খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

বিমানবন্দরে যাত্রী ও নিরাপত্তা সদস্যের সংঘাতের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জানুয়ারি, ২০২৫, ৬:৪৩ অপরাহ্ণ
বিমানবন্দরে যাত্রী ও নিরাপত্তা সদস্যের সংঘাতের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আন্তর্জাতিক আগমনী ক্যানোপি ২ এর সামনে বুধবার (৮ জানুয়ারি, ২০২৫) আনুমানিক রাত সোয়া দুইটায় বিমানবন্দরে যাত্রী ও নিরাপত্তা সদস্যের মধ্যে সংঘাতের ঘটনা ঘটে। দুইজন যাত্রী কর্তৃক বিমানবন্দরের একজন নিরাপত্তা সদস্যকে কর্তব্যরত অবস্থায় শারীরিকভাবে আঘাতের ঘটনায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় থেকে যুগ্ম সচিব কে প্রধান করে একটি উচ্চপদস্থ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে উক্ত কমিটি এই রিপোর্ট জমা দিবে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা এবং প্রাথমিক তদন্ত মোতাবেক জানা গেছে, পাঁচ জন আগমনী যাত্রীর একটি দল বিমানবন্দরের কার্যক্রম শেষ করে ক্যানোপি দুই এলাকা দিয়ে বের হয়ে যাওয়ার সময় তাদের মধ্যে এক জন ট্রলি সহ ক্যানোপি দুই এর গেট এর ঠিক সম্মুখভাগে অবস্থান করলে অত্র গেইটে সকল আগমনী যাত্রীর জন্য প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হয়। ওই সময় অত্র এলাকায় আগমনী যাত্রীদের চাপ বেশি থাকায় কর্তব্যরত এক জন নিরাপত্তাকর্মী বিনীতভাবে উক্ত যাত্রীকে কিছুটা সরে দাঁড়ানোর জন্য অনুরোধ করলে তিনি তাতে কর্ণপাত না করে দাঁড়িয়ে থাকেন।

পরবর্তীতে কিছুক্ষণ পরে উক্ত নিরাপত্তা কর্মী পুনরায় ওই যাত্রীকে সরে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করতে গেলে তিনি প্রচন্ড রাগান্বিত হয়ে পড়েন এবং অকথ্য ও অশ্রাব্য ভাষায় উক্ত নিরাপত্তা কর্মীকে গালিগালাজ করতে থাকেন। এ সময় উক্ত স্থানে নিয়োজিত আরো একজন নিরাপত্তা কর্মী উল্লেখিত যাত্রীকে শান্ত করার চেষ্টা করলে এক পর্যায়ে উল্লেখিত যাত্রীর পুত্র (একই ফ্লাইটের যাত্রী, যিনি পেছনে অবস্থান করছিলেন) ঘটনাস্থলে এসে বিমান বাহিনীর ঐ নিরাপত্তা কর্মী কে শারীরিকভাবে আঘাত ও লাঞ্ছিত করেন। যাত্রীবৃন্দ ঐ নিরাপত্তাকর্মীকে কিলঘুষি মারা শুরু করলে তাদের মধ্যে ধ্বস্তাধস্তি হয় এবং ওই নিরাপত্তা কর্মী মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। একপর্যায়ে পরিস্থিতি মোকাবেলায় অত্র স্থলে নিয়োজিত আনসার এবং এভিয়েশন সিকিউরিটি এর সদস্যবৃন্দ এগিয়ে আসলে উক্ত নিরাপত্তা কর্মীবৃন্দকে উল্লেখিত দুজন যাত্রীর হাত থেকে মুক্ত করা হয়।

এই ঘটনায় জড়িত যাত্রীকে পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য বিমানবন্দরের বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রেরণ করা হলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট যাত্রীর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি, প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা ও সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা সাপেক্ষে তাকে অর্থদন্ড প্রদান করেছেন।

উল্লেখ্য যে, প্রতিবছর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ৮ মিলিয়ন যাত্রী ধারণ সক্ষমতার বিপরীতে প্রায় ১২ মিলিয়ন যাত্রী আগমন এবং বহির্গগমন করে থাকেন। বেবিচক কতৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থার সাথে যথাযথ সমন্বয়পূর্বক প্রত্যহ প্রায় ৩০০টির অধিক আন্তর্জাতিক ও আভ্যন্তরিক ফ্লাইটে ৪০ হাজারের অধিক সম্মানিত যাত্রীবৃন্দের সাচ্ছন্দ্যময় ভ্র্রমণ নিশ্চিত করে থাকে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।