খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

পয়োনিষ্কাশন প্রকল্প

চট্টগ্রাম ওয়াসার ৩ বছরে অগ্রগতি ৬০ শতাংশ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৬ জানুয়ারি, ২০২৫, ১২:৪১ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রাম ওয়াসার ৩ বছরে অগ্রগতি ৬০ শতাংশ

নগরের পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা ঢেলে সাজাতে চট্টগ্রাম ওয়াসার অধীনে বাস্তবায়িত হচ্ছে পয়োনিষ্কাশন ও স্যুয়ারেজ প্রকল্প। কিন্তু প্রকল্পের ধীরগতি, ডলার সংকট সহ বিভিন্ন কারণে মাত্র তিন বছরে ৬০ শতাংশ অগ্রগতি হয়েছে প্রকল্পটির। এখনও ৪০ শতাংশ কাজ বাকি, হাতে সময় আছে মাত্র দেড় বছর। যা শেষ করা অনেকটাই অসম্ভব- বলছেন প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা। ফলে আবারও প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বাড়তে পারে।  ওয়াসা সূত্র জানায়, একনেকে অনুমোদনের প্রায় এক বছর পর ২০১৯ সালের ৪ নভেম্বর প্রকল্পের পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিয়োগ দেয় ওয়াসা। ঠিকাদার নিয়োগে দরপত্র আহ্বান করা হয় ২০২০ সালের অক্টোবরে। এ ছাড়া ২০২২ সালের জানুয়ারিতে দক্ষিণ কোরিয়ার তাইয়ং ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেডকে ঠিকাদার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। ওই মাসেই কাজ শুরু হয় প্রকল্পটির। পয়োনিষ্কাশন প্রকল্প প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, পয়োনিষ্কাশন বর্জ্য পাইপলাইন ও খাল নালার মাধ্যমে সংগ্রহ করে তা হালিশহর কেন্দ্রীয় ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের মাধ্যমে পরিশোধন করা হবে। হালিশহর এলাকায় ১৬৫ একর জায়গায় প্রকল্পটির কেন্দ্রীয় ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট করা হচ্ছে। প্রকল্পের অধীনে মোট ২০০ কিলোমিটার পাইপলাইন স্থাপন, ১৫টি পাম্প স্টেশন, ১৪৪ কিলোমিটার সার্ভিস লাইন স্থাপন করা হবে। বাসাবাড়ির পয়ঃবর্জ্য সংগ্রহ করে কেন্দ্রীয় ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টে পরিশোধন করা হবে। প্রকল্পের সুবিধাভোগী হিসেবে ধরা হয়েছে প্রায় ২০ লাখ মানুষ। ইতিমধ্যে প্রকল্পের ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের ভৌত কাজের ৮০ শতাংশ এবং মেকানিক্যাল কাজের ৩০ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। তাছাড়া পাইপলাইন স্থাপনের কাজও প্রায় ৪৫ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। নগরীকে ছয়টি ক্যাচমেন্ট এরিয়ায় ভাগ করে পয়োনিষ্কাশন প্রকল্পের কাজে হাত দেয় ওয়াসা। প্রথম পর্যায়ের হালিশহর ক্যাচমেন্ট এরিয়ার কাজের নির্মাণব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছিল ৩ হাজার ৮০৮ কোটি টাকা। এ  প্রকল্প বাস্তবায়নের মেয়াদ ছিল জুন, ২০২৪ পর্যন্ত। সেই হিসেবে প্রকল্প বাস্তবায়নের মেয়াদ শেষ হয়েছে। কিন্তু এই সময়ের মধ্যে করোনাভাইরাস, কনসালট্যান্ট নিয়োগ, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নিয়োগে বিলম্ব, প্রকল্পের ডিজাইনে কিছু পরিবর্তনসহ ডলারের মূল্যবৃদ্ধি পেয়েছে। এসব বিবেচনায় এনে প্রকল্পের কাজ শুরুর আগেই ২০২২ সালে প্রকল্পের ব্যয় ও সময় বৃদ্ধির প্রস্তাব করে ওয়াসা। যদিও প্রকল্প বাস্তবায়ন সময় ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে, তবে ব্যয় বৃদ্ধি অনুমোদন দেয়নি সরকার। ওয়াসার প্রধান প্রকৌশলী মাকসুদ আলম বাংলানিউজকে জানান, নগরের বর্জ্যসমূহ পাইপলাইনের মাধ্যমে সংগ্রহ করা হবে। সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্টের আওতায় রান্না ঘর, গোসলের পানি এবং টয়লেটের বর্জ্য সংগ্রহ করা হবে। এক্ষেত্রে গ্রাহকের বাসায় স্যুয়ারেজের পাইপলাইন বসানো হবে। ওই পাইপলাইনের মাধ্যমে গৃহস্থালি বর্জ্যসমূহ সরাসরি ক্যাশমেন্ট এরিয়ার পরিশোধনাগারে চলে যাবে। সেখানে এসব পানি পরিশোধিত হয়ে নদী ও সাগরে গিয়ে পড়বে। তবে কারিগরি যাচাই-বাছাইয়ে নগরের প্রায় ৩০ শতাংশ এরিয়া স্যুয়ারেজ পাইপলাইন স্থাপনের অনুপযোগী। এক্ষেত্রে ফিকেল স্ল্যাজ ম্যানেজমেন্টের আওতায় টয়লেটের বর্জ্যসমূহ ভ্যাকুয়াম ট্রাক ও গাড়িতে করে পরিশোধনাগারে নেওয়া হবে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।