খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

দেশে ফিরলেন ভারতে আটকে পড়া জেলে-নাবিকরা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জানুয়ারি, ২০২৫, ১২:৩৭ অপরাহ্ণ
দেশে ফিরলেন ভারতে আটকে পড়া জেলে-নাবিকরা

বাংলাদেশের জলসীমার মধ্যে অবৈধভাবে মৎস্য আহরণের সময় আটক ভারতীয় ৯৫ জেলেকে ফেরত দিয়েছে কোস্ট গার্ড। একইসঙ্গে ভারতে আটক ও আশ্রয়ে থাকা ৯০ জন বাংলাদেশি জেলে-নাবিককে ফেরত আনা হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় বাংলাদেশি জেলেদের বোটসহ তাদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লে. কমান্ডার মো. সিয়াম-উল-হক জানান, বাংলাদেশ-ভারত আন্তর্জাতিক সমুদ্র সীমারেখা সংলগ্ন বাংলাদেশ জলসীমার মধ্যে অবৈধভাবে মৎস্য আহরণরত অবস্থায় বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ২টি (অভিজিত-৩ ও ঝড়-৩) এবং বাংলাদেশ নৌ-বাহিনী ৪টি (এফবি জয় জগন্নাথ-২, এফবি বাসন্তি, এফ বি অভিজিত ও এফবি নারায়ণ) মোট ৬টি ভারতীয় ফিশিং বোট ৯৫ জন জেলেসহ আটক করে।

অপরদিকে, গত ১২ সেপ্টেম্বর বৈরী আবহাওয়ায় বাংলাদেশি ফিশিং বোট এফবি কৌশিক ডুবে গেলে ১২ জন জেলেকে ভারতীয় কোস্ট গার্ড উদ্ধার করে ভারতের হলদিয়া বন্দরে নিয়ে যায়। এছাড়াও গত ৯ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ভারত আন্তর্জাতিক সমূদ্র সীমারেখা সংলগ্ন এলাকায় ভারতীয় জলসীমায় মৎস্য আহরণের অভিযোগে ২টি বাংলাদেশী ফিশিং ট্রলার (এফবি লায়লা-০২ ও এফবি মেঘনা-৫)-কে ৭৮ জন জেলেসহ আটক করে ভারতীয় কোস্ট গার্ড। পরবর্তীতে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে দ্বিপাক্ষিক সমাঝতার মাধ্যমে আটক থাকা জেলেদের বন্দি বিনিময় সিদ্ধান্ত হয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী আটক জেলেদের হস্তান্তর ও গ্রহণের কার্যক্রম সম্পন্ন করার দায়িত্ব বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডকে অর্পণ করা হয়।

এরই ধারাবাহিকতায়, গত ৫ জানুয়ারি রোববার (৫ জানুয়ারি) বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড এর তত্বাবধানে বাংলাদেশ-ভারত আন্তর্জাতিক মেরিটাইম বাউন্ডারি লাইন (আইএমবিএল) এ বিকাল ৫টার দিকে বাংলাদেশে আটক থাকা ৯৫ জন ভারতীয় জেলেকে ৬টি বোটসহ ভারতীয় কোস্ট গার্ড এর নিকট হস্তান্তর করা হয়। একইসাথে ভারতে আটক ও আশ্রয়ে থাকা ৯০ জন বাংলাদেশি জেলেকে ২টি বোটসহ ভারতীয় কোস্ট গার্ড কাছ থেকে গ্রহণ করা হয়।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।