খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

তারেক রহমান

সামনে আমাদের জন্য বড় যুদ্ধ অপেক্ষা করছে

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৪, ৮:১৭ অপরাহ্ণ
সামনে আমাদের জন্য বড় যুদ্ধ অপেক্ষা করছে

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, স্বৈরাচার শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার আগেও দুই হাজার মানুষকে হত্যা করেছে আর ৩০ হাজার মানুষকে রক্তাক্ত করেছে।  তিনি বলেন, বাংলাদেশ আজ স্বৈরাচারমুক্ত। এখন সামনে বড় একটি যুদ্ধ অপেক্ষা করছে আমাদের জন্য।  রাজনৈতিক দলগুলো দীর্ঘদিন ধরে যে আন্দোলন সংগ্রাম করে আসছে সেগুলো বাস্তবায়নের সময় এসেছে। মানুষের বিভিন্ন রকম সমস্যা রয়েছে এই সমস্যা নিরসনের জন্য প্রয়োজন নির্বাচিত সরকার। এজন্য নির্বাচনের মধ্য দিয়ে সরকার গঠন করতে হবে।

 

সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) বিকেলে নীলফামারী সদর উপজেলার দুবাছুড়ি দাখিল মাদরাসা মাঠে সুধী সমাবেশে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত থেকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। তারেক রহমান বলেন, সাম্যের বাংলাদেশ গড়তে বিএনপি ৩১ দফা ঘোষণা করেছে। সামনের দিনগুলো হচ্ছে দিন গড়ার। এই দেশকে গড়তে হলে দলমত নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।  বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, দেশের জন্য আমরা দল থেকে কী করব, দলীয়ভাবে কী পদক্ষেপ নিতে পারি- এসব আমাদের পরিকল্পনার মধ্যে আছে। পরবর্তী নির্বাচনের আগে জনগণকে দেখাতে হবে আপনি কী কী করতে পেরেছেন। সবটা হয়ত আমরা পারব না, তবে যতটুকু করব তা জনগণের কাছে তুলে ধরবো। তখন জনগণ এর বিচার করবে। তিনি বলেন, আগামীর ভোটই শুধু ভোট না। শক্তিশালী গণতন্ত্র গড়ে তুলতে বাংলাদেশকে এখনো অনেক দূর এগোতে হবে।

 

অনুষ্ঠানে ২০১৪ সালের জানুয়ারিতে র‌্যাবের ক্রস ফায়ারে নিহত লক্ষ্মীচাপ ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শহীদ গোলাম রব্বানী পরিবারকে ছয় লাখ টাকা দিয়ে নির্মিত বাড়ির চাবি হস্তান্তর করেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।  আমরা বিএনপি পরিবার আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বিএনপির রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুল হাবিব দুলু, বিএনপির কেন্দ্রীয় কোষাধ্যক্ষ রশিদুজ্জামান মিল্লাত, রংপুর বিভাগীয় বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল খালেক ও আমিনুল ইসলাম বক্তব্য দেন।  আমরা বিএনপি পরিবারের আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রুমনের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে নীলফামারী জেলা বিএনপির সভাপতি আলমগীর সরকার ও সাধারণ সম্পাদক জহুরুল আলম এবং পঞ্চগড় জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ফরহাদ হোসেন আজাদ বক্তব্য দেন। সভায় বাবা হত্যার বিচার চেয়ে বক্তব্য দেন নিহত গোলাম মোস্তফার বড় মেয়ে রওনক জাহান রিক্তা। তারেক জিয়ার পক্ষে নিহত গোলাম রব্বানীর বিধবা স্ত্রীর হাতে ঘরের চাবি তুলে দেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব ও ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর প্রধান উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। এ সময় জুলাই আগস্টের আন্দোলনে রংপুর বিভাগের নিহত ১২ জনের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।