খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

যুক্তরাষ্ট্রে ফুলব্রাইট ফেলোশিপ পেলেন ঢাবির অধ্যাপক ড. আনোয়ারুল ইসলাম

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৫৯ অপরাহ্ণ
যুক্তরাষ্ট্রে ফুলব্রাইট ফেলোশিপ পেলেন ঢাবির অধ্যাপক ড. আনোয়ারুল ইসলাম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক এবং প্রাতিষ্ঠানিক গুণগত মান নিশ্চিতকরণ সেল (আইকিউএসি)-এর অতিরিক্ত পরিচালক ড. মো. আনোয়ারুল ইসলাম মর্যাদাপূর্ণ ফুলব্রাইট ফেলোশিপ অর্জন করেছেন।

২০২৬–২০২৭ শিক্ষাবর্ষের এই ফেলোশিপের আওতায় তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব টেনেসি, নক্সভিলে ফুলব্রাইট ভিজিটিং স্কলার হিসেবে যোগ দেবেন। আগামী ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে তাঁর ফেলোশিপ কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগের ৬৭ বছরের ইতিহাসে ড. মো. আনোয়ারুল ইসলামই প্রথম শিক্ষক হিসেবে ফুলব্রাইট ফেলোশিপ অর্জন করেছেন। তাঁর এ অর্জনকে বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, প্রাক্তন শিক্ষার্থী এবং তথ্যবিজ্ঞান পেশাজীবীরা গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি হিসেবে দেখছেন।

ফেলোশিপের সময় ড. আনোয়ারুল ইসলাম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) যুগে তথ্যনৈতিকতা নিয়ে গবেষণা করবেন। এআইয়ের দ্রুত বিকাশের ফলে তথ্য কীভাবে সৃষ্টি, ব্যবস্থাপনা, প্রবেশাধিকার, আদান-প্রদান, মূল্যায়ন ও ব্যবহার করা হয়, তাতে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। এই পরিবর্তনের ফলে তৈরি হওয়া নৈতিক চ্যালেঞ্জগুলোই তাঁর গবেষণার অন্যতম প্রধান বিষয় হবে।

বিশেষ করে শিক্ষা, শিখন, গবেষণা এবং অন্যান্য একাডেমিক পরিবেশে এআই টুলের দায়িত্বশীল ও নৈতিক ব্যবহার নিয়ে কাজ করবেন তিনি। বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এআই ব্যবহারের জন্য নীতিমালা ও নির্দেশিকা প্রণয়ন করছে। এমন প্রেক্ষাপটে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, গবেষক এবং তথ্যবিজ্ঞান পেশাজীবীদের মধ্যে এআইয়ের নৈতিক ব্যবহার সম্পর্কে সচেতনতা তৈরির বিষয়টিও তাঁর গবেষণায় গুরুত্ব পাবে।

গবেষণার মাধ্যমে শিক্ষা ও গবেষণায় এআই টুল কীভাবে দায়িত্বশীলভাবে ব্যবহার করা যায় এবং এর মাধ্যমে সর্বোচ্চ সুফল পাওয়া সম্ভব—তা অনুসন্ধান করবেন ড. আনোয়ারুল ইসলাম। পাশাপাশি ব্যক্তি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, গবেষক এবং বৃহত্তর সমাজের ওপর এআই ও তথ্যপ্রযুক্তির নৈতিক প্রভাবও তাঁর গবেষণার আওতায় থাকবে।

ফুলব্রাইট ফেলোশিপের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও একাডেমিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে কাজ এবং মতবিনিময়ের সুযোগ পাবেন তিনি। একাডেমিক আলোচনা, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন ও জ্ঞান বিনিময়ের মাধ্যমে উচ্চশিক্ষায় দায়িত্বশীল এআই ব্যবহারের নীতিমালা ও চর্চা সম্পর্কে অভিজ্ঞতা অর্জন করবেন।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, যুক্তরাষ্ট্রে অর্জিত এই অভিজ্ঞতা বাংলাদেশে এআইয়ের নৈতিক ব্যবহার নিয়ে আলোচনা ও সচেতনতা বাড়াতে এবং উদীয়মান প্রযুক্তির জন্য উপযুক্ত প্রাতিষ্ঠানিক নীতিমালা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

এই ফেলোশিপের মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউনিভার্সিটি অব টেনেসি, নক্সভিলের মধ্যে একাডেমিক ও গবেষণা সহযোগিতাও আরও জোরদার হবে বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা ক্ষেত্রের আন্তর্জাতিক পরিচিতি ও দৃশ্যমানতা বৃদ্ধিতেও এটি ভূমিকা রাখবে।

ড. মো. আনোয়ারুল ইসলাম জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের বিভিন্ন তথ্যবিজ্ঞান সংগঠনে গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্বের দায়িত্ব পালন করেছেন। পেশাগত অবদান ও নেতৃত্বের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি একাধিক মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারও অর্জন করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে অ্যাসোসিয়েশন ফর ইনফরমেশন সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (ASIS&T) প্রদত্ত নিউ লিডার্স অ্যাওয়ার্ড (২০১৭), জেমস এম. ক্রেটসোস লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড (২০২১) এবং দ্য লুইস লুনিন অ্যাওয়ার্ড (২০২৩)।

এ ছাড়া ২০২৪ সালে Asian Scientist Magazine তাঁকে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগে এশিয়ার ১০০ জন বিজ্ঞানীর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে। জাপান, বেলজিয়াম, সিঙ্গাপুর ও কানাডায়ও তিনি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফেলোশিপ ও একাডেমিক কার্যক্রমে অংশ নিয়েছেন।

ড. মো. আনোয়ারুল ইসলামের এই ফুলব্রাইট ফেলোশিপ তাঁর একাডেমিক ও গবেষণা জীবনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন। সংশ্লিষ্টদের আশা, যুক্তরাষ্ট্রে তাঁর গবেষণা ও জ্ঞান বিনিময়ের অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের তথ্যবিজ্ঞান, গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নৈতিক ব্যবহার নিয়ে ভবিষ্যৎ গবেষণা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রকে আরও সমৃদ্ধ করবে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।