঙ্গে সহযোগিতার বিষয়ে তিনি বলেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় আন্তর্জাতিক পোশাক ব্র্যান্ড H&M-এর সঙ্গেও কাজ করছে। এ সহযোগিতার আওতায় এনার্জি ও ওয়াটার ব্যবহারে দক্ষতা বৃদ্ধি এবং কেমিক্যালের ব্যবহার কমানোর মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কাজ করা হচ্ছে। Innovate to Market’ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো উদ্ভাবনী পণ্য ও সেবাকে বাণিজ্যিকভাবে সফল করার পথ তৈরি করা এবং উদ্ভাবনকে বাজারের সঙ্গে কার্যকরভাবে যুক্ত করা। গবেষণা ও উদ্ভাবনের ফলাফল যাতে কেবল গবেষণাগার বা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থাকে, বরং তা মানুষের ব্যবহার ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে বাস্তব অবদান রাখতে পারে, সে বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

জাতীয় পর্যায়ে ইনোভেশন ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার উদ্যোগের কথা তুলে ধরে সচিব বলেন, আগামী ১২ সেপ্টেম্বর ঢাকায় আগারগাঁওয়ে নভোথিয়েটারে  তিন দিনব্যাপী ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬’ আয়োজন করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ মেলার শুভ উদ্বোধন করবেন। মেলার মাধ্যমে দেশের উদ্ভাবক, গবেষক, শিল্পখাত, উদ্যোক্তা ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মধ্যে কার্যকর সংযোগ তৈরি করে একটি শক্তিশালী ন্যাশনাল ইনোভেশন ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি রাইটস (IPR) উদ্ভাবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। উদ্ভাবকদের মেধাস্বত্ব সুরক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি উদ্ভাবনকে বাণিজ্যিক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থায়ন ও নীতিগত সহায়তা নিশ্চিত করাও জরুরি। দেশের ইনোভেশন ইকোসিস্টেমের ক্ষেত্রে ফাইন্যান্সিং একটি বড় গ্যাপ এবং পলিসি সাপোর্টও একটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ। কর্পোরেট ও বেসরকারি খাতের প্রতিষ্ঠানগুলো গবেষণা ও উন্নয়নে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী হলেও বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা দূর করতে নীতিগত সহায়তা প্রয়োজন। এসব বিষয়কে সামনে রেখে জাতীয় ইনোভেশন ইকোসিস্টেম প্ল্যাটফর্ম তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সচিব বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, ভবিষ্যতের কর্মক্ষেত্রে শুধু চাকরির জন্য প্রস্তুতি নিলে হবে না; বরং জ্ঞান, সৃজনশীলতা, গবেষণা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে নতুন সুযোগ তৈরি করতে হবে। দেশের অর্থনীতি ও শিল্পের রূপান্তরে তরুণ প্রজন্মকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।

অনুষ্ঠানে তিনি BUFT-এর উপাচার্যসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী এবং সংশ্লিষ্টদের প্রতি দেশের ফ্যাশন, টেক্সটাইল ও ক্রিয়েটিভ ইকোনমির উন্নয়নে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য প্রফেসর ড. ইঞ্জি. আইয়ুব নবী খান, বিইউএফটি এর বোর্ড অফ ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ফারুক হাসান, সদস্য মোহাম্মদ নাসির,  স্নোটেক্স গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালকএস এম খালেদ, বিভিন্ন ফ্যাকাল্টির ডিন এবং চেয়ারম্যানবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকার ডাক নিউজ/এস

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।