খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার পর শিল্প কারখানায় গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতিরি উন্নতি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:২৪ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার পর শিল্প কারখানায় গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতিরি উন্নতি

বিশেষ প্রতিনিধি: প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার পর জাতীয় গ্যাস সঞ্চালন পাইপলাইনে গ্যাসের চাপ অনেক বেড়েছে, জাতীয় গ্যাস সঞ্চালন পাইপলাইনে সরবরাহ বাড়ায় শিল্প-কারখানায় গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি হতে শুরু করেছে। ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম অঞ্চলে গ্যাসের চাপ স্বাভাবিক হয়েছে। অন্যান্য শিল্পাঞ্চলেও ধীরে ধীরে সরবরাহ বাড়ছে। ব্যবসায়ী নেতারা আশা করছেন, রাত থেকে আগামীকালের মধ্যে অধিকাংশ শিল্পাঞ্চলে গ্যাসের চাপ আরও বাড়বে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে।

ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (এফবিসিসিআই) প্রশাসক মো. ফজলুল হক বলেন, আজ গ্যাসের সরবরাহ ক্রমাগত বাড়ছে। জাতীয় সঞ্চালন পাইপলাইনে ইতোমধ্যে গ্যাসের চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ফলে পরিস্থিতি আগের স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসার প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

তবে দীর্ঘ সময় কম চাপ থাকার কারণে উত্তর, পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চলসহ বিভিন্ন প্রান্তের হাজার হাজার গ্রাহকের কাছে স্বাভাবিক চাপে গ্যাস পৌঁছাতে কিছুটা সময় লাগবে। আজ রাত অথবা আগামীকাল ভোরের মধ্যে অধিকাংশ এলাকায় গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার আশা করছেন তিনি।

উল্লেখ্য, গতকাল ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শিল্প-কারখানায় গ্যাস সরবরাহ আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে দেড় মাস আগের অবস্থায় ফিরবে বলে জানান। এ ঘোষণার পর ব্যবসায়ীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসে। এরই মধ্যে আজ শিল্প-কারখানায় গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতির চিত্র পাওয়া যাচ্ছে।

পেট্রোবাংলা সূত্র জানায়, জাতীয় গ্যাস সঞ্চালন পাইপলাইনে আজ সরবরাহ আগের দিনের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। আজ বিকেল ৪টায় জাতীয় গ্রিডে ২৬০ দশমিক ৬ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়। আগের দিন একই সময়ে সরবরাহের পরিমাণ ছিল ২৩৪ দশমিক ৫৩ কোটি ঘনফুট।

বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, চট্টগ্রাম অঞ্চলে গ্যাসের চাপ স্বাভাবিক হয়েছে। ঢাকা ও আশপাশের শিল্পাঞ্চলে গ্যাস সরবরাহের সঠিক চিত্র আগামীকাল সকালে শিল্প মালিকদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সকাল থেকেই গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। বিভিন্ন জোনের কারখানা মালিকদের সঙ্গে কথা বলে পাওয়া তথ্য নিয়মিতভাবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে জানানো হচ্ছে।সংগৃহীত তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রাম জোনে গ্যাস সরবরাহে দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে। সেখানে আগের তুলনায় অনেক ভালো চাপে গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে। ঢাকা, ময়মনসিংহ, গাজীপুর, মানিকগঞ্জ, সাভার, আশুলিয়া, নারায়ণগঞ্জ ও নরসিংদী জোনে এখনো উল্লেখযোগ্য উন্নতি না হলেও রাতের পর এসব এলাকায় পরিস্থিতি আরও ভালো হওয়ার আশা করছেন ব্যবসায়ীরা।

গার্মেন্ট ব্যবসায়ী ও মোশারফ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোশারফ হোসেন বলেন, গাজীপুরের শিল্পকারখানাগুলোতে এখনো গ্যাসের চাপ বাড়েনি। তবে যে খবর পাওয়া যাচ্ছে, তাতে আগামীকালের মধ্যে পরিস্থিতির অনেক উন্নতি হবে বলে আশা করছেন তিনি।ব্যবসায়ী নেতারা বলছেন, জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ বাড়ানোর ফলে শিল্পাঞ্চলগুলোতে পরিস্থিতির উন্নতির লক্ষণ দেখা যাচ্ছে।

ঢাকার ডাক নিউজ/এস

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।