খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

৫৯ বছর বয়সে সাংবাদিকতায় অনার্স পাশ করলেন সেই বেলায়েত শেখ

মো : আব্দুল বাতেন বাচ্চু
প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৪০ অপরাহ্ণ
৫৯ বছর বয়সে সাংবাদিকতায় অনার্স পাশ করলেন সেই বেলায়েত শেখ

বয়স যে শিক্ষার পথে কোনো বাধা নয়—তা আবারও প্রমাণ করলেন গাজীপুরের বেলায়েত শেখ। ৫৯ বছর বয়সে সাংবাদিকতা, যোগাযোগ ও মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগ থেকে অনার্স পরীক্ষায় সফলভাবে উত্তীর্ণ হয়ে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তিনি।

 

রোববার (৩০ আগস্ট) স্টেট ইউনিভার্সিটির সাংবাদিকতা যোগাযোগ ও মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের সমন্বয়ক, সহকারী অধ্যাপক রিফাত সুলতানা দৈনিক ঢাকার ডাক কে জানান, গত ২৯ আগস্ট শনিবার ফলাফল ঘোষণা করা হয়। বেলায়েত শেখ এ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন।

 

জীবনের নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে দীর্ঘ বিরতির পর শিক্ষাজীবনে ফিরে আসেন বেলায়েত শেখ। ২০১৭ সালে ৫০ বছর বয়সে ঢাকার দারুল ইসলাম আলিম মাদ্রাসায় নবম শ্রেণিতে ভর্তি হয়ে নতুন করে লেখাপড়া শুরু করেন বেলায়েত শেখ। এরপর ২০১৯ সালে এসএসসি এবং ২০২১ সালে এইচএসসি পাশ করেন তিনি। পরে উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম, জাহাঙ্গীরনগর, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন বেলায়েত শেখ।

 

২০২২ সালে স্টেট ইউনিভার্সিটিতে সাংবাদিকতা যোগাযোগ ও মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগে ভর্তি হন।

 

বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে বয়সের ব্যবধান, পারিবারিক ও আর্থিক নানা চ্যালেঞ্জ থাকলেও তিনি হাল ছাড়েননি। নিয়মিত পড়াশোনা, ক্লাশ ও পরীক্ষায় অংশ নিয়ে শেষপর্যন্ত অনার্সের গণ্ডি পাড়ি দিতে সক্ষম হয়েছেন।

 

অনার্স পাশের অনুভূতি প্রকাশ করে বেলায়েত শেখ বলেন, শিক্ষার কোনো বয়স নেই। জীবনে যত বাধাই আসুক, ইচ্ছাশক্তি ও পরিশ্রম থাকলে স্বপ্ন পূরণ করা সম্ভব। যারা বয়সের কারণে পড়াশোনা থেকে দূরে আছেন, তাদের প্রতি আমার আহ্বান—সুযোগ পেলেই আবার পড়াশোনায় ফিরে আসুন।

 

তার এই সাফল্যে পরিবার, সহপাঠী, শিক্ষক ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা আনন্দ প্রকাশ করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তার অর্জনকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন অনেকে।

 

৫৯ বছর বয়সে অনার্স পাশের মাধ্যমে বেলায়েত শেখ শুধু নিজের স্বপ্নই পূরণ করেননি, বরং বয়সকে জয় করে শিক্ষার পথে এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে অন্যদের জন্যও তৈরি করেছেন অনুপ্রেরণার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

 

সাংসারিক জীবনে বৃদ্ধা মা, স্ত্রী দুই ছেলে এক কন্যাসন্তান রয়েছে বেলায়েত শেখের। রয়েছে ছেলে এবং মেয়ের ঘরের তিনজন নাতি-নাতনিও।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।