খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

জাতীয় গ্রীডে দিনে আরও  ১২.৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ শুরু

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৫ অপরাহ্ণ
জাতীয় গ্রীডে দিনে আরও  ১২.৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ শুরু

বিশেষ প্রতিনিধি: জাতীয় গ্রীডে দিনে আরও  ১২.৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ শুরু, গ্যাসের আমদানি নির্ভরতা কমাতে সরকার সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা গ্রহন করেছে: তিতাস-২৮ কূপ উদ্বোধনকালে বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী

১৯ সেপ্টেম্বর দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিতাস-২৮ কূপের গ্যাস উৎপাদনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকালে বিদ্যুৎ,জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জনাব অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, এমপি গ্যাসের সংকটকালে  স্বস্তি ফিরবে বলে আশাবাদ ব্যাক্ত করেন। তিনি বলেন, এই কূপ হতে জাতীয় গ্রীডে দিনে আরও  ১২.৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ শুরু হল। এই কূপ উদ্বোধনের ফলে শিল্প, বিদ্যুৎ ও অন্যান্য খাতে গ্যাস সরবরাহ আরও বৃদ্ধি করা সম্ভব হবে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, জ্বালানিখাতে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের লক্ষ্যে ২০৩০ সালের মধ্যে আরও ১৫০টি কূপ খননের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার।তিনি বলেন, দেশীয় কোম্পানি সমূহের সক্ষমতা বৃদ্ধি করে গ্যাসের আমদানি নির্ভরতা কমানোর  আপ্রাণ চেষ্টা করছে সরকার।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস্ কোম্পানী লিমিটেড (বিজিএফসিএল) উক্ত গ্যাস ফিল্ড এর তত্বাবধানে নিয়োজিত। বিজিএফসিএল বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ কর্পোরেশন (পেট্রোবাংলা)-এর আওতাধীন রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সর্ববৃহৎ প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদনকারী একটি প্রতিষ্ঠান। বিজিএফসিএল এর আওতায় বর্তমানে ০৬(ছয়) টি গ্যাস ফিল্ড যথা- তিতাস, হবিগঞ্জ, বাখরাবাদ, নরসিংদী, মেঘনা ও কামতা রয়েছে। বহুজাতিক কোম্পানি নাইকোর কাছে হস্তান্তরের পূর্ব পর্যন্ত ফেনী গ্যাস ফিল্ড বিজিএফসিএল এর আওতাধীন ছিল। অত্র কোম্পানির আওতাধীন ফিল্ডসমূহে সাইসমিক সার্ভে পরিচালনা, কূপ খনন, প্রসেস প্লান্টের মাধ্যমে গ্যাস প্রক্রিয়াকরণ, ওয়েলহেড কম্প্রেসরের মাধ্যমে গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধি, উপজাত হিসেবে কনডেনসেট সংগ্রহ ও বিপনন, গ্যাসের গুণগতমান বজায় রেখে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ কার্যক্রম পরিচালিত হয়। বিজিএফসিএল মোট দেশীয় উৎপাদনের প্রায় ৩০.০% বা দেশের মোট সরবরাহের ১৮.০% গ্যাস উৎপাদন করে। পর্যায়ক্রমে গ্যাস উৎপাদন আরো বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে আরও জানানো হয় বর্তমান সরকারের ১৫০টি কূপ খনন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ২০৩০ সালের মধ্যে ৬ টি নতুন কূপ খনন এবং ৮টি বন্ধ কূপ ওয়ার্কওভারের মাধ্যমে দৈনিক প্রায় ১০৬.৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করার লক্ষ্যে বিজিএফসিএল এর ৫টি প্রকল্প চলমান রয়েছে। এছাড়া আরো ৯টি নতুন কূপ খনন এবং ১২ টি বিদ্যমান কূপ ওয়ার্কওভারের মাধ্যমে দৈনিক প্রায় ১২৬ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা সম্ভব বলে আশা করা যায়। সরকারের মহাপরিকল্পনার অংশ হিসেবে ২০৩৫ সালের মধ্যে ১৯টি কূপ হতে দৈনিক প্রায় ২৩৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা সম্ভব বলে আশা করা যায়। বিজিএফসিএল এর আওতাধীন এলাকা হবিগঞ্জ ফিল্ড ও তদসংলগ্ন এলাকায় ৮৭৫ বর্গ কিলোমিটার এবং বাখরাবাদ, নরসিংদী ও মেঘনা ফিল্ড এলাকায় ৫৭৫ বর্গ কিলোমিটার সহ মোট ১৪৫০ বর্গ কিলোমিটার এলাকায় ৩-ডি সাইসমিক জরিপ; তিতাস ফিল্ডের উত্তর পশ্চিমে ও নরসিংদী ফিল্ডের উত্তর পূর্ব এলাকায় ৬৩২ বর্গ কিলোমিটার এলাকায় ২-ডি ও ৩-ডি সাইসমিক জরিপ পরিচালনা ও প্রাপ্ত ফলাফল বিবেচনা করে উপযুক্ত প্রকল্পসমূহ বাস্তবায়নে বিজিএফসিএল কর্তৃক কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ বৃদ্ধির ক্রমাগত প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে “তিতাস ও কামতা ফিল্ডে ৪টি মূল্যায়ন-কাম-উন্নয়ন কূপ খনন” শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় কূপসমূহ খননের জন্য সমন্বিত খনন ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান CNPC Chuanqing Drilling Engineering Company Ltd. (CCDC), China  এর সাথে ১০ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে সম্পাদিত চুক্তির আওতায় তিতাস ২৮ নং কূপের খনন কার্যক্রম ১৫-১২-২০২৫ তারিখে শুরু হয়ে ১৯-০৬-২০২৬ তারিখে ৩৬০১ মিটার (MD)  বা ৩৪৭১ মিটার (TVD) গভীরতা পর্যন্ত খনন করা হয়।

কূপটি হতে দৈনিক ১২-১৩ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদন করা সম্ভব হবে। তিতাস-২৮ নং কূপটি সম্পন্ন করতে প্রায় ২০০.০০ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে।

কূপের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকালে আরও উপস্থিত ছিলেন মোঃ জিয়াউল হক, সচিব, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়, পেট্রোবাংলা ও বিজিএফসিএল এর উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত তিতাস-২৮ নং কূপের গ্যাস উৎপাদন কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে চলমান  তিতাস-২৯ ও তিতাস-৩১ কূপের খনন কার্যক্রমও পরিদর্শন করেন।

ঢাকার ডাক নিউজ/এস

–

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।