খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

ইউনিক আইডি কার্ড চালুর কাজ শুরু করেছে সরকার: জবিউল্লাহ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৪৯ অপরাহ্ণ
ইউনিক আইডি কার্ড চালুর কাজ শুরু করেছে সরকার: জবিউল্লাহ

বিশেষ প্রতিনিধি: সরকার নাগরিক সেবাপ্রাপ্তি সহজ করতে আলাদা পরিচয়পত্রের বদলে জাতীয়ভাবে একটি ‘ইউনিক আইডি কার্ড চালুর কাজ শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইসমাইল জবিউল্লাহ।

১৪ সেপ্টেম্বর সোমবার রাজধানীর ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক আয়োজিত ‘ওয়ান কার্ড’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের (ইউএপি) ‘ওয়ান কার্ড’ উদ্যোগ জাতীয় পর্যায়ে একটি সমন্বিত পরিচয়পত্র চালুর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দেবে।যেকোনো বড় প্রকল্প বাস্তবায়নের আগে পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে এর কার্যকারিতা যাচাই করা জরুরি। এর মাধ্যমে উদ্যোগটির বাস্তব প্রয়োগ, সীমাবদ্ধতা ও ঘাটতি চিহ্নিত করা যায়। পরে প্রয়োজনীয় পরিমার্জন করে তা বৃহত্তর পরিসরে চালু করা সম্ভব হয়। ইউএপি ‘ওয়ান কার্ড’-এর মাধ্যমে একটি প্রশংসনীয় কাজ শুরু করেছে। প্রথমে একটি বিভাগে এর প্রয়োগ দেখে পর্যায়ক্রমে অন্যান্য বিভাগেও তা চালু করা যেতে পারে।

প্রতিটি কাজের জন্য আলাদা কার্ড না রেখে একটি ইউনিক আইডির মাধ্যমেই নাগরিকদের সব সেবা দেওয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার। এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ইউএপির এই পাইলট প্রকল্পের অভিজ্ঞতা কাজে আসবে।উচ্চশিক্ষার প্রসারে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবদানের প্রশংসা করে উপদেষ্টা বলেন, দেশে বর্তমানে শতাধিক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। শিক্ষার বিস্তারে এবং সরকারের দায়িত্ব পালনে তারা সহযোগী হিসেবে বড় ভূমিকা রাখছে।

বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে উৎসাহিত করার সুস্পষ্ট অঙ্গীকার রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সেই উদ্যোগ অব্যাহত আছে। এর অংশ হিসেবেই সর্বশেষ বাজেটে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়কর ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে। ইউএপি কর্তৃপক্ষের এই উদ্যোগের জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে সম্ভাবনা ও সীমাবদ্ধতা যাচাই করে কাজ করলে কাক্সিক্ষত সাফল্য পাওয়া সহজ হয়। ভবিষ্যতে জাতীয় পর্যায়ে সমন্বিত পরিচয়ব্যবস্থা গড়ে তুলতে ইউএপির এই উদ্যোগ বেশ সহায় হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ইউএপি বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান কে. এম. মোজিবুল হক বলেন, ওয়ান কার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রযুক্তিগত অগ্রযাত্রার একটি বড় মাইলফলক। এটি ক্যাম্পাসে একটি আধুনিক, দক্ষ ও সুসংগঠিত ডিজিটাল পরিবেশ গড়ে তুলতে সাহায্য করবে।সভাপতির বক্তব্যে ইউএপি’র ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মহিউদ্দিন আহমেদ ভূঁইয়া বলেন, ওয়ান কার্ড একটি আধুনিক সেবা ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে একই প্ল্যাটফর্মে ডিজিটাল পরিচয়, লেনদেন (পেমেন্ট) ও তথ্যাদি ব্যবস্থাপনা যুক্ত করা হয়েছে, যা ক্যাম্পাস জীবনকে আরও সহজ ও দ্রুত করবে।

অনুষ্ঠানে ওয়ান কার্ডের ওপর একটি ভিডিও চিত্র প্রদর্শন করা হয় এবং শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে একটি প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। এতে ডিজি ইনফোটেক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাশেদ মাহমুদ ওয়ান কার্ডের প্রযুক্তিগত দিক- যেমন ওয়ান আইডি, ডিজি পে, ওয়ান কার্ড ভল্ট এবং সমন্বিত পেমেন্ট ব্যবস্থার বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ইউএপির ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য, শিক্ষক, কর্মকর্তা-শিক্ষার্থী এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকার ডাক নিউজ/এস

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।