খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

মাদক ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স প্রধানমন্ত্রীর: বিমানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:২৭ অপরাহ্ণ
মাদক ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স প্রধানমন্ত্রীর: বিমানমন্ত্রী

বিশেষ প্রতিনিধি: মাদক, চাঁদাবাজি, ধর্ষণ ও নারী নির্যাতন- এই চার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন। এই চার বিষয়ে কোনো ছাড় নয়। মাদক একটা পরিবার, সমাজ ও দেশকে ধ্বংস করছে। মাদক নির্মূল করতে হবে। রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সরকারি কর্মকর্তা ও জনগণ – সকলের সহযোগিতায় মাদক চিরতরে নির্মূল করতে হবে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) শেরপুর জেলার আইনশৃঙ্খলা, উন্নয়ন ও সমন্বয় কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। শেরপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য একজনই নেতা আছেন, তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। যিনি দেশকে ভালোবেসে, দেশের গণতন্ত্রের পুনঃরুদ্ধারের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছেন।একটা জেলায় প্রায় ৭০ ধরনের সরকারি অধিদপ্তর থাকে। যদি ৭০টি অধিদপ্তর একযোগে সাধারণ জনগণের কল্যাণের জন্য কাজ করেন, তবে জনগণের অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। আপনারা অতীতের লেজুড়বৃত্তি ভুলে নতুন বাংলাদেশ গড়তে মনস্থির করুন, দায়িত্ববোধ থেকে নিজের উপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করুন। আপনারা সরকারি কর্মচারী, সরকারি কোষাগার থেকে বেতন নেন, আপনাদের কাজ জনগণকে সেবা দেওয়া। যদি একটি উপজেলার ইউএনও, ওসি ঠিকমতো নিয়ন্ত্রণ করেন, তবে সে এলাকার আইনশৃঙ্খলা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ঠিক থাকবে।

রাজনীতিবিদগণ চাইলে দেশ অবশ্যই ভালো থাকবে। যদি রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং সরকারি কর্মকর্তা একে অপরকে সহযোগিতা করেন, অবশ্যই দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন হবে। আপনারা মাদকাসক্ত, সংরক্ষণকারী এবং বিক্রয়কারী ব্যক্তির পক্ষে কোনো তদবির সুপারিশ করবেন না। মাদকের সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা ৫ কোটি টাকা জরিমানা।  সরকার দেশকে মাদকমুক্ত করতে বদ্ধপরিকর। রাজনৈতিক কারণে দেশের স্বার্থ জলাঞ্জলি দেওয়া যাবে না।সরকার ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, খাল খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচি, পাঁচ বছরে পঁচিশ কোটি বৃক্ষরোপনসহ অসংখ্য কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছে। সরকার প্রাথমিক শিক্ষায় বই, স্কুল ব্যাগ, মিড ডে মিল, মেয়েদের জন্য স্নাতক পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা গ্রহণ চালু করেছে।  কারণ, জাতিগতভাবে আমরা শিক্ষিত হলেই দেশটা এগিয়ে যাবে। কৃষক কার্ডের জন্য প্রত্যেক ইউনিয়নে ডিলার নিয়োগ চলছে। শীঘ্রই সারের সংকট কেটে যাবে।

শেরপুরে সরকারের গৃহীত উন্নয়ন প্রকল্প বিষয়ে তিনি বলেন, ভারতের মেঘালয় রাজ্য হতে আসা পাহাড়ি ঢলে বন্যা প্রতিরোধে গৃহীত প্রকল্প প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে। এছাড়াও ঝিনাইগাতী উপজেলার মহারশী ও সোমেশ্বরী নদীর বাঁধ নির্মাণ প্রকল্প প্রস্তাব প্রি-একনেক পর্যায়ে এ রয়েছে। শেরপুরকে পর্যটনমূখী করতে ঝিনাইগাতীতে একটা হোটেল নির্মাণ করা হবে। সকলে মিলে একসাথে কাজ করে অবহেলিত শেরপুরের ভাগ্য পরিবর্তন করা হবে।

এছাড়াও সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে ১৪৪ শেরপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ মাহমুদুল হক চৌধুরী, ১৪৫ শেরপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী, ৩১৫ সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য সানসিলা জেবরিন, পুলিশ সুপার এ.কে.এম জহিরুল ইসলাম এবং জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকার ডাক নিউজ/এস

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।